অ্যাপেলের আইপ্যাড
কিছু দিন পরপরই নতুন ধরনের প্রযুক্তি পণ্য নিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে হাজির হয় অ্যাপল ইনকরপোরেটেড প্রতিষ্ঠানটি। আই-প্যাড এই ধারাবাহিকতার সবর্বশেষ পণ্য। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গত সপ্তাহে এ্যাপল পরিচয় করিয়ে দিল তাদের নতুন এই ট্যাবলেট কম্পিউটারের সাথে । আই-প্যাড নামের এই যন্ত্রটির প্রচলিত ল্যাপটপ বা স্মার্ট ফোন থেকে উন্নততর প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে বলে জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্যানফ্রান্সিসকোতে অ্যাপল কম্পিউটার ইনকরপোরেটেডের প্রধান নির্বাহী স্টিভ জবস বিশ্বকে পরিচয় করিয়ে দেন বহু প্রত্যাশিত, বহুল আলোচিত এই ট্যাবলেট কম্পিউটারটিকে। স্টিভ জবস জানান অ্যাপলের তৈরী আইপ্যাড স্মার্টফোনের চেয়েও বেশি কিছু, আবার পূর্ণাঙ্গ ল্যাপটপ কম্পিউটারও নয় এটি। দৈনন্দিন কাজগুলি সহজ ভাবে করার উপযোগী করে Read more…
গুগল আর্থ অফলাইন ইনস্টলার
![]()
গুগল আর্থ গুগলের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সেবা। যে কেউ বিনামূল্যে এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহার করে স্যাটেলাইট থেকে তোলা সম্পূর্ণ পৃথিবীর ছবি দেখা যায়। ঠিকান লিখে খুজে বের করা যায় পৃথিবীর যেকোন স্থানের ছবি। নিয়মিত এই ছবিগুলি আপডেট করা ছাড়াও সফটওয়্যারটিতে যুক্ত করা হচ্ছে নুতন নতুন সুবিধা। যেমন একেবারে প্রথমে এটিতে শুধুমাত্র স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দেখা যেত । পরবর্তীতে যুক্ত করা হয় বিশেষ বিশেষ স্থানের ত্রিমাত্রিক মডেল। এর পরপরই চালু করা হয় স্ট্রীট ভিউ সুবিধাটি। যেখানে বিভিন্ন এলাকার ছবি যুক্ত করা হয়। বড় ধরনের এই পরিবর্তন ছাড়াও ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের সুবিধা যুক্ত করা হচ্ছে নিয়মিতভাবে।
সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা গেলেও এটি ইনস্টল করার পদ্ধতিটি কিছুটা আলাদা ধরনের। সাধারনভাবে ডাউনলোড করা হলে খুব ছোর আকারের একটি ইনস্টলার ডাউলোড হয়। সেটি ব্যবহার করে ইনস্টল শুরু করার পর মূল সফটওয়্যারের বাকি অংশ ডাউলোড হয়ে থাকে এবং প্রতিবার নতুন করে ডাউলোড করা হলে এমন ওয়েব থেকে বাকি অংশ ডাউলোড হয়। তবে নিচে দেখানো পদ্ধতিতে ডাউলোড করা হলে সেই ইনস্টলারটি দিয়ে সফটওয়্যারটি দিয়ে সম্পূর্ণরূপে ইনস্টল করা যাবে এবং Read more…
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ভিডিও ফাইলে রুপান্তর করা

পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন যে ফরম্যাটে সংরক্ষন করা হয় তা সহজেই সম্পাদনা করা যায় এবং চালানোর জন্য সবসময়ই দরকার হয় বড় আকারের অফিস স্যুট প্রোগ্রামগুলি। আবার যদি পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে তৈরী করা কোন প্রেজেন্টেশন টিভি বা মোবাইলের মাধ্যমে দেখানো প্রয়োজন সেক্ষেত্রে এটিকে নির্দিষ্ট ভিডিও ফরম্যাট পরিবর্তন করতে হবে ।
