ভাইরাস ঠেকানোর সফটওয়্যার

দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে। শিক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস ব্যবস্থাপনার মতো সব কাজেরই একটি অবিচ্ছিন্ন অংশ কম্পিউটার। এর বাইরেও ঘরোয়া ব্যবহারকারীর সংখ্যাটা অনেক বেশি। কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার। আছেইন্টারনেটের ব্যবহার।কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এতে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস বা ওয়ার্মের আক্রমণও বেড়ে গেছে।এই ভাইরাসের আক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের ব্যবহার প্রতিটি কম্পিউটারেই অনিবার্য। এমনিতে আমাদের দেশে সফটওয়্যার কিনে ব্যবহার করার প্রবণতা বেশ কমই দেখা যায়।কিন্তু বেশির ভাগ ব্যবহারকারীই অ্যান্টি ভাইরাস কিনছেন নিরাপদ থাকার জন্য।

অ্যান্টি ভাইরাস কম্পিউটারের একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার, যা কম্পিউটার ভাইরাস, কম্পিউটার ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার জাতীয় প্রোগ্রামগুলোর ক্ষতিকর আক্রমণকে ঠেকিয়ে দেয়।এ রকম প্রতিটি ক্ষতিকর সফটওয়্যারের জন্য আলাদা নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়। আবার এমন কিছু সফটওয়্যার রয়েছে, যেগুলো একইসঙ্গে নানা ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে কম্পিউটারকে নিরাপত্তা দেয়। নরটন, ক্যাস্পারস্কি, ইসেট, এভিরা বিট ডিফেন্ডারের মতো বিশ্বের প্রায় সব অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারই এখন বাংলাদেশে পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট পরিবেশকের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় বলে বর্তমানে সফটওয়্যারের বৈধ সংস্করণটি কিনে ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি সীমিত সুবিধার কিছু অ্যান্টি ভাইরাস রয়েছে যেগুলো ইন্টারনেট থেকে বিনা মূল্যে নামিয়ে ব্যবহার করা যায়। আবার প্রতিটি এন্টারপ্রাইজ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারই স্বল্প সময়ের জন্য বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ পান গ্রাহকেরা। তবে বিনা মূল্যের সংস্করণের সঙ্গে এন্টারপ্রাইজ সংস্করণগুলোর মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। আর প্রতিটি এন্টারপ্রাইজ অ্যান্টি-ভাইরাসেই বাড়তি কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।

অ্যান্টি ভাইরাস নিয়ে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে একটি অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, তারা সফটওয়্যারটির বৈধ কপি ব্যবহার করছে, তারপরও কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে।এ ধরনের সমস্যা এড়াতে বেশ কিছু উপায় জানালেন নরটন অ্যান্টি ভাইরাসের পরিবেশক কম্পিউটার সোর্সলিমিটেডের পরিচালক আসিফ মাহমুদ। তিনি বললেন, অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো ক্ষতিকর প্রোগ্রাম চিহ্নিত করে ভাইরাস ডেফিনেশনের ভিত্তিতে।ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনা মূল্যে এই ভাইরাস ডেফিনেশন হালনাগাদ (আপডেট) করা যায়। নরটনসহ বর্তমানে প্রায় সব অ্যান্টি ভাইরাসই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়মিত এটি হালনাগাদ করে। কিন্তু কোনো ব্যবহারকারী যদি ইন্টারনেটে যুক্ত না থাকে, অথবা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখে, তবে ডেফিনেশন তালিকা হালনাগাদ হবে না। ফলে খুব সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি করা কোনো ভাইরাস এটি চিহ্নিত নাও করতে পারে। আবার কোনো কোনো অ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেম ফাইল হিসেবে চিহ্নিত অ্যান্টি ভাইরাসগুলো মুছে ফেলার আগে ব্যবহারকারীকে জিজ্ঞাসা করে। তখন যদি এগুলো মুছে ফেলা না হয়, তবে পরে তা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে। কোনো কোনো অ্যান্টি ভাইরাস এন্টারপ্রাইজ সংস্করণের মতো নিয়মিত ডেফিনেশন তালিকা হালনাগাদ করে না, এটিও ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ।

