রোবট তৈরির সফটওয়্যার

অনেক বছর আগে থেকেই মানুষ তার দৈনন্দিন বিভিন্ন ধরনের কাজে সাহায্যকারী হিসেবে রোবট ব্যবহার করে আসছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিস্থাপন করেছে এই রোবট। কাজের ক্ষেত্র ও ধরন অনুযায়ী এই রোবটের কার্যক্ষমতা এবং আকার হয়ে থাকে এক একরকম। শিক্ষার্থীরা যেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সহজে এবং দ্রুত রোবট তৈরির কাজ করতে পারে, সে জন্য মাইক্রোসফট একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করেছে। ‘রোবটিক্স ডেভেলপমেন্ট স্টুডিও’ নামের এই সফটওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন ধরনের রোবট তৈরি এবং রোবটের জন্য প্রোগ্রাম লেখা যায়। রোবট তৈরির সময় বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ সংযোজন এবং সেগুলো ব্যবহার করার ফলে রোবটের পরিবর্তনগুলো পরীক্ষা করতে হয়। বিপুলসংখ্যক হার্ডওয়্যার সংযোজন এবং প্রতিবার পরীক্ষার জন্য নতুন নতুন যন্ত্রাংশ কেনা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। তাই রোবটের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির পর সেগুলো নির্দিষ্ট রোবটে প্রয়োগ করা হলে ফলাফল কী হবে, সেটি জানতে পারা যাবে এই সফটওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত করা সিমুলেটরের মাধ্যমে। যার মাধ্যমে রোবটের কোনো যন্ত্রাংশ সরাসরি ব্যবহার না করেই সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেটি তৈরি করা যাবে এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম ব্যবহার করে রোবটের কার্যকারিতা যাচাই করা যাবে।
সম্প্রতি মাইক্রোসফট রোবটিক্স ডেভেলপার স্টুডিও ৪-এর পরীক্ষামূলক (বেটা) সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যবহারকারীরা মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বিনা মূল্যে এই সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। এই প্রোগ্রামটির মাধ্যমে অ্যাসিনক্রোনাস, স্টেট ড্রিভেন রোবটের জন্য অ্যাপলিকেশন তৈরি করা যায়। একই সঙ্গে এখানে সাধারণ প্রোগ্রামিং ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে অনেক ধরনের রোবট তৈরির কাজে এটি ব্যবহার করা যায়। এই সফটওয়্যারটির অন্য বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—
লাইটওয়েট অ্যাসিনক্রোনাস সার্ভিস
প্রচলিত ম্যানুয়াল থ্রেডিং ও লকের সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি এখানে কনকারেন্সি এবং কো-অর্ডিনেশন রানটাইম ব্যবহার করার ফলে সহজে অ্যাসিনক্রোনাস ইনপুট এবং আউটপুটের কাজটি আরও কার্যকরভাবে করা যায়। রোবটকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য এখানে এক ধরনের বিকেন্দ্রীকরণ সফটওয়্যার সার্ভিস ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছে। যার মাধ্যমে রোবটের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং মডিউল তৈরি এবং কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটি সহজে সম্পন্ন করা যায়।
ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ভাষা
নবীনদের জন্য এখানে ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া আছে। এর মাধ্যমে এডিট প্যানেল থেকে শুধু মাউস দিয়ে টেনে এনেই রোবটের উপযোগী প্রোগ্রাম তৈরি করা যাবে। ব্লক হিসেবে তৈরি করা এই ডিজাইন সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে নিয়ে একাধিক প্রোগ্রাম তৈরির সুযোগও রয়েছে এখানে। একই সঙ্গে এই ব্লককোডগুলো প্রচলিত সি শার্প প্রোগ্রামিং ভাষায় রূপান্তর করে ব্যবহার করা যায়।
ভিজ্যুয়াল সিমুলেশন
রোবটের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির পর সেটা যাচাই করার প্রয়োজন হয়। একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করার পর যদি সেখানে সংশোধন বা মান উন্নয়নের প্রয়োজন হয়, তবে সে জন্য রোবটটিকে আবার নতুন করে তৈরি করতে হতে পারে। এভাবে বারবার করা হলে সেটি হবে অনেক ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ কাজ। আর এই কাজ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এখানে একটি থ্রিডি ভিজ্যুয়াল সিমুলেট দেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে রোবট তৈরি, সেখানে অ্যাপলিকেশন প্রয়োগ এবং এর ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পরীক্ষা করা যাবে, যার মাধ্যমে সহজেই ত্রুটিমুক্ত রোবট ডিজাইন করা সম্ভব।
এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে মাইক্রোসফট রোবটিক্স ডেভেলপার একটি রোবট তৈরি করেছে। এটি কোনো অনুষ্ঠানের আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করে।রোবটটি নিজে নিজেই অনুষ্ঠানের নানা ছবি তুলতে পারে। মাইক্রোসফট রেফারেন্সের ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে। চলার পথে সামনের বাধা চিহ্নিত করার জন্য ইনফ্রারেড এবং সোনার সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। মূল প্রোগ্রামটি চালানোও হয় মাইক্রোসফট উইন্ডোজ৭-এ আরডিএস৪ সফটওয়্যার থেকে। নতুন আরডিএসে সেন্সর এবং ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষ চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে। নিজে নিজে চলার পথে এটি সামনের বাধা চিহ্নিত করে এবং পরীক্ষা করে এটি কোনো মানুষ কি না। ক্যামেরার ফ্রেম ঠিক করার জন্য এটি নিজে নিজে অবস্থান পরিবর্তন করে ছবি তুলতে পারে। পাশাপাশি ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে এটি ফ্লিকার বা পিকাসার মতো ছবির সাইটে প্রকাশও করে দিতে পারবে।
টাইম অবলম্বনে