স্ক্রীন ক্যাপচার করার যেকোন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এই রুপান্তরের কাজটি করা যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে সমস্যা হল সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের প্রতিটি স্লাইড নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করে পরিবর্তন করতে হবে । শেষ হয়ে গেলে বন্ধ করে এটি সম্পদানা করতে হবে । এই বিশাল কাজটি না করেও পাওয়ার পয়েন্টে তৈরী করা স্লাইড থেকে সরাসরি ভিডিও ফাইল তৈরী করা যায়। শুধুমাত্র কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ফরম্যাট ছাড়াও ডিভিডি, আইপড বা মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী বিভিন্ন ভিডিও ফরম্যাটে সরাসরি রুপান্তর
HTML5 video in youtube
সম্প্রতি গুগল ইউটইউবে এইচটিএমএল৫ ভিডিও ট্যাগ এর পরীক্ষামূলক সংস্করণ চালু করেছে। এই ধরনের ভিডিও ট্যাগ ব্যবহার করা হলে অ্যডবি ফ্ল্যাশ প্লাগইন ছাড়াই ওয়েব সাইটের ভিডিও দেখা যাবে। স্ট্রিমিং ভিডিও চালানোর জন্য কম্পিউটারে ইনস্টল করা কোন একটি মিডিয়া প্লেয়ারকে ব্যবহার করা হবে। এই পদ্ধতির বিশেষ সুবিধা হল অ্যডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের মত এটি কম্পিউটারের অন্যান্য কাজকে বাধাগ্রস্থ করবে না বা ভিডিও চালানোর জন্য ওয়েব ব্রাউটারটি ক্র্যাশ করবে না। সেই সাথে এইচটিএমএল৫ ট্যাগ ব্যবহারের কারণে এই ভিডিওগুলি ওয়েবসাইটে সাধারণ ছবির মত বিভিন্নভাবে সম্পাদনা করে ব্যবহার করা যাবে। সিএসএস এর মাধ্যমে ভিডিও সমূহ বিশেশভাবে উপস্থাপন করা যাবে আগের তুলনায় অনেক সহজ Read more…
পিডিএফ ফাইল সম্পাদনা
PDF ফরম্যাট সর্বপ্রথম Adobe তৈরী করে ৯০ এর দশকে। গুগলের দেয়া তথ্য মতে এর পর ৪৫ কোটিরও বেশী পিডিএত ডকুমেন্ট তৈরী করা হয়েছ। আবার মাইক্রোসফটের তৈরী করা সর্বাধিক জনপ্রিয় অ্যাপলিকেশনটি তৈরী করা হয় ৮০এর দশকে । তবে doc ফরম্যাটের ফাইল তৈরী করা হয়েছে মাত্র ৭ কোটি এর মত। [তথ্যসুত্র:www.google.com]
ডকুমেন্ট , প্রেজেন্টেশন, স্প্রেডশিট এর মত প্রায় সব ধরনের ফাইলই এই পিডিএফ ফরম্যাটে রুপান্তর করা যায় ফাইলের তথ্যের কোন ধরনের পরিবর্তন করা ছাড়াই। বিশেষ কিছু বৈশিষ্টের জন্য এটি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। যেমন :
- পিডিএফ ফরম্যাটের ফাইলগুলি সাধারণত মূল ফাইলের থেকে আকারে ছোট হয় যদিও মূল ফাইলের সব ফরম্যাটিং একই থাকে।
- উইন্ডোজ, লিনাক্স বা ম্যাক যে অপারেটিং সিস্টেম থেকেই তৈরী করা হোক না কেন । সকল অপারেটিং সিস্টেম থেকে Adobe Reader এর মত ফ্রী সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখা যায়। এমনকি ওয়েব ব্রাউজার থেকেও এটি দেখা সম্ভব।
- অন্যান্য ফাইল ফরম্যাটের মত এটি সহজেই সম্পদানা করা যায় না। ফলে সহজেই ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত Read more…
install xampp in ubuntu linux

উবুন্টুতে xampp ইনস্টল করার জন্য প্রথমে http://sourceforge.net/projects/xampp/files ঠিকানা থেকে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টলের উপযোগী সর্বশেষ সংস্করণটি ডাউলোড করে নিতে হবে।
xampp ফাইলটা যেখানে ডাউনলোড করা হয়েছে সেখান থেকে ফাইলটা /opt ফোল্ডারে এক্সট্রাক্ট করতে হবে । যদি ফাইলটা ডেক্সটপে থাকে তবে টারমিনাল ব্যবহার করে নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ইনস্টল করা যাবে
cd Desktop
এর পরের ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে ব্যবহারকারীরে সুপার ইউজার মোডে কাজ করতে হবে । এই মোড চালু করতে টারমিনালে লিখতে হবে Read more…