কিছু অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো ইন্টারনেট থেকে বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়। এন্টারপ্রাইজ এবং বিনা মূল্যের অ্যান্টি ভাইরাস নিয়ে কথা বললেন ইসেটের বাজারজাতকারীপ্রতিষ্ঠান ডেমন সিস্টেমসের পরিচালক সাহেদ ইকবাল। তিনি জানান, বিনা মূল্যের সংস্করণে সীমিত আকারে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। অপরদিকে এন্টারপ্রাইজ সংস্করণ ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, ট্রোজানের মতো সব ক্ষতিকর প্রোগ্রামকে ঠেকাতে পারে।ওয়েব ব্রাউজার, ই-মেইল ক্লায়েন্ট ও মেসেঞ্জারের মতো সফটওয়্যার সব সময়ই ইন্টানেটে যুক্ত থাকছে। তাই এসব সফটওয়্যারের মাধ্যমে যেন কম্পিউটারে কোনো ক্ষতিকর প্রোগ্রাম ঢুকতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় এন্টারপ্রাইজ সংস্করণে।

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে এবং স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াচ্ছে ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে। পরিবেশকদের মতে, অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের ইন্টারনেট সিকিউরিটি এবং অনলাইন ব্যাংকিংয়ে নিরাপত্তা প্যাকেজগুলো সব ক্ষেত্রেই পাওয়া যায় এন্টারপ্রাইজ সংস্করণে।

বাংলাদেশে ক্যাস্পারস্কি অ্যান্টি-ভাইরাসের পরিবেশক অফিস এক্সট্রাক্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রবীর সরকার বলেন, মান ধরে রেখেএবং বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে যে দেশে সফলভাবে আসলসফটওয়্যারের ব্যবসা করা যায়, ক্যাস্পারস্কি তা প্রমাণ করেছে। এখন ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দুই পর্যায়েই গ্রাহকেরা আসলঅ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। তিনি জানান, অফিস এক্সট্রাক্ট বাংলাদেশ ও ভুটানে ক্যাস্পারস্কি অ্যান্টি ভাইরাস পরিবেশন করে থাকে।

পাইরেটেড ও আসলসফটওয়্যারের মানে অনেক পার্থক্য থাকে।এ ছাড়া বিক্রয়োত্তর সেবার কোনো অংশই ভোগ করতে পারে না একজন পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারকারী। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপত্তা প্যাঁচসহ অন্যান্য হালনাগাদ থেকেও বঞ্চিত হতে হয়। তুলনামূলক নতুন যাত্রা শুরু করেছে অ্যাভিরা ও বিটডিফেন্ডার অ্যান্টি ভাইরাস। এগুলোও এখন দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে পাওয়া যায় এমন প্রতিটি অ্যান্টি-ভাইরাসেরই ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী অথবা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে।নরটন, ইসেট, ক্যাস্পরস্কিসহ বিভিন্ন অ্যান্টি ভাইরাস কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য পূর্ণ নিরাপত্তা সমাধান দেয়। আবার একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য ‘গুচ্ছ’ হিসেবেও কেনার সুযোগ রয়েছে এবং সে ক্ষেত্রে কিছুটা সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে অ্যান্টি ভাইরাসগুলো। পরিবেশক, পুনর্বিক্রেতাসহ কম্পিউটারের প্রায় সব বিক্রেতার কাছেই অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার পাওয়া যায়।

বিনা মূল্যের অ্যান্টি ভাইরাস

মাইক্রোসফট উইন্ডোজে অনেক আগে থেকেই মাইক্রোসফট সিকিউরিটি অ্যাসেনশিয়াল নামে বিনা মূল্যে একটি নিরাপত্তা হালানাগাদ সংগ্রহ করা যেত। এখন মাইক্রোসফট সিকিউরিটি অ্যাসেনশিয়াল নামের অ্যান্টি ভাইরাস বিনা মূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার স্ক্যান করা নিয়মিত ডেফিনেশন ডেটাবেজ হালনাগাদ করা হয়ে থাকে। বিনা মূল্যে সংগ্রহের ঠিকানা—www.microsoft.com/en-gb/security_essentials
বিনা মূল্যের অ্যান্টি ভাইরাসগুলোর মধ্যে অ্যাভাস্ট (www.avast.com/free-antivirus-download) বেশ জনপ্রিয়। যদিও একই সঙ্গে এর এন্টারপ্রাইজ সংস্করণ রয়েছে। স্বাভাবিক নিয়মেই বিনা মূল্যের সংস্করণে কিছুটা কম সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষত, ইন্টারনেট সিকিউরিটি পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যবহার করা যাবে কেবল এন্টারপ্রাইজ সংস্করণে।

