উবুন্টুতে বাংলা লেখার বিভিন্ন পদ্ধতি

উবুন্টুতে বাংলা লেখার কীবোর্ড লেআউট ইনস্টলের সময়ই দেয়া থাকে। সাধারণ পদ্ধতিতে লেআট যুক্ত করা ছাড়াও সম্প্রতি IBus নামে কীবোর্ড লেআউট যুক্ত করার নতুন একটি পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। বাংলা কীবোর্ড লেআউট যুক্ত করার পদ্ধতি এবং লেআউট পরিবর্তন করার জন্য সর্টকাট কী চালু করার পদ্ধতি নিচে দেখানো হল।

সাধারণ পদ্ধতি

লেআউট পরিবর্তনের সর্টকাট তৈরী

IBus ইনপুট পদ্ধতি ব্যবহার

সাধারণ পদ্ধতি

উবুন্টুতে বাংলায় লিখতে চাইলে প্রথমে বাংলা কী-বোর্ড অ্যাড করে নিতে হবে।প্যানেল থেকে System >> Preferences >> Keyboard এ ক্লিক করুন। যে Keyboard Preferences উইন্ডো আসবে তার Layouts ট্যাব-এ ক্লিক করলে নিচের উইন্ডোটি দেখা যাবে। বিস্তারিত পড়ুন

বাংলা উইকিপিডিয়া সাহায্য

বাংলা উইকিপিডিয়া বাংলা ভাষার সবথেকে বড় বিশ্বকোষকিছু দিন আগে এই বিশ্বকোষের নিবন্ধ সংখ্যা ২০০০০ এর সীমানা অতিক্রম করেছেবাংলা উইকিপিডিয়ার ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছেনতুন অনেকেই জানতে আগ্রহী কিভাবে এই বিশাল কাজটির সাথে যুক্ত থাকা যায়আগ্রহীদের সংখ্যা বাড়ছে এটি বুঝতে পারা যায় বিভিন্ন ব্লগ বা ফোরাম সাইটে উইকিপিডিয়া সংক্রান্ত প্রশ্ন দেখে এবং উইকিপিডিয়াতে নতুন ব্যবহারকারী নিবন্ধনের সংখ্যা দেখে। একেবারে নতুনদের উইকিপিডিয়ায় কাজ শুরু করতে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়এমন কিছু সমস্যার সমাধান বিস্তারিত পড়ুন

বাগেরহাট হবে ডিজিটাল: জ্ঞান উৎসব ২০০৯

bagerhat hobe digital

আগামী ২৩ অক্টোবর বাগেরহাট শহরে হতে যাচ্ছে নতুন ধরনে এক উৎসব । নাম বাগেরহাট হবে ডিজিটাল : জ্ঞান উৎসব ২০০৯

ডিজিটাল কথাটা শুনলেই মানুষ বেশ উৎসাহী হয়ে উঠছে।  ডিজিটাল বাংলাদেশ কেমন হবে এটি সম্পর্কে প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা মতামত আছে।  নতুন সরকার আসার পর হটাৎ করেই সবই এখন ডিজিটাল হতে চাইছে। থাকাখাওয়া চলাফেরা সব কিছই তারা এখন ডিজিটাল করার চেষ্টা করে।

এর মাঝে সরকারও বলে দিয়েছে যেভাবেই হোক ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা করে ফেলা হবে।  ডিজিটাল কথাটার সাথে তথ্য প্রযুক্তি ও জ্ঞানবিজ্ঞানের কিছুটা যোগাযোগ আছে । দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকেই  তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের জ্ঞান ছড়িয়ে দেবার পদ্ধতিটি বেশ কার্যকরী। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ছাড়া দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়।  শহর ও গ্রাম, দেশের সকল অংশের মানুষের সহযোগীতায় এই কাজটি করার লক্ষে উদ্দেশ্য এই জ্ঞান উৎসব

