মুক্ত সফটওয়্যার ঘিরে পেশা

মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিংএর জগৎটি এমন যে এখানে যুক্ত থেকে কাজ করার জন্য সবসময়ই পেশাদার প্রোগ্রামার হওয়ার প্রয়োজন হয় না। মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিং এর কাঠামোটি এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন সৃজনশীল যে কেউই তার চিন্তাটি বিকশিত করতে পারে।
মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিংভাষাগুলো এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন প্রোগ্রামিং-এ খুব গভীর দক্ষতা ছাড়াই কাজ সম্পৃক্ত হওয়া যায়। উদাহারন হিসাবে পাইথন প্রোগামিং ভাষার কথা বলা যেতে পারে। পাইথন ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরী করা জন্য প্রোগ্রামিং দক্ষতার থেকে সৃজনশীলতার বেশি প্রয়োজন হয়ে থাকে।

মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে সাধারণত বহু সংখ্যক মানুষ সম্পৃক্ত থাকেন।এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই প্রকল্পগুলো সমন্বয় করা হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ডেভলপাররা এই সকল প্রকল্পে যুক্ত হয়ে থাকেন। এখানে অন্যান্য ডেভলপারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায় এবং একই সাথে দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অন্যান্যদের সহযোগীতা নেয়া যায়। এই সকল প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা পরবর্তীতে পেশাদারি জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম, ওরাকল ইত্যাদি নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে ওপেন সোর্স প্রকল্পে সম্পৃক্ততারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে থাকে। এবং এই প্রতিষ্ঠানসমূহ একাধিক মুক্ত সোর্স প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আছে। এবং একই সাথে মুক্ত সোর্স প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ডেভলপারদের প্রতি বছরই এইসকল প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

কিছুদিন আগ পর্যন্তও মুক্ত সোর্স প্রকল্প বলতে কেবলমাত্র লিনাক্স বা জাভার কথা মনে হত, কিন্তু বর্তমানে এই ধারণাটি অনেকাংশেই বদলেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে একাধিক নতুন অ্যাপলিকেশন এবং বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প। বর্তমান সময়ে ওয়েব ডেভলপমেন্ট অন্যতম জনপ্রিয় একটি পেশা। আর এই ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা এবং দ্রুপালের মত কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এর ফলেই প্রয়োজন হচ্ছে এই ক্ষেত্রে দক্ষ ডেভলপারদের। জনপ্রিয় সিএমএসগুলোর প্রায় সবকয়টি মুক্ত সোর্স। এই সিএমএসগুলোর এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন প্রাথমিক কাজটি যে কোনো ব্যবহারকারীই করতে পারে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানের ওয়েবসাইট খুব অল্প সময়ে তৈরী করা সম্ভব হয়। তবে বিশেষ কোনো বৈশিষ্ঠ সংযোজনের জন্য প্রয়োজন হবে দক্ষ ডেভলপারের। এর পাশাপাশি বর্তমানে মুক্তসোর্স ডাটাবেজ, মোবাইল, ইকমার্স, ওয়েব সার্ভারের মত ক্ষেত্রগুলোতেও দক্ষ লোকের চাহিদা বাড়ছে। মুক্ত সোর্স এই প্রকল্পগুলো সম্পর্কে ভালো দক্ষতা থাকলে খুব সহজেই এই কাজগুলো করতে পারা যাবে।