বাজারে এখন যা আছে
নরটন: নরটনের সর্বশেষ সংস্করণ নরটন অ্যান্টি ভাইরাস ২০১২ ও নরটন অ্যান্টি ভাইরাস ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১২। ব্যক্তিগতভাবে এক, তিন বা পাঁচজনের জন্য কেনা যাবে এই সফটওয়্যার। এ ছাড়া করপোরেট ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা প্যাকেজ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ভাইরাস কম্পিউটারের বুট সেক্টরের ক্ষতি করে থাকে। তাই নরটন অ্যান্টি-ভাইরাসের ইনস্টলার সিডিগুলো কম্পিউটার চালু করার (বুটেবল) উপযোগী করে তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ বুট সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই সিডি দিয়ে কম্পিউটার চালু করা হলে সেটি কম্পিউটার চালুর আগে বুট সেক্টরের ভাইরাসগুলো অপসারণ করতে পারবে। ইন্টারনেটে নিরাপত্তা দিতে আছে নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটি। সাধারণ ভাইরাস অপসারণের পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে এই সংস্করণ। ওয়েবসাইট খোলা, ই-মেইল আদান-প্রদান, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এমনকি মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসগুলো ঠেকাতে পারে এটি।পাশাপাশি স্মার্টফোনগুলোর জন্য নরটনের রয়েছে আলাদা সংস্করণ।

ক্যাস্পারস্কি: গত মাসে ক্যাস্পারস্কি বাজারে এনেছে সর্বশেষ সংস্করণ ক্যাস্পারস্কি ২০১২। ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল যন্ত্রগুলোর জন্য পাওয়া যাচ্ছে এই অ্যান্টি ভাইরাস। ইন্টারনেটে যুক্ত থাকলে ক্যাস্পারস্কি অ্যান্টি ভাইরাস প্রতি এক ঘণ্টা পর পর ভাইরাস ডেফিনেশন ডেটাবেজ হালনাগাদ করে থাকে। ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের বিশেষ নিরাপত্তা-সুবিধা পাওয়া যায় ক্যাস্পারস্কিতে।

ইসেট: ইসেট পরিচিত ইসেট নোড৩২ এবং ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি অ্যান্টি ভাইরাসের জন্য। ভাইরাস চিহ্নিত করার জন্য এর প্রোগ্রাম এমনভাবে লেখা হয়েছে, যে কারণেক্ষতিকর প্রোগ্রামগুলো এর নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে পারে না। ব্যক্তিগত ও করপোরেট ব্যবহারকারীদের জন্য ইসেট আলাদা প্যাকেজে বাজারজাত করা হচ্ছে।বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের ধরন এবং প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে ই-সেট করপোরেট প্যাকেজ। প্রতিটি প্যাকেজেই ভাইরাস ডেফিনেশন বিনা মূল্যে হালনাগাদ করা হয়ে থাকে।

প্রতিটি অ্যান্টি-ভাইরাসের সঙ্গেই বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়া হয়। কেনার আগে চাইলে বিনা মূল্যে পরীক্ষামূলক সংস্করণ ব্যবহার করাও যায়। প্রায়প্রতিটি অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারে এক বছর মেয়াদের লাইসেন্স দেওয়া হয়ে থাকে।

