খুঁজে বের করুন হারিয়ে যাওয়া অ্যান্ড্রয়েড ফোন

সাধারণ মোবাইল ফোনের পাশাপামিস্মার্টফোনের ব্যবহার এখন বেড়েছে। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা মোবাইল ফোনের ব্যবহার তো বেড়েই চলেছে। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোতে বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায় অ্যাপ্লিকেশনস (অ্যাপস) ব্যবহার করে।যদি হঠাৎ ফোনটি হারিয়ে যায়, তবে নিয়মিত কাজগুলোতে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধার সৃষ্টি হয়। আবার এমনও হতে পারে, হয়তো বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মোবাইলটি সঙ্গে নেওয়া হয়নি। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য বেশ কিছু অ্যাপ্লিকেশন আছে।

১. হোয়্যার ইজ মাই ড্রয়েড (http://goo.gl/LImXw)
হারানো ফোন খুঁজে পাওয়ার জন্য হোয়্যার ইজ মাই ড্রয়েড অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অ্যাপ।হারিয়ে যাওয়া ফোনটির অবস্থান চিহ্নিত করা, সেটি খুঁজে পাওয়া এবং ফোনের তথ্য নিরাপদে রাখার জন্য এতে আছে বিভিন্ন সুবিধা। ফ্রি, লাইট এবং প্রো নামের আলাদা তিনটি সংস্করণ রয়েছে এর। ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে এসএমএসের মাধ্যমে ফোনের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই অ্যাপ্লিকেশনের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে কমান্ডার নামে একটি অংশ রয়েছে। কমান্ডার সক্রিয় থাকলে অ্যাপ্লিকেশনটির মূল ওয়েবসাইট থেকে ফোনের অবস্থান নির্ণয় করা যায়।

২. অ্যাভাস্ট (http://goo.gl/F72Xa)
অ্যাভাস্ট অ্যাপ্লিকেশনটি তৈরি করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। অ্যাপের একটি অংশ অ্যান্টিভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার স্ক্যান করে। আর অ্যাপটিতে App Disguiser এবং Stealth Mode নামের দুটি বিশেষ সুবিধা রয়েছে। এটি ব্যবহার করে ব্যবহারকারী অ্যাপটি লুকিয়ে রাখতে পারবেন। এটি বিশেষভাবে কার্যকর, যদি ফোনটি কখনো চুরি হয়ে যায়।
তবে অ্যাপ্লিকেশনটি আনইনস্টল করার পদ্ধতিটি বেশ জটিল। ইনস্টল করার পর যদি ফোনটি খোঁজা হয় কখনো, তা হলে অ্যাপটি আনইনস্টল করা একরকম অসম্ভব হয়ে যায়। অ্যাপ্লিকেশনটি নিজে থেকেই সিস্টেম রিস্টোর করতে পারে এবং ফোনের ইউএসবি পোর্ট বন্ধ করে দিতে পারে।

৩. প্ল্যান বি (http://goo.gl/0Z9ys)
তালিকার অন্য অ্যাপ্লিকেশনগুলো থেকে এটা কিছুটা আলাদা। ফোন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়ে যাওয়ার পর হয়তো মনে হতে পারে, যদি আগেই একটি অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা থাকত, তা হলে হয়তো ফোনটি খুঁজে পাওয়া যেত। আর এ ধরনের পরিস্থিতির জন্যই তৈরি করা হয়েছে প্ল্যান-বি অ্যাপটি। ফোনটি হারিয়ে যাওয়ার পর গুগল প্লে সাইটে গিয়ে এই অ্যাপটি ইনস্টল ক্লিক করতে হবে। এরপর অ্যাপটি নিজে থেকেই ইনস্টল হয়ে যাবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে জিপিএস চালু হয়ে যাবে। ফোনটির অবস্থান বের করার পরপরই একটি ই-মেইলের মাধ্যমে গুগল ম্যাপের লিংকসহ ফোনের অবস্থানটি জানিয়ে দেওয়া হবে।

