কোডাকে কু-ডাক

27 জানু

পেশাদার থেকে শখের, সব আলোকচিত্রীর কাছে কোডাক একটি পরিচিত নাম। ক্যামেরা, ফ্লিম, ফটোপেপারসহ ছবি তোলা সংস্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করছে মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানটি। বিংশ শতকে ফটোগ্রাফি ফিল্মের ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি প্রভাবশালী ছিল এই প্রতিষ্ঠান। কোডাকের প্রতিষ্ঠাতা জর্জ ইস্টম্যান ১৮৮০ সালের দিকে ক্যামেরার ফিল্মকে রোল করে ব্যবহার করার জন্য পরীক্ষা করছিলেন। তিনি ১৮৮৯ সালে নিউ ইয়র্কের রচস্টারে “ইস্টম্যান কোডাক” নামের এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। এই ফিল্মগুলো বিক্রির জন্য কোডাক খুব কম দামি একটি ক্যামেরা বের করে। এভাবে কোডাকের পরিধি বড় হতে থাকে। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠানের কর্মী সংখ্যা ছিল ১লক্ষ ৪৫ হাজারেরও বেশি। ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্রর পাঠানো মহাকাশ যান চাঁদের কক্ষ পথ থেকে যে সকল ছবি তুলে এনেছিল সেগুলোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল কোডাক ফ্লিম। এমনকি চাঁদের পৃষ্টে প্রথম অবতরণকারীর নিল আর্মস্ট্রং এর কাছেও ছিল একটি কোডাক ক্যামেরা। যা দিয়ে তিনি চাঁদের পৃষ্ঠের ছবি গুলো এনেছিলেন।  ১৯৭৬ এর সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ ভাগ মার্কেট শেয়ার ছিল কোডাকের। ৮০র দশকে হলিউডের অধিকাংশ সিনেমা প্রিন্ট করা হত কোডাক ফিল্মে।

ফটোগ্রাফিকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে কোডাক যে সকল পদক্ষেপ নিয়েছিল অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানই এই ধরনের কাজ করতে পারেনি। কোডাক কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ক্যামেরার ফিল্ম উৎপাদনের লক্ষ্যে। এবং তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির ফলে গত শতকে ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে একটি বিশাল পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু ক্যামেরার ক্ষেত্রে ধিরে ধিরে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং ফিল্মের পরিবর্তে মেমরী কার্ডের ব্যবহার বাড়তে থাকে। কিন্তু কোডাক তাদের কার্যক্রম সেই অনুযায়ী পরিবর্তন করানি। এবং বিগত বছরগুলোতে তাদের ক্ষতির পারিমান বাড়তে থাকে, এবং গত ১৯ জানুয়ারী ২০১২ তারিখে সিটিগ্রুপের ১৮মাসের বকেয়া ৯৫০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে না পারার জন্য তাদের কোডাক প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়া ঘোষনা করা হয়।

টাইমলাইন
১৮৮০ – জর্জ ইস্টম্যান, নিউ ইয়র্কের রচস্টারে কোডাক প্রতিষ্ঠা করেন
১৮৮৮ – সবার জন্য সহজে ব্যবহার উপযোগী ক্যামেরা উদ্ভাবন
১৮৯৬ – চলচিত্র শিল্পে ব্যবহার জন্য প্রথম ফিল্ম উৎপাদন
১৯০০ – ব্রাউনি নামের খুব কম মূল্যে একটি ক্যামেরা সবার জন্য বাজারে ছাড়া হয়, এটির মূল্য ছিল ১ডলার
১৯২৮ – প্রথম রঙ্গিন ফিল্ম
১৯৩২ – ইস্টম্যান অসুস্থ্য হয়ে যান, ৭৭জন আত্মহত্যা করে
১৯৩৫ – কোডাকক্রোম  তৈরী করা হয়। শুরুতেই সফল এটি
১৯৫৪ – টি-এক্স নামের আল্ট্রা ফাস্ট সাদাকালো ফিল্ম তৈরী
১৯৬১ – স্লাইড দেখার নতুন প্রজেক্টর উদ্ভাবন
১৯৬৩ – ৫কোটি পণ্য বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে কোডাক
১৯৬৫ – সুপার ৮ ফিল্ম তৈরী শুরু
১৯৭৫ – প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরার বাজারে আসে। কিন্তু কোডাক নতুন প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে ব্যার্থ্য হয়
২০১২ – কোডাক দেউলিয়া ঘোষনা করা হয়। ডোজোন্স একটি ব্লুচিপ কোম্পানি হিসাবে পরিচিত থাকলেও কোডাকের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মানত্র ১৫কোটি টাকা।