যেভাবে শুরু করতে হবে?
বর্তমানে সময়ে মুক্ত সোর্সের ক্ষেত্রটি এতটাই বিশাল যে সফলতা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট করে একটি পথ বলে দেয়া সম্ভব নয়। তবে সফলতা পাওয়ার পূর্বশর্ত হল আগে কাজে নামতে হবে। আর এই বিষয়টি কখনোই নির্দিষ্ট নয় যে মুক্ত সোর্স নিয়ে কাজ করলে মালিকানাধিন বা প্রোপাইটরী কোনো প্রকল্পে কাজ করা যাবে না। বরং দুটি প্রকল্পই সমান ভাবে অংশগ্রহনের সুযোগ আছে। তবে মুক্ত সোর্স প্রকল্পে যুক্ত হলে কি কি সুবিধা হতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা দেয়া যেতে পারে। মুক্ত সোর্স প্রকল্প কাজ করলে নতুন কিছু শেখার সুযোগ থাকে। অধিকাংশ বড় প্রকল্পেই বিশ্বমানের প্রোগ্রামাররা যুক্ত থাকেন, এই সকল প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সাহচার্যে কাজ করার সুয়োগ পাওয়া যায়, যা সহজে অন্য কোনো পথে পাওয়া সম্ভব না। এই সকল প্রকল্পে যুক্ত থেকে যে কাজগুলো করা হবে তার প্রতিটিই সিভিতে যোগ করা যাবে। এবং এটি নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে এই মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে সম্পৃক্ত থাকে এবং এই অভিজ্ঞতা ভালো চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ামক হিসাবে কাজ করবে।

কেমন প্রস্তুতি প্রয়োজন
প্রোগ্রামিং এর প্রথমিক ধারনা অর্জন করার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানে লেখাপড়া করা বাধ্যতামূলক না। তবে এটি ঠিক যে কম্পিউটার বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের প্রথমদিকে কিছুটা সুবিধা হতে পারে, কিন্তু ভালো মানের অন্যান্য যে কোনো প্রশিক্ষন কেন্দ্রথেকেই এই বিষয়গুলো শিখে নেয়া যায়। এরপর কাজে নামতে হবে, প্রয়োগ করতে হবে মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে এবং এই সময়টাতে শেখার কাজটি করতে হবে নিজেকেই। মুক্ত সোর্স প্রকল্পের ক্ষেত্রে অবদানই সব থেকে বড় পরিচয়। প্রকল্পগুলোতে ভালো ভাবে কাজ করার মাধ্যমে সুনাম বাড়বে এবং এটিই দক্ষতার একটি বড় পরিচয় হয়ে থাকবে। বিশেষ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিলেই যে সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে এমনটি নয়।

মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোর ঠিকানা
সোর্সফোর্জ (www.sourceforge.net): তিন লক্ষেরও অধিক মুক্ত সোর্স প্রকল্প এখানে হোস্ট করা আছে। প্রোগ্রামারদের অন্যতম পছন্দের স্থান।
গুগল কোড(www.code.google.com): মুক্তসোর্স প্রকল্পগুলোকে সহায়তা করার লক্ষে গুগলের একটি প্রচেষ্টা। গুগল নিজেদের মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলো এখানে হোস্ট করার পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহাকারীদেরও এখানে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
কোডপ্লেক্স(www.codeplex.com): ওপেন সোর্স কমিউনিটির আরও একটি জনপ্রিয় স্থান। এটি মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে এটি তত্ত্বাবধায়ন করা হয়ে থাকে। নিজে শুরু করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কয়েক হাজার প্রকল্পের যেকোনোটিতেই সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে এখানে।

এগুলো ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড, মোজিলা, অ্যাপাচি, ফেডোরার মত বানিজ্যিক প্রকল্পসমূহে যুক্ত থেকে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

source:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-09-16/news/185948

মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা-টুলসের নতুন সংস্করণ

মাইক্রোসফট তাদের নিরাপত্তা টুল এনহেনসড মিটিগেশন এক্সপিরিয়েন্স টুলকিটের (ইএমইটি) এর নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই টুলটিতে প্যাঁচ (বিশেষ প্রোগ্রাম) ব্যবহূত হচ্ছে না—এমন মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি এবং বাণিজ্যিক প্রোগ্রাম ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংঘটিত যেকোনো ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারবে। মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে এই সফটওয়্যারটি নামিয়ে (ডাউনলোড) ব্যবহার করা যাবে।


মাইক্রোসফটের নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা ল্যাবের প্রকৌশলী অ্যান্ডরু বলেন, এই ইএমইটি যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে। এটি মূলত এমন ধরনের কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা, যেখানে ব্যবহূত প্রোগ্রামগুলো অধিক নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন। বাণিজ্যিক ওয়েব প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ব্যবহূত ওয়েব সার্ভার, বিভিন্ন বিস্তারিত পড়ুন