৪. লুকআউট (http://goo.gl/QApgd)
লুকআউট হলো অ্যান্ড্রয়েড যন্ত্রগুলোর উপযোগী অপর একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা এবং ব্যাকআপ নেওয়ার সফটওয়্যার। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিনা মূল্যে অ্যান্টিভাইরাস-সুবিধা পাওয়া যায়। পাশাপাশি ফোনে থাকা নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ও তথ্য ব্যাকআপ নেওয়ারও সুবিধা পাওয়া যাবে এখানে। আর মোবাইল ফোন হারিয়ে বা চুরি হয়ে গেলে এসএমএসের মাধ্যমে ফোন লক করে দেওয়া বা অবস্থান চিহ্নিত করার সুবিধাও রয়েছে এখানে।

৫. লস্ট ফোন (http://goo.gl/X73yq)
হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে পাওয়ার জন্য অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের মতো একই ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে এখানে। যার মধ্যে রয়েছে এসএমএসের মাধ্যমে ফোন লক করে দেওয়া, ফোনের অবস্থান জানা। আবার ফোনের রিংটোন বাড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে, যেন ওই নম্বরে ফোন করা হলে সেটি খুঁজে পাওয়া যায়। আর এখানে আরও একটি বিশেষ সুবিধা হলো, যে সিম কার্ডটি লাগানো অবস্থায় এই অ্যাপটি ইনস্টল করা হয়েছে, সেটি পরিবর্তন করে অন্য কোনো সিম লাগানো হলে অ্যাপ সেটিংসে উল্লেখ করা নির্দিষ্ট কয়েকটি নম্বরে নতুন সিম নম্বরটি এসএমএস হিসেবে চলে যাবে।

 

Published on: Prothom alo (24-08-2012) http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-24/news/283301

 

গুগল প্লাসে পছন্দমতো নাম

একেবারে শুরু থেকেই গুগল প্লাস তার ব্যবহারকারীদের বিশেষ কিছু সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গুগল প্লাসে ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বাড়ছে বেশ দ্রুত। আর সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট হিসেবে ফেসবুকের সঙ্গে স্বভাবতই তুলনা চলে আসে। গুগল প্লাস চালু হওয়ার প্রথম থেকেই এর ব্যবহারকারীদের অন্যতম চাহিদা ছিল প্রোফাইল এবং পেজগুলোর জন্য সংক্ষিপ্ত ইউআরএল ব্যবহারের সুবিধা যোগ করা। সম্প্রতি গুগল বেশ কিছু ব্যবহারকারী এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য সংক্ষিপ্ত আকারের ইউআরএল ব্যবহারের সুবিধা চালু করেছে। যেমন টয়োটা কোম্পানির গুগল প্লাস প্রোফাইলের লিংক হবে www.google.com/+toyota
নতুন এই বৈশিষ্ট সম্পর্কে গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর জন্য এই বৈশিষ্ট্যটি চালু করা হলেও এটি গুগল প্লাসের সব ব্যবহারকারীর জন্যই উন্মুক্ত করা হবে। বর্তমানে গুগল প্লাস ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ইউআরএল হিসেবে ব্যবহারকারীর বেশ বড় আকারে আইডি দেখানো হয়। এমনকি এখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পেজ বা বিষয়ভিত্তিক পেজগুলোর জন্যও একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রোফাইল আইডির বড় আকারের সংখ্যাটি স্মরণ রাখাও বেশ কষ্টকর। যার ফলে খুব অল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠানই নিয়মিতভাবে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে গুগল প্লাস প্রোফাইলটি ব্যবহার করত।
এখানে উল্লেখ্য, ফেসবুক ২০০৯ সালে প্রথম এই ধরনের বৈশিষ্ট্যটি চালু করেছিল। এবং সেই সময় থেকেই ব্যবহারকারীরা বিশেষত বিভিন্ন পেজের জন্য এই ধরনের ছোট আকারের ইউআরএল তৈরির বিষয়টি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। —টেক ক্রাঞ্চ অবলম্বনে নাসির খান