 

প্রথম আলো, ২৭ জানুয়ারী ২০১২

ট্যাগসমূহ :, , ,

অ্যান্ড্রয়েডে বাংলা লিখুন

27 জানু

মায়াবী কীবোর্ড অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম-চালি স্মার্টফোনে বাংলা লেখার একটি সফটয়্যার। এন্ড্রয়েড ২.১ এবং এর পরবর্তী সকল সংস্করনে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে অ্যান্ড্রয়েড সেটটিতে যদি বাংলা সমর্থন না করে তবে এটি দিয়ে বাংলা লেখা দেখা যাবে না। তাই ইনস্টল করার পূর্বে নিশ্চিত হয়ে নেয়া যেতে পারে। বাংলা সমর্থন করে কিনা সেটা পরীক্ষা করার সহজ পদ্ধতি হল অ্যান্ড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজার থেকে http://bn.wikipedia.org ঠিকানা ব্যবহার করে বাংলা উইকিপিডিয়া খোলা। যদি পাতাটিতে বাংলা লেখা পড়া যায় তবে সেটটি বাংলা সমর্থন করে। না হলে সেটে এই কীবোর্ডটি ব্যবহার করা যাবে না। এটি একটি ফ্রি অ্যাপ তাই অ্যান্ড্রয়েড মার্কেট থেকে বিনামূল্যে এটি ডাউনলোড করা যায়। ইনন্টল করার পর Settings>> Languages থেকে মায়াবী কীবোর্ড নির্বাচন করে বাংলা লেখার অপশনটি সক্রিয় করতে হবে। এই কীবোর্ড দিয়ে বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষাতেই লেখা যায়। ডিফল্ট হিসাবে সবসময় ইংরেজি নির্ধারন করা থাকে, বাংলা লেখার পূর্বে কীবোর্ড থেকে তাই বাংলা অপশনটি চালু করে নিতে হবে। এই ফ্রি অ্যাপলিকেশনটির প্রধান বৈশিষ্টগুলো হল, ফনেটিক পদ্ধতিতে বাংলা লেখা যায়, ইংশেজি কীবোর্ড রয়েছে, অতিরিক্ত হিসাবে বেশ কিছু স্লাইলি এবং চিহ্ন লেখার ব্যবস্থা রয়েছে। সম্প্রতি ফ্রি সংস্করনের পাশাপাশি মায়াবী কীবোর্ডের একটি প্রিমিয়াম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রি সংস্করনের বৈশিষ্টগুলোর সাথে এখানে অতিরিক্ত  বেশ কিছু অপশন যোগ করা হয়েছে। যেমন ফনেটিকের পাশাপাশি বাংলা লেখার জন্য ফিক্সড কীবোর্ড সংযোজন, ওয়ার্ড প্রিডিকশনের জন্য বাংলা এবং ইংরেজি অভিধান সংযোজন ইত্যাদি। এই সংস্করনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন বৈশিষ্ট হল, এন্ড্রয়েড সেট বাংলা সমর্থন না করলেও এই প্রিমিয়াম সংস্করনের অ্যাপটি ব্যবহার করে বাংলা লেখা যাবে।

মায়াবী কীবোর্ড সম্পর্কে আরও জানতে হলে www.mayabisoft.wordpress.com  দেখুন। ফ্রি সংস্করনের ডাউনলোড লিংক https://market.android.com/details?id=com.mayabi.mayabikeyboard  এবং প্রিমিয়াম সংস্করনটি পাওয়া যাবে https://market.android.com/details?id=com.mayabisoft.inputmethod.premium  ঠিকানায়।

 