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-11-11/news/200011

Advertisements

মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা-টুলসের নতুন সংস্করণ

মাইক্রোসফট তাদের নিরাপত্তা টুল এনহেনসড মিটিগেশন এক্সপিরিয়েন্স টুলকিটের (ইএমইটি) এর নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই টুলটিতে প্যাঁচ (বিশেষ প্রোগ্রাম) ব্যবহূত হচ্ছে না—এমন মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি এবং বাণিজ্যিক প্রোগ্রাম ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংঘটিত যেকোনো ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারবে। মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে এই সফটওয়্যারটি নামিয়ে (ডাউনলোড) ব্যবহার করা যাবে।


মাইক্রোসফটের নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা ল্যাবের প্রকৌশলী অ্যান্ডরু বলেন, এই ইএমইটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে। এটি মূলত এমন ধরনের কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা, যেখানে ব্যবহূত প্রোগ্রামগুলো অধিক নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন। বাণিজ্যিক ওয়েব প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ব্যবহূত ওয়েব সার্ভার, বিভিন্ন বিস্তারিত পড়ুন

অফিস ফাইল ওয়েবে সমন্বয়

সাধারণ ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারে যে কাজটি সবচেয়ে বেশি করেন, সেটি হলো অফিস প্রোগ্রামের ব্যবহার। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবভিত্তিক অফিস প্রোগ্রামগুলোও জনপ্রিয় হচ্ছে। এ ধরনের প্রোগ্রাম ব্যবহার করার প্রধান সুবিধা হলো, বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে সহজেই ফাইল আদান-প্রদান করা এবং সমন্বিতভাবে কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
অন্যদিকে ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্যবহূত অফিস প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে মাইক্রোসফট অফিস বেশি জনপ্রিয়। সম্পাদনা ও ফরম্যাটিং করার জন্য অনলাইন প্রোগ্রামগুলোর চেয়ে এতে অনেকটাই বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। তবে সমন্বিতভাবে কাজ করার সরাসরি কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে না এসব গুচ্ছ সফটওয়্যারে।
মাইক্রোসফট অফিস থেকেই যদি লেখা বা ছবি ইন্টারনেটে প্রকাশ (আপলোড), ডকুমেন্ট সমন্বয়, হালনাগাদ বা সিনক্রোনাইজ করার ব্যবস্থা থাকে, তবে সেটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতো। অতিরিক্ত কিছু প্রোগ্রাম (প্লাগ-ইন) ব্যবহার করে ডেস্কটপের ফাইলগুলো ওয়েবভিত্তিক গুগল ডক, জোহো ও মাইক্রোসফট অফিস লাইভের মতো সফটওয়্যারের বিস্তারিত পড়ুন