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-28/news/197218

ডাটা মাইনিং কি

ডেটা মাইনিং কম্পিউটার বিজ্ঞানে অপেক্ষাকৃত একটি নতুন সংযোজন। পরিসংখ্যান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত থেকে নতুন প্যাটার্ন আবিষ্কারের কাজটি করা হয় ডেটা মাইনিংয়ের মাধ্যমে। এ কাজটি করার জন্য একই সঙ্গে প্রয়োজন হয় একটি কার্যকরী তথ্যভান্ডার (ডেটাবেজ) ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। বর্তমানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাধারণভাবে ডেটা মাইনিং একটি স্বয়ংক্রিয় অথবা আংশিক স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত থেকে কোনো ধরনবা প্যাটার্ন খুঁজে বের করা হয়। এ প্যাটার্নটি পরবর্তী সময়ে অন্যান্য বিশ্লেষণ যেমন মেশিন লার্নিং, পূর্বাভাষ বিশ্লেষণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রায়ই কম্পিউটারভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যবস্থায় ডেটা মাইনিং প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। কিন্তু তথ্য সংগ্রহ, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ অথবা ফলাফল প্রকাশ ডেটা মাইনিং নয়, তবে একটি সম্পূর্ণ ডেটা মাইনিং সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এ ধাপগুলো প্রয়োজনীয়।
ডেটা মাইনিং ব্যবহার করার একটি অন্যতম প্রধান কারণ হলো সমষ্টিগত বিশ্লেষণে পর্যবেক্ষণ সহজতর করা। বিশ্লেষণের ফলাফলগুলো অনেক সময় এমন হয় যে এগুলোর মধ্যে আন্তসম্পর্ক খুঁজে বের করা অথবা সমন্বিতভাবে প্রকাশ করার প্রয়োজন হয়। এসব ক্ষেত্রে ডেটা মাইনিং বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
ডেটা মাইনিং কীভাবে কাজ করে
নির্বাচন, প্রাক-প্রক্রিয়াকরণ, ট্রান্সফরমেশন, ডেটা মাইনিং, ইভালুয়েশন ইত্যাদি ধাপগুলোর মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ডেটা মাইনিং সম্পন্ন করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ ধাপগুলো আরও বিভক্ত করে অথবা ভিন্ন নামে বর্ণনা করা হয়। তবে সহজভাবে এ কাজটি তিনটি পর্যায়ে সম্পন্ন করা হয়। ১. প্রি প্রসেসিং ২. ডেটা মাইনিং এবং ৩. ফলাফল যাচাই।
প্রি প্রসেসিং: ডেটা মাইনিং অ্যালগরিদম প্রয়োগের আগে এ ধাপটি সম্পন্ন করতে হয়। ডেটা মাইনিংয়ের মাধ্যমে উপাত্ত ডেটাবেজ থেকে তথ্যের প্যাটার্ন খুঁজে বের করা হয়। তাই ডেটাবেজ নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে যে এতে উপাত্তের পরিমাণ যেন খুব কম না হয়।
ডেটা মাইনিং: একাধিক মধ্যবর্তী ধাপে এ পর্যায়টি সম্পন্ন করা হয়। তথ্য যাচাই, আন্তসম্পর্ক খুঁজে বের করা, শ্রেণী বিভাগ, সংক্ষেপ ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করা হয় এখানে।
ফলাফল যাচাই: এ ধাপে ফলাফল যাচাইয়ের কাজটি করা হয়। ডেটা মাইনিংয়ের ফলাফল সঠিক কি না, এটি পরীক্ষা করা হয় অন্য কিছু অ্যালগরিদম প্রয়োগ করে।
ব্যবহারের ক্ষেত্রগুলো
সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব ক্ষেত্রে ডেটা মাইনিং ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ডেটা মাইনিং পরিচালনার জন্য অবশ্যই একটি সমৃদ্ধ উপাত্ত ডেটাবেজ প্রয়োজন হবে। ব্যবস্থা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এটি বর্তমানে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। ডেটা মাইনিং ব্যবহার করে রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট গণনা করা যায়, ফলে কোনো নতুন প্রকল্প শুরু করার আগে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। নতুন পণ্য গ্রাহকদের ব্যবহারের সম্ভাবনা, নতুন গ্রাহক সংগ্রহ করা, বর্তমান গ্রাহকেরা ছেড়ে যাবে কি না, সেটি জানার জন্য ব্যবহার করা হয় ডেটা মাইনিং পদ্ধতি। বাজারে পণ্যের চাহিদা যাচাই এবং কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের ক্রেতা শ্রেণী সম্পর্কে জানতেও ব্যবহার করা হয় ডেটা মাইনিং। এ ছাড়া ডেটা মাইনিংয়ের কার্যকরী প্রয়োগ হলো অ্যাসোসিয়েশন রুল। এর মাধ্যমে বাজারে একটি পণ্য বিক্রির সঙ্গে অন্য এক বা একাধিক পণ্য বিক্রির সম্পর্ক খুঁজে বের করা যায়। এবং এর মাধ্যমে এ পণ্যের বিক্রি বাড়ানো যায়।
এ ছাড়া বায়োইনফরমেটিকস, জিন বিজ্ঞান, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রতিরক্ষাসহ বিজ্ঞানের প্রায় সব ক্ষেত্রে ডেটা মাইনিংয়ে প্রয়োগ করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের দক্ষতা যাচাই অথবা নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
যে ধরনের প্রযুক্তির প্রয়োজন
বর্তমানে ডেটা মাইনিংয়ের বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার পাওয়া যায়। যার মাধ্যমে খুব ছোট থেকে শুরু করে যেকোনো বড় আকারের ডেটাবেজ যাচাই করা যায়। মূলত ডেটা মাইনিংয়ের জন্য কী ধরনের প্রযুক্তি প্রয়োজন এটি নির্ভর করে দুটি বিষয়ের ওপর, একটি হলো ডেটাবেজের আকার এবং অন্যটি হলো কোয়রির ধরন । উপাত্ত-সমৃদ্ধ বিশাল ডেটাবেজ ব্যবহার করা হলে অথবা খুব জটিল কোয়েটির মাধ্যমে অনুসন্ধান বা যাচাই করা হলে সেই অনুপাতের কাজ করার ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তি প্রয়োজন হবে।