তবে বাংলাদেশের এতগুলি জেলা বাদ দিয়ে বাগেরহাট থেকে এই  উৎসবের সূচনা করা হচ্ছে কেন ? কারণ হল বাগেরহাটে রামপাল উপজেলায় এধরনের একটি উৎসব বেশ কয়েকবছর ধরে করা হচ্ছে। বাৎসরিক সেই উৎসবের নাম হল জ্ঞান মেলা।  জ্ঞানবিজ্ঞানে বিভিন্ন বিষয় এবং তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক সেখানে তুলে ধরা হত। গ্রামবাসীর একটি আড্ডা দেবার যায়গা আছে যার নাম জ্ঞান কেন্দ্র।  দাবা খেলা তাদের অবসর বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম এবং গ্রামের পুকুরের পাড়ে তারা স্থায়ীভাবে বেশকিছু দাবার কোট তৈরী করে নিয়েছে। নিয়মিত সেখানে গণিত ও অন্যান্য বিষয়ে প্রতিযোগিতা হয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে। গ্রামে বেশ কয়েকটি কম্পিউটার প্রশিক্ষন সেন্টারও রয়েছে।

একটি গ্রামের উৎসবকে সম্পূর্ণ দেশে ছড়িয়ে দেবার জন্য এই জ্ঞান উৎসবএর মূল উদ্যক্তা হলেন আমাদের গ্রাম প্রকল্পের রেজা সেলিম এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স  নেটওয়ার্কের মুনির হাসান । গত একমাস ধরে অনুষ্ঠানটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের সাথে একদল স্বেচ্ছাসেবক নিয়মিত কজ করে যাচ্ছেন।  দুই দিনের এই উৎসবে প্রায়  ২০টির মত আলাদা আলাদা অংশ করেছে।

জ্ঞান উৎসবের উপলক্ষে একটি ওয়েবসাইট তৈরীর কাজ চলছে তবে এখনও কাজ শেষ হয় নাই । আপাতপ সাইটটি দেখতে পাবেন এখানে bdosn.org/bagerhat

উৎসবের সম্ভাব্য কর্মসূচি:

প্রথম দিন

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা : স্বাধীনতা চত্ত্বর থেকে শিল্পকলা একাডেমি
তথ্য মেলা প্রদর্শনী
উদ্ভাবনী মেলা
সুন্দরবনকে ভোট দেওয়ার বুথ
সেমিনার : ডিজিটাল বাগেরহাট : করনীয় নির্ধারণ
উইকিপিডিয়ার জন্য ছবি প্রতিযোগিতা
সাংস্কৃতিক অনুষ্টান
টেলিস্কোপে আকাশ দেখা ও আকাশ চেনা প্রতিযোগিতা
ক্যাবল নেটওয়ার্কে তথ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদশর্নী
গণিত অলিম্পয়াড
উত্তর পত্র মূল্যায়ন
সংখ্যা বিষয়ক কর্মশালা শিক্ষার্থীদের জন্য
গণিত শিক্ষকদের জন্য কর্মশালা

দ্বিতীয় দিন
উইকিপিডিয়াতে বাগেরহাটের তথ্য হালনাগাদ করা
সেমিনার : অপরাধ দমনে তথ্য প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটারে উপস্থাপনা প্রতিযোগিতা
মুক্ত আলোচনা : ডিজিটাল বাগেরহাট – কীভাবে এগোবো
পুরস্কার বিতরণী

চলে আসতে পারেন উৎসবে ।  আশা করা যায় অনুষ্ঠানটির সবকিছু ঠিকতম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

বাগেরহাট

bagerhat

বাগেরহাট বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিম অংশের একটি জেলা । এটি খুলনা বিভাগের অন্তর্গত।
বাগেরহাট জেলার আয়তন ৩৯৫৯।১১ বর্গ কিলোমিটার। জেলার উত্তর পাশে রয়েছে গোপালগঞ্জ এবং নড়াইল জেলা এবং দক্ষিনের সম্পূর্ন অংশে রয়েছে বঙ্গপসাগর । এছাড়া পূর্বের জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, বরগুনা এবং খুলনা জেলা রয়েছে বাগেরহাটের পশ্চিম পাশে। বাগেরহেটের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলির মধ্যে রয়েছে পাংগুচি, দারাতানা, মধুমতি, পশুর, মংলা, বালেশ্বর, বাংলা, গোষেরখালি ইত্যাদি।

বাগেরহাটকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৯টি উপজেলা, ৭৭টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১০৩১ টি গ্রাম , ৬৮৭টি মৌজা এবং ৩টি মিউনিসিপালিটি ২৭টি ওয়ার্ড এবং ৫৬টি মহল্লাতে। উপজেলাগুলির নাম হল : * বাগেরহাট সদর * কচুয়া * চিতলমারী * ফকিরহাট * মংলা * মোরেলগঞ্জ * মোল্লাহাট * রামপাল * শরণখোলা

জাতিসংঘের ঘোষনা অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৩টা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে (তথ্যসূত্র)। যার মধ্যে ২টিই রয়েছে বাগেরহাট জেলাতে । প্রথমটা মসজিদের শহর বাগেরহাট (তথ্যসূত্র, ছবি) এবং দ্বিতীয়টা সুন্দরবন (তথ্যসূত্র, ছবি)। বাগেরহাট শহরকে ১৯৮৫ সালে এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৭ সালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষনা করা হয়। বাংলা উইকিপিডিয়া (bn.wikipedia.org) এবং ইংরেজি উইকিপিডিয়া(en.wikipedia.org) বাগেরহাট সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে । এছাড়া অন্যন্য অনেক ভাষার উইকিপিডিয়ায় বাগেরহাট সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।
Encyclopedia Britanica
বিশ্বকোষে বাগেরহাটের উপর নিবন্ধ থাকলেও তথ্য রয়েছে খুবই সামান্য পরিমানে(তথ্যসূত্র)। তবে মাইক্রোসফেটের তৈরী করা বিশ্বকোষ msn Encarta(encarta.msn.com) –এ বাগেরহাটের উপর কোন নিবন্ধ নাই । এমনকি বাংলাপিডিয়ার সাইটেও(www.banglapedia.org) বাগেরহাটের নিবন্ধ পাতাটি খালি রয়েছে।

বাগেরহাট শহরকে “মসজিদের শহর” বলা হয়। শহরটি বাগেরহাট জেলার দক্ষিন পশ্চিম অংশে অবস্থিত। ১৫ শতকের শুরুর দিকে তুর্কী সেনাপতি খান জাহান আলী এই শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন । ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই শহরটি “খলিফাতাবাদ” নামে পরিচিত ছিল। পুরো শহরজুরে রয়েছে ইসলামিক মসজিদ ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন নিদর্শন।

৫০টিও বেশী স্থাপনা চিহ্নিত করে ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে বাগেরহাট শহরকে বিশ্ব এতিহ্যের অংশ হিসাবে ঘোষনা করে। এই স্থাপনাগুলির মধ্যে রয়েছে ষাট গম্বুজ মসজিদ ,সিংড়ো মসজিদ ,বিবি বেগনীর মসজিদ , চুনখোলা মসজিদ, খান জাহান এর মাজার ইত্যাদি। মধ্যযুগে এদেশে মুসলিম শাষনের স্বাক্ষর বহন করে এই শহরটি।

বাগেরহাটের কিছু দর্শনীয় স্থানের নাম হল
*
বাগেরহাট শহর
*
ষাট গম্বুজ মসজিদ
*
সোনা মসজিদ
*
খান জাহানআলীর মাজার
*
খান জাহান আলীর দীঘি(খাঞ্জেলি দীঘি)
*
ঘোড়া দীঘি
*
অযোধ্যা মঠ
*
দূর্গাপূর শীবের মঠ
*
মংলা বন্দর
*
সুন্দরবন
*
রুপসা ব্রীজ