মুক্ত সোর্সে কাজ শুরু করেছে মাইক্রোসফট

মুক্ত সোর্স প্রযুক্তির বিষয়ে সফটওয়্যার তৈরি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট সব সময়ই বিরূপ মনোভাব পোষণ করে আসছে। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী স্টিভ ব্যালমার লিনাক্সকে ক্যানসার রোগের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের মেধাসত্ত্বের প্রতি হুমকিস্বরূপ।

অপর দিকে ২০০৭ সালে মাইক্রোসফট লিনাক্সসহ অন্যান্য বেশ কিছু মুক্ত সফটওয়্যার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের ২০০টি পেটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহারের অপরাধে অভিযুক্ত করেছেন। তবে সম্প্রতি মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপক জেন পাওলি মাইক্রোসফট এবং মুক্ত সোর্স এই দুই কমিউনিটির মধ্যে যোগাযোগ তৈরির বিষয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি মুক্ত সোর্স বিষয়ে মাইক্রোসফটের অতীতের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, সে সময় অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের অবস্থান সঠিক ছিল না । সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ওপেন সোর্স পছন্দ করি, এখন থেকে আমার ওপেন সোর্সের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

সাধারণভাবে মাইক্রোসফট ওপেন সোর্সের কার্যক্রম সম্পর্কে সন্দিহান থাকায় লিনাক্সকে তারা অবিশ্বাস করত। তবে এটি বেশ অনেক দিন আগের কথা। এখন এ বিষয়ে আমাদের মনোভাব পরিবর্তন হয়েছে এবং আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পেরেছি। মাইক্রোসফট এখন মুক্ত স্ট্যান্ডার্ডের ওপর আস্থা এনেছে এবং ওপেন সোর্সের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।’ সম্প্রতি মাইক্রোসফট একটি মুক্ত ডাটা প্রটোকল তৈরি করার কাজ করছে।

বিভিন্ন প্রোগ্রামের মধ্যে তথ্যসমন্বয় এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে ক্লাউড-ভিত্তিক সফটওয়্যার এবং সেবাপ্রদানের জন্যই মূলত এই প্রটোকল তৈরি করা হচ্ছে। অন্যান্য ওপেন সোর্স কমিউনিটির ডেভলপাররা যেন এই উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হতে পারে, সেই লক্ষ্যে এটির পিএইচপি এবং জাভা-ভিত্তিক ডেভলপমেন্ট কিট প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণভাবে মাইক্রোসফট এ ধরনের ডেভলপমেন্ট কিটগুলো তাদের মালিকানাধীন ডট নেট প্লাটফর্মের উপযোগী করে তৈরি করে থাকে।

সূত্র: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-08-30/news/90414

অফিস ২০০৭-এর ফাইল খুলুন আগের অফিসে

মাইক্রোসফটের অফিস ২০০৭এ বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ছাড়াও এটি দিয়ে তৈরি করা ফাইলের ধরন কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। যেমন, ডকুমেন্ট ফাইলের ক্ষেত্রে এটি আগের *.doc ফাইলের পরিবর্তে *.docx এক্সটেনশনের ফাইল তৈরি করে থাকে। তবে এ ধরনের ফাইলগুলো মাইক্রোসফট অফিসের আগের সংস্করণে খোলা যায় না। এই ফরম্যাটের ফাইল খোলার বেশ কিছু বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে। এর ফলে অফিস ২০০৭ সংস্করণের সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা না থাকলেও ওই সব ফাইল খোলা যাবে এবং প্রয়োজনে সম্পাদনার কাজটিও করে নেওয়া যাবে।
এ ফাইলগুলো খুলতে অফিস ২০০৩, অফিস এক্সপির মতো অফিস ২০০৭এর আগের সংস্করণগুলোয় .docx ফরম্যাটের ফাইল খোলার জন্য মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মাইক্রোসফট কমপিটিবিলিটি প্যাক নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। www.microsoft.com/downloads/ details.aspx?FamilyId=941B3470-3AE9-4AEE-8F43-C6BB74CD1466&displaylang=en ঠিকানার ওয়েবসাইট বিস্তারিত পড়ুন