উইকিপিডিয়া অবলম্বনে

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-09-23/news/187953

সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে

১৭ সেপ্টেম্বর সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় শনিবার বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জাকজমকভাবে পালিত হয় এই দিবসটি। এই বছর সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে প্রায় ১০০টির বেশি দেশে। শিক্ষা, ব্যবসা বানিজ্য, সরকারী কার্যক্রম পরিচালনা, ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার – এক কথায় বলতে গেলে দৈনন্দিন সকল ধরনের কাজ করার উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী এবং সার্বিক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। মূলত সকলে জন্য কম্পিউটার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য থেকেই এটি শুরু করা হয়েছে।

সফটওয়্যার ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সর্ব প্রথম এই দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয় এবং বর্তমানে এটি একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিনত হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে নিয়মিত ভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা এই এই দিবসটি পালন করে আসছে। প্রতিবছরই অংশগ্রহনকারী দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রথম বছর থেকেই ক্যানোনিকাল লিমিটেড এই উৎসবে প্রধান পৃষ্ঠপোষক , এছাড়া অন্যন্য পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে গুগল , নোকিয়া, রেড হ্যাট, লাইনোড মেকার বট ইন্ডাস্ট্রি, লিনাক্স জার্নাল, জুমলা, ফ্রি সফটও্যার ফাউন্ডেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান।

সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে- শুরুর কথা
স্টলম্যানের দেখিয়ে দেখা পথ অনুযায়ী ফ্রি/মুক্ত সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। দৈনন্দিন সব ধরনের কাজ করার উপযোগী সফটওয়্যার তৈরী হতে থাকে। ২০০৪ এর জানুয়ারীর শুরুর দিকে ম্যাট ওকুয়েস্ট নামের একজন প্রোগ্রামার মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার বিতরণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক দিন ঘোষনার প্রস্তাব করেন। সেই সময় “দি ওপেন ডিস্ক” নামের একটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছিল যার মাধ্যমে মাইক্রোসফট উইন্ডোজে ব্যবহার উপযোগী মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার গুলো একত্রে বিতরণ করা হচ্ছিলো। খুব দ্রুত তার এই প্রস্তাডের উপর ভিত্তি করে “সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে” নামের এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবং প্রথম বছবই বিশ্বের ৭০টি স্থানে এই দিবসটি পালন করা হয়। এবং প্রতি বছর এর সংখ্যা বাড়ছে।