google chrome extensions
গুগল ক্রোম বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। সমসাময়িক ওয়েব ব্রাউজারগুলির তুলনায় বেশ কিছু দিক থেকেই এটি বেশ এগিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি গুগল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের জন্য এক্সটেনশন গ্যালেরী চালু করেছে। এক্সটেনশন হল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের সাথে ব্যবহার উপযোগী অতিরিক্ত অ্যাপলিকেশন। ক্যাটেগরী অনুযায়ী সহজেই প্রয়োজনীয় অ্যাডঅনটি পাওয়া যাবে এখানে। যদিও সাইটি পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ নয় , খুব অল্প দিন আগে পরীক্ষামূলকভাবে এটি তৈরী করা হয়েছে যার ফলে এখানে এক্সটেনশনের সংখ্যাও কিছুটা কম। তবে প্রতিদিনই নতুন নতুন এক্সটেনশন যুক্ত করা হচ্ছে।
chrome.google.com/extensions নামের ওয়েবসাইট থেকে Read more…
লিনাক্সে গেম খেলা (পর্ব-১)
অনেকেই মনে করেন লিনাক্সে গেম খেলা সম্ভব নয় । যদি কোনটি খেলা যায় তবে সেটি বহু কমান্ড ব্যবহার করে অত্যাধিক ঝামেলার মাধ্যমে করা যেতে পারে । DJL(en.djl-linux.org ) সফটওয়্যারটি দেখতে তাদের ভুল ভেঙে যাবে ।
DJL একটি ওপেন সোর্স (GPL লাইসেন্সে প্রকাশিত) গেম ম্যানেজার। পাইথন ২.৫ ব্যবহার করে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী করে তৈরী করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে খুব সহজে গেম ইনস্টল, আনইনস্টল ও ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায়। DJL এর গেম রিপোজিটরী এর ১০০ এরও অধিক গেম এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। খোজার সুবিধার জন্য গেমগুলি ক্যাটেগরী অনুযায়ী ভাগ করা যায়। এখনে পছন্দের গেমটি নির্বাচন করে ইনস্টল বাটনটি চাপলেই গেমটি ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যাবে। গেমটি ইনস্টল করতে কি কি কমান্ড লাগছে বা কোন কোন ডিপেন্ডেন্সি ডাউনলোড করা প্রয়োজন এর কিছুই জানতে হয় না Read more…
DOS গেম ডাউনলোড করুন বিনামূল্যে এবং বৈধভাবে
প্রথমদিকের অধিকাংশ গেমই Microsoft DOS অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী করে তৈরী করা । অনেক আগে তৈরী করা হলেও এই গেমগুলি এখনও বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। জনপ্রিয় প্রায় সবগুলি ডজগেমই ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এবং বৈধভাবে ডাউনলোড করা যায়। এমন বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে গেম ডাউনলোড করা যায় তবে ঐ সকল ওয়েবসাইটে পাওয়া না গেলে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে খুজে দেখতে পারেন । গাম পাওয়া যাবে এমন কিছু ওয়েব সাইটের বর্ননা করা হল :
১. DOS Games(www.dosgames.com/gameindex.php) – জনপ্রিয় ৫০০ এরও বেশী গেম পাওয় যাবে এখানে । যেকোন এমুলেরের মাধ্যমে খেলা যাবে এগুলি। এবং এই সাইটি নিয়মিত আপডেট করা হয় তাই দিন দিন এখানে গেম এর সংখ্যা বাড়ছে।