মুক্ত সোর্সে কাজ শুরু করেছে মাইক্রোসফট

মুক্ত সোর্স প্রযুক্তির বিষয়ে সফটওয়্যার তৈরি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট সব সময়ই বিরূপ মনোভাব পোষণ করে আসছে। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী স্টিভ ব্যালমার লিনাক্সকে ক্যানসার রোগের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের মেধাসত্ত্বের প্রতি হুমকিস্বরূপ।

অপর দিকে ২০০৭ সালে মাইক্রোসফট লিনাক্সসহ অন্যান্য বেশ কিছু মুক্ত সফটওয়্যার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের ২০০টি পেটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহারের অপরাধে অভিযুক্ত করেছেন। তবে সম্প্রতি মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপক জেন পাওলি মাইক্রোসফট এবং মুক্ত সোর্স এই দুই কমিউনিটির মধ্যে যোগাযোগ তৈরির বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি মুক্ত সোর্স বিষয়ে মাইক্রোসফটের অতীতের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, সে সময় অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের অবস্থান সঠিক ছিল না । সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ওপেন সোর্স পছন্দ করি, এখন থেকে আমার ওপেন সোর্সের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

সাধারণভাবে মাইক্রোসফট ওপেন সোর্সের কার্যক্রম সম্পর্কে সন্দিহান থাকায় লিনাক্সকে তারা অবিশ্বাস করত। তবে এটি বেশ অনেক দিন আগের কথা। এখন এ বিষয়ে আমাদের মনোভাব পরিবর্তন হয়েছে এবং আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পেরেছি। মাইক্রোসফট এখন মুক্ত স্ট্যান্ডার্ডের ওপর আস্থা এনেছে এবং ওপেন সোর্সের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।’ সম্প্রতি মাইক্রোসফট একটি মুক্ত ডাটা প্রটোকল তৈরি করার কাজ করছে।

বিভিন্ন প্রোগ্রামের মধ্যে তথ্যসমন্বয় এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে ক্লাউড-ভিত্তিক সফটওয়্যার এবং সেবাপ্রদানের জন্যই মূলত এই প্রটোকল তৈরি করা হচ্ছে। অন্যান্য ওপেন সোর্স কমিউনিটির ডেভলপাররা যেন এই উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হতে পারে, সেই লক্ষ্যে এটির পিএইচপি এবং জাভা-ভিত্তিক ডেভলপমেন্ট কিট প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণভাবে মাইক্রোসফট এ ধরনের ডেভলপমেন্ট কিটগুলো তাদের মালিকানাধীন ডট নেট প্লাটফর্মের উপযোগী করে তৈরি করে থাকে।