মু্ক্ত সফটওয়্যার এবং সফটওয়্যার স্বাধীনতা

মুক্ত সফটওয়্যার বা ফ্রি সফটওয়্যার বলতে মূলত একই ধরনের সফটওয়্যারকে বুঝানো হয়ে থাকে। ফ্রি সফটওয়্যারের ফ্রি শব্দটি বিনমূল্য নয় বরং ফ্রিডম অর্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ধরনরে সফটওয়্যারগুলো কিছু বিশেষ লাইসেন্সের অধিনে প্রকাশ করা হয়ে থাকে, যেখানে সফটওয়্যার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়ে থাকে। যেমন সফটওয়্যারগুলো যেকেউ ব্যবাহরের সুযোগ পাবে, সফটওয়্যারটির সোর্সকোড প্রকাশ করতে হবে যেন সফটওয়্যারগুলো কিভাবে কাজ করছে সেটি সম্পূর্ণভাবে জানার সুযোগ থাকে। ব্যবহারকারী তার পছন্দ অনুযায়ী এই সফটওয়্যারগুলো বিতরণ করতে পারবে এমনকি যদি সে সফটওয়্যারটি সম্পাদনা বা পরিবর্তন করে থাকে সেই পরিবর্তীত সংস্করণও বিতরণের অধিকার থাকবে ব্যবহারকারীর। প্রত্যেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে এই স্বাধিনতা নিশ্চিত করতেই মু্ক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
ফ্রি সফটওয়্যার এবং এর ধারনাটি সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন রিচার্ড স্টলম্যন নামের একজন মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে কার্মরত অবস্থায় তিনি যে সময় থেকে এই আন্দোলনটি শুরু করেন তখন থেকেই সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলো সফটওয়্যারের সাথে ব্যবহারকরীদের এর সোর্স কোড দেয়া বন্ধ করে দিতে শুরু করে। এ ধরনের প্রোপ্রায়েটারী সফটওয়্যার আগেও ছিল, কিন্তু আশির দশকের শুরু থেকে এটিই মূল ধারায় পরিণত হতে থাকে। ধিরে ধিরে স্টলম্যনের এই আন্দোলনে অধিক মানুষ অংশগ্রহন করতে থাকে। বর্তমানে বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সমষ্টিগতভাবে ফ্রি বা মুক্ত সফটওয়্যারের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ।

সাধারণ ব্যবহারকারীর অধিকার রক্ষার উদ্দেশ্যেই শুরু হয়েছিল মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার আন্দোলন। একে একটি বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলন হিসেবে রূপ দিয়েছেন রিচার্ড স্টলম্যান। কম্পিউটার বিজ্ঞানের বিশাল এই ক্ষেত্রটি এককভাবে পরিচালনা করছে গুটি কয়েক প্রতিষ্ঠান। ব্যবহারকারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও তাদের দেখানো পথ অনুযায়ী চলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু মালিকানাধিন সফটওয়্যারের উপর যে নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়োজন হয় না, এই পথটি দেখানোর চেষ্টা করা হয় এই সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে। প্রতি বছর বিশেষ এই দিনটির মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে এই কথাটি বার বার মনে করিয়ে দেয়া হয়।

বর্তমানে এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় না। তবে মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার বলতে যে শুরুমাত্র লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে বোঝানো হয় এমনটি নয় আবার এটি যে সকল ক্ষেত্রে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে এই কথাটিও ঠিক না। মুক্ত সফটওয়্যার বলছে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী সকল ধরনের সফটওয়্যাই হতে পারে। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত মুক্ত সফরওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স, ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার, ওপেন অফিস, লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম,অ্যাপাচি সার্ভার, বাইন্ড, মেইল সার্ভার সেন্ডমেইল ও কিউমেইল ইত্যাদি।

বাংলাদেশে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই এই উৎসবটি পালন করা হচ্ছে। ঢাকার একাধিক স্থানে এই দিনটি বিশেষভাবে পালন করা হয়ে থাকে। এছাড়া গত বছর ঢাকার বাইরে বেশ কয়েকটি জায়গায়ও এই দিনটি পালন করা হয়েছিল।

সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পারা যাবে http://softwarefreedomday.org/ ঠিকানা থেকে।

Youtube থেকে ভিডিও ডাউনলোডের ৫ ধরনের পদ্ধতি

অনলাইনে বিনামূল্যে ভিডিও দেখা যায় অনেকদিন আগে থেকেই। Youtube বা Metacafe এর মত এখন এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক ভিডিও দেখতে পাবেন। এধরনের সাইটগুলির মধ্যে Youtube সবচাইতে জনপ্রিয়, কিন্তু এখানে একটি অসুবিধা হল আপনি যদি পছন্দের ভিডিওগুলি যদি আপনি আপনার কম্পিউটারে সংরক্ষন করতে চান তবে সরাসরি ডাউনলোড করার কোন অপশন পাবেন না। তবে ডাউনলোড করা যাবে না এমনটি না, ডাউনলোড করার এমনই কিছু পদ্ধতির বিস্তারিত পড়ুন

উবুন্টুতে সফটওয়্যার ইনস্টল পদ্ধতি

উবুন্টুতে সফটওয়্যার ইনস্টল করার পদ্ধতি দিন দিন সহজ করা হচ্ছে। একেবারে প্রথমে টারমিনাল দিয়ে এরপর এল সিন্যাপটিক প্যাকেজ ম্যানেজার সবশেষে নোম ইনস্টলার (Add/ Remove) । বর্তমানে আপনি ফায়ারফক্স দিয়েই সফটওয়্যার ইনস্টল করতে পারবেন।
http://appnr.com/ ওয়েব সাইটে উবুন্টুর সফটওয়্যারগুলির একটি তালিকা পাবেন বিস্তারিত পড়ুন

Avi বা DivX ফরম্যাট থেকে DVD তে কনভার্ট করা

যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনট ব্যাবহার করেন তারা অনেকেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুভি ডাউনলোড করেন। আবার অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন সময় মুভি সংগ্রহ করেছেন যেগুলা .avi বা DivX ফরম্যাট-এ। এগুলা সিডি বা ডিভিডিতে কপি করা হলে সেগুলা সাধারন সিডি বা ডিভিডি প্লেয়ারে চলে না ।
এই সমস্যার সমাধান পেতে পারেন Avi2DVD সফটওয়্যারটি ব্যাবহার করে। এটি দিয়ে Avi বা DivX ফরম্যাটের ফাইলটি ISO ফরম্যাটে পরিবর্তিত হয়। এই ISO ফাইলটি যেকোন সিডি বা ডিভিডি বার্নার দিয়ে বার্ন করা যাবে এবং এটি সব ডিভিডি/সিডি প্লেয়ারে চালানো যাবে ।
এই সফটওয়্যারটি ব্যাবহার করা অনেক সহজ এবং একটি ডিভিডিতে যে গুলা অপশন থাকে যেমন সাবটাইটেল, ডিভিডি অপশন ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে।

ডাউনলোড করতে পারেনAvi2DVD এর হোম পেজ অথবা Softpedia ওয়েব সাইট থেকে ।

ফায়ারফক্সের দরকারী কিছু অ্যাড-অন

ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজারে অ্যাড-অন ব্যাবহার করা যায়। অ্যাড-অন খুব ছোট এক একটি প্রোগ্রাম যা ফায়ারফক্সে সাথে অতিরিক্ত হিসাবে ব্যাবহার কারা যায়। বিভিন্ন ধরনের অ্যাড-অন ব্যাবহার করার ফলে ব্রাউজিংসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ আরও সহজ ভাবে করা যায়। এমন কিছু অ্যাড-অন আছে যেগুলা বিভিন্ন সফটওয়্যারের বিকল্প হিসাবে ব্যাবহার করা যায়, যেমন ডাউনলোড ম্যানেজার, FTP ক্লায়েন্ট, RSS রিডার, অডিও ভিডিও কনভার্টর এর মত আরও বেশ কিছু কাজের জন্য অ্যাড-অন ব্যাবহার করা যায় ফলে আপনার নতুন করে অনের সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে না ।
বেশ কিছু দরকারী অ্যাড-অনের তালিকা এখানে দেওয়া হচ্ছে।

বিস্তারিত পড়ুন