প্রথম আলো, ২৭ জানুয়ারী ২০১২, পৃ৩০

ট্যাগসমূহ :, , , , , , ,

উইকিপিডিয়ার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন

15 জানু

সম্প্রতি উইকিপিডিয়ার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন প্রকাশ করা হয়েছে। অ্যাপলিকেশনটি অ্যান্ড্রয়েড ২.২ এবং এর পরবর্তী সংস্করনগুলোর উপযোগী করে তৈরী করা হয়েছে। এই অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করে ২৪০টি ভাষার উইকিপিডিয়ার প্রায় ২কোটিরও বেশি নিবন্ধ পড়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। কোনো নিবন্ধের বিভিন্ন ভাষার সংস্করণগুলো দেখার জন্য ভাষা পরিবর্তনের অপশন রয়েছে। অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় থাকতে হবে। যে কোনো নিবন্ধই সংরক্ষন করে রাখা যায়, এবং সংরক্ষণ করা নিবন্ধগুলো দেখার জন্য ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয় না। অ্যাপলিকেশনের Nearby অপশনটি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর বর্তনাম অবস্থানের আশেপাশের কোনো কোন স্থান বা বিষয় নিয়ে উইকিপিডিয়াতে নিবন্ধ আছে সেটি দেখা যাবে। এছাড়া শেয়ার অপশনটি ব্যবহার করে ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটারসহ অন্যন্যা পদ্ধতিতে সকলকে জানিয়ে দেয়ারও সুযোগ রয়েছে অ্যাপলিকেশনটিতে।

অ্যানড্রয়েড মার্কেট থেকে অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে। এই পোস্টের সাথে দেয়া কোডটি স্ক্যন করুন অথবা সরাসরি ডাউনলোড করার ঠিকানা https://market.android.com/details?id=org.wikipedia

ট্যাগসমূহ :, , , , , , , ,

Wikimedia Foundation 2010–11 annual report

20 ডিসে

উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের ২০১০-২০১১ বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরে উইকিপিডিয়া নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিভিন্ন ভাষার উইকিপিডিয়া এবং উইকিপিডিয়ার সহপ্রকল্পগুলো নিয়ে প্রতিবেদন রয়েছে এই রিপোর্টে।