DOS গেম ডাউনলোড করুন বিনামূল্যে এবং বৈধভাবে

প্রথমদিকের অধিকাংশ গেমই Microsoft DOS অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী করে তৈরী করা । অনেক আগে তৈরী করা হলেও এই গেমগুলি এখনও বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। জনপ্রিয় প্রায় সবগুলি ডজগেমই ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এবং বৈধভাবে ডাউনলোড করা যায়। এমন বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে গেম ডাউনলোড করা যায় তবে ঐ সকল ওয়েবসাইটে পাওয়া না গেলে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে খুজে দেখতে পারেন । গাম পাওয়া যাবে এমন কিছু ওয়েব সাইটের বর্ননা করা হল :

. DOS Games(www.dosgames.com/gameindex.php) – জনপ্রিয় ৫০০ এরও বেশী গেম পাওয় যাবে এখানে । যেকোন এমুলেরের মাধ্যমে খেলা যাবে এগুলি। এবং এই সাইটি নিয়মিত আপডেট করা হয় তাই দিন দিন এখানে গেম এর সংখ্যা বাড়ছে।

. DOS Games Archive(www.dosgamesarchive.com) – বিপুল সংখ্যক গেম পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে। সাইটটির বিশেষ দিক হল প্রতিটি গেম এর স্ক্রীনশট দেখা যাবে এখানে। সেই সাথে ব্যবহারকারী রেটিং , চিটকোড সহ গেম খেলার আরও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় টিপস পাওয়া যাবে। এখানে কোন গেম DOSBox এমুলেটরের মাধ্যমে চালানো যাবে কিনা সেটি পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে।

. D-Fend Game Packages (dfendreloaded.sourceforge.net/Download.html#GamesPackages ) – DOSBox সাথে আপনি যদি D-Fend ফ্রন্টেন্ডটি ব্যবহার করে থাকেন তবে এই প্যাকেজগুলি ব্যবহার করে ক্যাটেগরী অনুযায়ী বহু সংখ্যক গেম একই সাথে ইনস্টল করা যাবে। এই প্যাকেজগুলি মূলত উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে।

. Classic DOS Games(www.classicdosgames.com) – এই সাইটেও ক্যাটেগরী অনুযায়ী গেমগুলি রাখা হয়েছে। গেমের ধরণ, প্রকাশের তারিখ, প্রকাশক প্রতিষ্ঠানের নাম অনুযায়ী গেম খোজা যাবে। এখানে সবগুলি গেমই বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।

. Abandonia (www.abandonia.com/en/game/all ) – নতুন করে বিক্রি বা আপডেট করা হয় না এমন গেম পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে।

. Home of the Underdogs (hotud.org ) – প্রায় ৫৫০০ গেম এর রিভিউ পাওয়া যাবে এখানে। সেই সাথে রয়েছে ডাউনলোড করার অপশন। সাইটে একটি ফোরাম ও রেয়েছে ফলে যেকোন প্রয়োজনে আলোচনা করতে পারবেন সেখানে।


এছাড়া ইংরেজী উইকিপিডিয়াতে (en.wikipedia.org/wiki/Category:DOS_games) এধরনের গেমগুলির বিশাল এক তালিকা রয়েছে।

উইন্ডোজ ৭


বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে গত ২২ অক্টোবর,২০০৯ তারিখে। উইন্ডোজ ৭ নামের নতুন এই সংস্করণটি ব্যবহার করা যাবে ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, নেটবুক, ট্যাবলেট পিসি এবং মিডিয়া সেন্টারের মত সকল পারসোনাল কম্পিউটারে। সরাসরি বলা না হলেও উইন্ডোজ ভিস্তার একটি উন্নত সংস্করণ হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন এই সংস্করনটিতে বেশ কিছু বৈশিষ্ট সংযোজন করা হয়েছে আবার পুরাতন অনেক বৈশিষ্টই এখানে খুজে পাওয়া যাবে না।