২. DOS Games Archive(www.dosgamesarchive.com) – বিপুল সংখ্যক গেম পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে। সাইটটির বিশেষ দিক হল প্রতিটি গেম এর স্ক্রীনশট দেখা যাবে এখানে। সেই সাথে ব্যবহারকারী রেটিং , চিটকোড সহ গেম খেলার আরও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় টিপস পাওয়া যাবে। এখানে কোন গেম DOSBox এমুলেটরের মাধ্যমে চালানো যাবে কিনা সেটি পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে।
৩. D-Fend Game Packages (dfendreloaded.sourceforge.net/Download.html#GamesPackages ) – DOSBox সাথে আপনি যদি D-Fend ফ্রন্টেন্ডটি ব্যবহার করে থাকেন তবে এই প্যাকেজগুলি ব্যবহার করে ক্যাটেগরী অনুযায়ী বহু সংখ্যক গেম একই সাথে ইনস্টল করা যাবে। এই প্যাকেজগুলি মূলত উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে।
৪. Classic DOS Games(www.classicdosgames.com) – এই সাইটেও ক্যাটেগরী অনুযায়ী গেমগুলি রাখা হয়েছে। গেমের ধরণ, প্রকাশের তারিখ, প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের নাম অনুযায়ী গেম খোজা যাবে। এখানে সবগুলি গেমই বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।
৫. Abandonia (www.abandonia.com/en/game/all ) – নতুন করে বিক্রি বা আপডেট করা হয় না এমন গেম পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে।
৬. Home of the Underdogs (hotud.org ) – প্রায় ৫৫০০ গেম এর রিভিউ পাওয়া যাবে এখানে। সেই সাথে রয়েছে ডাউনলোড করার অপশন। সাইটে একটি ফোরাম ও রেয়েছে ফলে যেকোন প্রয়োজনে আলোচনা করতে পারবেন সেখানে।
এছাড়া ইংরেজী উইকিপিডিয়াতে (en.wikipedia.org/wiki/Category:DOS_games) এধরনের গেমগুলির বিশাল এক তালিকা রয়েছে।
উবুন্টু ৯.১০ ইনস্টলের পর উইন্ডোজকে ডিফল্ট করা
অনেকেই এখন একই কম্পিউটারে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন। আগে থেকে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ইনস্টল করা কম্পিউটারে উবুন্টু ইনস্টল করা হলে প্রতিবার কম্পিউটার চালু করার সময় কোনটি চালু করা হবে সেই অপশন দেখানো হয়। কিন্তু কোনটি যদি নির্বাচন করা না হয় তবে ডিফল্ট হিসাবে উবুন্টু চালু হয়। তবে অনেকেই ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেমটি উবুন্টু থেকে পরিবর্তন করে উইন্ডোজ করতে চাইতে পারেন। “startup manager” নামের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এটি কাজটি করা যায়। কিন্তু উবুন্টু এর সাথে এটি ইনস্টল করে দেয়া থাকে না। ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হয়। তবে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা ছাড়াও একটি সহজ পদ্ধতিতে এই কাজটি Read more…
ফেসবুকের নতুন ছবি আপলোডের টুল
ফেসবুক ছবি আপলোডের জন্য নতুন একটি টুল তৈরী করেছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য এটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। ছবি আপলোডের আগের টুলগুলির তুলনায় এটি অনেক বেশী কার্যকর। এর মাধ্যমে ছবি খুব সহজে ও দ্রুততার সাথে আপলোড করা যায়। বর্তমানে ফেসবুকে প্রায় ৮০০০ কোটি ছবি রয়েছে এবং প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি অতিরিক্ত ছবি যুক্ত করা হচ্ছে। ফেসবুক থেকে পরিচালিত একটি জরিপে দেখা যায় যে ফেসবুকের টুলগুলির মধ্যে ছবি আপলোডারটি টুলটি সবথেকে বেশী কম জনপ্রিয়। এখনে বেশ কিছু বাগ রয়েছে যার ফলে ব্যবহারকরীদের প্রায় সময়ই সমস্যার সম্মুখীন Read more…