উইকিপিডিয়া রিপোর্টি দেখা যাবে এখানে

http://wikimediafoundation.org/wiki/Annual_Report

ট্যাগসমূহ :, , , , ,

রোবট তৈরির সফটওয়্যার

11 নভে

অনেক বছর আগে থেকেই মানুষ তার দৈনন্দিন বিভিন্ন ধরনের কাজে সাহায্যকারী হিসেবে রোবট ব্যবহার করে আসছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিস্থাপন করেছে এই রোবট। কাজের ক্ষেত্র ও ধরন অনুযায়ী এই রোবটের কার্যক্ষমতা এবং আকার হয়ে থাকে এক একরকম। শিক্ষার্থীরা যেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সহজে এবং দ্রুত রোবট তৈরির কাজ করতে পারে, সে জন্য মাইক্রোসফট একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করেছে। ‘রোবটিক্স ডেভেলপমেন্ট স্টুডিও’ নামের এই সফটওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন ধরনের রোবট তৈরি এবং রোবটের জন্য প্রোগ্রাম লেখা যায়। রোবট তৈরির সময় বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ সংযোজন এবং সেগুলো ব্যবহার করার ফলে রোবটের পরিবর্তনগুলো পরীক্ষা করতে হয়। বিপুলসংখ্যক হার্ডওয়্যার সংযোজন এবং প্রতিবার পরীক্ষার জন্য নতুন নতুন যন্ত্রাংশ কেনা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। তাই রোবটের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির পর সেগুলো নির্দিষ্ট রোবটে প্রয়োগ করা হলে ফলাফল কী হবে, সেটি জানতে পারা যাবে এই সফটওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত করা সিমুলেটরের মাধ্যমে। যার মাধ্যমে রোবটের কোনো যন্ত্রাংশ সরাসরি ব্যবহার না করেই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেটি তৈরি করা যাবে এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম ব্যবহার করে রোবটের কার্যকারিতা যাচাই করা যাবে।
সম্প্রতি মাইক্রোসফট রোবটিক্স ডেভেলপার স্টুডিও ৪-এর পরীক্ষামূলক (বেটা) সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বিনা মূল্যে এই সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। এই প্রোগ্রামটির মাধ্যমে অ্যাসিনক্রোনাস, স্টেট ড্রিভেন রোবটের জন্য অ্যাপলিকেশন তৈরি করা যায়। একই সঙ্গে এখানে সাধারণ প্রোগ্রামিং ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে অনেক ধরনের রোবট তৈরির কাজে এটি ব্যবহার করা যায়। এই সফটওয়্যারটির অন্য বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—
লাইটওয়েট অ্যাসিনক্রোনাস সার্ভিস
প্রচলিত ম্যানুয়াল থ্রেডিং ও লকের সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি এখানে কনকারেন্সি এবং কো-অর্ডিনেশন রানটাইম ব্যবহার করার ফলে সহজে অ্যাসিনক্রোনাস ইনপুট এবং আউটপুটের কাজটি আরও কার্যকরভাবে করা যায়। রোবটকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য এখানে এক ধরনের বিকেন্দ্রীকরণ সফটওয়্যার সার্ভিস ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছে। যার মাধ্যমে রোবটের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং মডিউল তৈরি এবং কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটি সহজে সম্পন্ন করা যায়।
ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ভাষা
নবীনদের জন্য এখানে ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া আছে। এর মাধ্যমে এডিট প্যানেল থেকে শুধু মাউস দিয়ে টেনে এনেই রোবটের উপযোগী প্রোগ্রাম তৈরি করা যাবে। ব্লক হিসেবে তৈরি করা এই ডিজাইন সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে নিয়ে একাধিক প্রোগ্রাম তৈরির সুযোগও রয়েছে এখানে। একই সঙ্গে এই ব্লককোডগুলো প্রচলিত সি শার্প প্রোগ্রামিং ভাষায় রূপান্তর করে ব্যবহার করা যায়।
ভিজ্যুয়াল সিমুলেশন
রোবটের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির পর সেটা যাচাই করার প্রয়োজন হয়। একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করার পর যদি সেখানে সংশোধন বা মান উন্নয়নের প্রয়োজন হয়, তবে সে জন্য রোবটটিকে আবার নতুন করে তৈরি করতে হতে পারে। এভাবে বারবার করা হলে সেটি হবে অনেক ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। আর এই কাজ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এখানে একটি থ্রিডি ভিজ্যুয়াল সিমুলেট দেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে রোবট তৈরি, সেখানে অ্যাপলিকেশন প্রয়োগ এবং এর ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পরীক্ষা করা যাবে, যার মাধ্যমে সহজেই ত্রুটিমুক্ত রোবট ডিজাইন করা সম্ভব।
এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে মাইক্রোসফট রোবটিক্স ডেভেলপার একটি রোবট তৈরি করেছে। এটি কোনো অনুষ্ঠানের আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করে।রোবটটি নিজে নিজেই অনুষ্ঠানের নানা ছবি তুলতে পারে। মাইক্রোসফট রেফারেন্সের ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে। চলার পথে সামনের বাধা চিহ্নিত করার জন্য ইনফ্রারেড এবং সোনার সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। মূল প্রোগ্রামটি চালানোও হয় মাইক্রোসফট উইন্ডোজ৭-এ আরডিএস৪ সফটওয়্যার থেকে। নতুন আরডিএসে সেন্সর এবং ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষ চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে। নিজে নিজে চলার পথে এটি সামনের বাধা চিহ্নিত করে এবং পরীক্ষা করে এটি কোনো মানুষ কি না। ক্যামেরার ফ্রেম ঠিক করার জন্য এটি নিজে নিজে অবস্থান পরিবর্তন করে ছবি তুলতে পারে। পাশাপাশি ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে এটি ফ্লিকার বা পিকাসার মতো ছবির সাইটে প্রকাশও করে দিতে পারবে।
টাইম অবলম্বনে

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-11-11/news/200011

ট্যাগসমূহ :, , , ,