যেকোন কম্পিউটার প্রোগ্রামের জন্যই সঠিকভাবে চালু ও বন্ধ করা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এবং এই সময়ই সফটওয়্যারটি সম্পর্কে প্রথম ধারনা পাওয়া যায় । সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই উইন্ডোজ বুট অপশনে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন বৈশিষ্টগুলির মধ্যে আরও রয়েছে একাধিক টাচ অপশন, উন্নত হার্ডওয়্যার রিকগনিশন, গ্রাফিক্স সমর্থন করা। উইন্ডোজ রিকভারী , ট্রাবলশ্যুটিং , ওয়ার্কস্পেস ও ব্যবহারকারী পরিচালনা করার ক্ষেত্রে নতুন কিছু অপশন দেয়া হয়েছে। সেই সাথে উইণ্ডোজ সিকিউরিটি সেন্টারকে করা হয়েছে আগের তুলনায় অনেক বেশী কার্যকর। উইন্ডোজ ৭ এর টাক্সবারের বাটন, কুইক লঞ্চ, ও জাম্প লিস্ট ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কাজগুলি আরও সহজভাবে করা যঅবে এখানে । তবে নতুন অনেক বৈশিষ্ট যোগ করা হলেও আগের অনেক অপশনই রাখা হয় নাই এখানে। বাদ পড়ার তালিকায় রয়েছেউইন্ডোজ ক্যালেন্ডার, উইন্ডোজ মেইল, উইন্ডোজ মুভি মেকার, উইন্ডোজ ফটো গ্যালারী ইত্যাদি । এর কোন কোনটি উইন্ডোজ লাইভ এসেনশিয়ালএর সাথে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে আবার কোন কোন সুবিধা পেতে হলে ব্যবাহরকরীকে করতে হবে অতিরিক্ত বিস্তারিত পড়ুন

মাইক্রোসফটের নতুন ফ্রী এন্টিভাইরাস

গতকাল মাইক্রোসফট তাদের নতুন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সকলের ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করেছে। Microsoft Security Essentials নামের এই প্রোগ্রামটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভিত্তিক কম্পিউটারগুলিকে ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, ট্রোজান এর মত ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করবে। ভাইরাস ডাটাবেজ নিয়মিত আপডেট করার মাধ্যমে এটি জনপ্রিয় অন্যান্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মত উচ্চমানের নিরাপত্তা দিতে পারবে বলে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে । মাইক্রোসফটের নিয়মিত নিরাপত্তা আপডেট প্যাকেজ ছাড়াও এটি নিজে থেকেই অন্যান্য নিরাপত্তা প্যাচ এর মাধ্যমে ডাটাবেজ আপডেট করতে পারবে। ইনস্টল করার পরই সংস্ক্রিয় আপডেট করার পদ্ধতিটি চালু হয়ে যাবে ফলে প্রতিবার ডাউনলোডের আগে আপনাকে কোন ধরনের বিরক্ত করবে না এটি।


মাইক্রোসফট নিজের উদ্যেগেই তাদের ব্যবহারকরীদের জন্য বিনামূল্যে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহারের সুবিধা করে দিচ্ছে। বর্তমানে এটি মোট ৮টি ভাষায় ১৯টি দেশের গ্রাহকরা ব্যবহারের সুবিধা পাবে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে http://www.microsoft.com/security_essentials ওয়েবসাইট থেকে।


বানিজ্যিকভাবে পরিচালিত মাইক্রোসফটের Live One Care এর বিকল্প হিসাবে ব্যবহার উপযোগী এটি। এবং অনেক ক্ষেত্রেই এটি বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে নতুন এই এন্টিভাইরাস থেকে। ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে সহজেই ব্যবহার করা যাবে এটি। সেই সাথে এটির ব্যবহার পদ্ধতিও করা অনেক সহজ । ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে কেবলমাত্র মাইক্রোসফট উইন্ডোজের বৈধ ব্যবহারকারীরাই এটি বিনামূল্য ব্যবহার করতে পারবে।