ওপেন অফিস [ডট] অর্গ এর বাংলা সহায়িকা [ ফ্রী ডাউনলোড ]
বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (bdosn.org) পক্ষ থেকে ওপেন অফিসের বাংলা সহায়িকা প্রকাশ করা হয়েছে । ওপেন অফিস ৩.১ এর উপর ভিত্তি করে লেখা এই বাংলা ব্যবহারকারী সহায়িকা ডাউনলোড করতে নিচের Download বাটনে ক্লিক করুন ।
সহয়িকায় মোট ৬টি অধ্যায় রয়েছে। প্রথমে ওপেন অফিসের সবগুলি প্রোগ্রাম সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দেয়া হয়েছে। এবং পরবর্তী চারটি অধ্যয়ে ওয়ার্ড প্রসেসর, প্রেজেন্টেশন, স্প্রেডশীট ও ওপেন অফিস ম্যাথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
শেষের দুই অধ্যায়ে ওপেন অফিস রাইটার এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মধ্যে পার্থক্য এবং কিছু সাধারণ সর্টকাট কী এর কথা বলা হয়েছে।
এটি প্রথম সংস্করণ হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবং পরবর্তী কিছু দিন এর মধ্যেই ওপেন অফিসের অন্যান্য অ্যপলিকেশনের ব্যবহারকরী সহায়িকা যুক্ত করে প্রকাশ হবে এখানে।
gcc compiler
GCC (GNU Compiler Collection) অনেকগুলা কম্পাইলারের সমন্বয়ে তৈরী একটি কম্পাইলার যার মাধ্যমে C, C++, Fortran, Java, Ada এর বেশ কয়েকটি প্রোগ্রামিং ভাষার সোর্সকোড কম্পাইল করা যায়। GNU Toolchain এর অন্যতম প্রধান অংশ হল GCC . GNU সিস্টেমের অফিসিয়াল এই কম্পাইলারটির নাম ছিল GNU C Compiler কারন এটি ১৯৮৭ সালে যখন এটি তৈরী করা হয় তখন এটি কেবল C প্রোগ্রামিং ভাষার জন্যই ব্যাবহার করা হত। পরবর্তীতে এটিকে C++, Objective C, Objective C++, Fortran, Pascal, Java, Ada ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ভাষার উপযোগি করে তৈরী করা হয়। তাছাড়া Modula-2, Modula-3, Pascal, PL/I, D, Mercury, VHDL ইত্যাদির জন্যও এটি ব্যাবহার করা যাবে। GCC কোড গুলা ডিবাগ করার জন্যGNU Debugger ব্যাবহার করা হয়।
কিছু হেডার ফাইল সহ আরও কিছু দরকারী ফাইল ইনস্টল করতে হবে এই কাজ গুলা ঠিক ভাবে করার জন্য। ফাইল গুলা ইনস্টল করার জন্য Terminal ওপেন করে লিখতে Read more…
গুগলের জাভাস্ক্রীপ্ট অপটিমাইজেশন টুল এর সোর্সকোড প্রকাশ করা হয়েছে
গুগলের কোটি কোটি ব্যবহারকারীরা প্রতিনিয়ত জিমেইল, গুগল ডক, গুগল ম্যাপ এর মত যেসকল অ্যাপলিকপশন ব্যবহার করছে সেগুলির বেশীরভাগ অংশই জাভাস্ক্রীপ্টের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা । যে টুলগুলি ব্যবহার করে গুগল এই ওয়েব ভিত্তিক সেবাগুলি তৈরী থাকে সেগুলির কোড সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এই টুলগুলি ব্যবহার করে দ্রততর, শক্তিশালী এবং কার্যকরী ওয়েব অ্যাপলিকেশন তৈরী করা সম্ভব হবে। এই উন্নত অ্যাপলিকেশনগুলি ওয়েব সার্চ বা ওয়েব ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।
==Closure Compiler==
Closure Compiler(code.google.com/closure/compiler) একটি জাভা স্ক্রীপ্ট অপটিমাইজেশন টুল । এটি ব্যবহার করে সহজেই একটি বড় আকারের কোড থেকে সমান কার্যকরী ছোট কোডে রুপান্তর করা যায়। ত্রুটিপূর্ণ কোড, syntax এর ভুল, variable references ও ধরণ এবং জাভাস্ক্রীপ্টের সাধারণ ত্রুটি গুলি Read more…