সূত্র: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-08-30/news/90414

ODF ফরম্যাটের ফাইল দেখুন মাইক্রোসফট অফিস থেকে

সবধরনের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরাই অফিস স্যুট ব্যবহার করেন। এমন বহু ব্যবহারকারী আছেন যারা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং পাওয়ার পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোন অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করেন না । তবে মাইক্রোসফট অফিস ছাড়াও আরও বেশ কিছু ভালোমানের অফিস স্যুট রয়েছে। যেমন ওপেন অফিস (openoffice.org)। ডিফল্ট ভাবে এটি ওয়ার্ড প্রসেসরে তৈরী ফাইলসমূহ .odt ফরম্যাটে সংরক্ষন করে। তবে odt ছাড়াও এটি দিয়ে doc ফরম্যাটের ফাইল তৈরী করা যায়। .odt আন্তর্জাতিক মুক্ত ডকুমেন্ট ফাইল ফরম্যাট হলেও এই ধরনের ফাইল সরাসরি মাইক্রোসফট অফিসে খোলা যায় না। তবে অন্য ফাইল খুলতে না পারা মাইক্রোসফট অফিসের নতুন কিছু নয়। যেমন docx ফাইল মাইক্রোসফটের তৈরী করা হলেও এটি ২০০৭ এর আগের কোন সংস্করণে পড়া যায় না।

মুক্ত ফরম্যাটের ডকুমেন্ট সমূহ মাইক্রোসফট অফিসের মাধ্যমে খোলার জন্য সান একটি প্লাগইন তৈরী বিস্তারিত পড়ুন

অফিস ২০০৭-এর ফাইল খুলুন আগের অফিসে

মাইক্রোসফটের অফিস ২০০৭এ বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ছাড়াও এটি দিয়ে তৈরি করা ফাইলের ধরন কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। যেমন, ডকুমেন্ট ফাইলের ক্ষেত্রে এটি আগের *.doc ফাইলের পরিবর্তে *.docx এক্সটেনশনের ফাইল তৈরি করে থাকে। তবে এ ধরনের ফাইলগুলো মাইক্রোসফট অফিসের আগের সংস্করণে খোলা যায় না। এই ফরম্যাটের ফাইল খোলার বেশ কিছু বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে। এর ফলে অফিস ২০০৭ সংস্করণের সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা না থাকলেও ওই সব ফাইল খোলা যাবে এবং প্রয়োজনে সম্পাদনার কাজটিও করে নেওয়া যাবে।
এ ফাইলগুলো খুলতে অফিস ২০০৩, অফিস এক্সপির মতো অফিস ২০০৭এর আগের সংস্করণগুলোয় .docx ফরম্যাটের ফাইল খোলার জন্য মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মাইক্রোসফট কমপিটিবিলিটি প্যাক নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। www.microsoft.com/downloads/ details.aspx?FamilyId=941B3470-3AE9-4AEE-8F43-C6BB74CD1466&displaylang=en ঠিকানার ওয়েবসাইট বিস্তারিত পড়ুন

পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ভিডিও ফাইলে রুপান্তর করা

leawo-main

পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন যে ফরম্যাটে সংরক্ষন করা হয় তা সহজেই সম্পাদনা করা যায় এবং চালানোর জন্য সবসময়ই দরকার হয় বড় আকারের অফিস স্যুট প্রোগ্রামগুলি। আবার যদি পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে তৈরী করা কোন প্রেজেন্টেশন টিভি বা মোবাইলের মাধ্যমে দেখানো প্রয়োজন সেক্ষেত্রে এটিকে নির্দিষ্ট ভিডিও ফরম্যাট পরিবর্তন করতে হবে ।

স্ক্রীন ক্যাপচার করার যেকোন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এই রুপান্তরের কাজটি করা যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে সমস্যা হল সম্পূর্ণ প্রেজেন্টেশনের প্রতিটি স্লাইড নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করে পরিবর্তন করতে হবে । শেষ হয়ে গেলে বন্ধ করে এটি সম্পদানা করতে হবে । এই বিশাল কাজটি না করেও পাওয়ার পয়েন্টে তৈরী করা স্লাইড থেকে সরাসরি ভিডিও ফাইল তৈরী করা যায়।  শুধুমাত্র কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ফরম্যাট ছাড়াও ডিভিডি, আইপড বা মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী বিভিন্ন ভিডিও ফরম্যাটে সরাসরি রুপান্তর

বিস্তারিত পড়ুন