Published on: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-23/news/283032

গুগল ট্রান্সলেটরে ছবি থেকে অনুবাদ

সম্প্রতি গুগল ট্রান্সলেটর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের একটি নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই সংস্করণের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, ছবিতে থাকা কোনো লেখা অ্যাপের মাধ্যমে অনুবাদ করা যাবে। নতুন সংস্করণের অ্যাপটি থেকে ছবি তোলা একটি অপশন রাখা হয়েছে। ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি অথবা আগে থেকে সংরক্ষণ করা কোনো ছবি এই ট্রান্সলেশন অ্যাপের মাধ্যমে অনুবাদ করা যাবে। গুগল ডক থেকে বেশ অনেক দিন আগে থেকেই ছবি থেকে লেখায় স্থানান্তর করার সুযোগটি রয়েছে। ট্রান্সলেশনের নতুন অ্যাপে এই বৈশিষ্ট্যটি আরও বর্ধিত আকারে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। গুগল ট্রান্সলেটরে যে সব ভাষা থেকে অনুবাদ করা যায় তার সবগুলো এখনই এখানে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে অন্তর্ভুক্ত করা ভাষাগুলোর মধ্যে রয়েছে ডাচ, জার্মান, তুর্কি, রাশিয়ান, পর্তুগিজ, পোলিশ, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ ইত্যাদি।
অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ জিঞ্জারব্রেড বা এর পরবর্তী কোনো সংস্করণ ইনস্টল করা রয়েছে এমন সব ফোন বা ট্যাব থেকেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। আর অনুবাদ করার কাজটি যেহেতু গুগলের মূল ইঞ্জিনের মাধ্যমে ব্যবহার করতে হবে, তাই এটি ব্যবহার করার সময় ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় হবে।
এর পাশাপাশি নতুন সংস্করণে স্পিচ ইনপুটের পদ্ধতিটি উন্নত করা হয়েছে, ফলে আঞ্চলিক পদ্ধতিতে উচ্চারণ করা হলেও মূল শব্দগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। হাতে লিখে ইনপুটের ক্ষেত্রেও জাপানি ভাষার মান উন্নয়ন করা হয়েছে।
—নাসির খান

Published at: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-18/news/282643

গুগল+ থেকে সরাসরি ওয়েবকাস্ট

গুগল+, সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই ওয়েব সেবাটি।শুরুর পর থেকেই যে বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রতি এখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তার একটি হলো গুগল প্লাস হ্যাংআউটস। গুগল প্লাস হ্যাংআউটসের মাধ্যমে একজন গুগল প্লাস ব্যবহারকারী তার সার্কেলের অন্য একজন ব্যবহারকারীর সঙ্গে ভিডিও চ্যাট, ফাইল আদান, স্ক্রিন শেয়ারসহ অন্যান্য আরও অনেক ধরনের অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ পাবে। আর এটি শুধু অপর একজন ব্যবহারকারীই নয়, সার্কেলের একাধিক বন্ধু অথবা একাধিক সার্কেলের সবার সঙ্গেই একই সঙ্গে হ্যাংআউটসে অংশগ্রহণ করা যায়। গুগল প্লাস চালু হওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই মোবাইল থেকে এই হ্যাংআউটস সুবিধাটি ব্যবহার করার জন্য স্মার্টফোন অ্যাপ প্রকাশ করা হয় আর এ সুবিধা দেওয়া হয় মোবাইল ফোনের সংস্করণটিতেও।
হ্যাংআউটসের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলোর সঙ্গে প্রথম থেকেই আরও একটি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা চলছিল, আর সেটি হলো সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ ব্রডকাস্ট)। প্রথম দিকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর জন্য এটি উন্মুক্ত ছিল। বর্তমানে গুগল প্লাস হ্যাংআউটস অন এয়ার” নামের এই বিশেষ সুবিধাটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে গুগল প্লাসের সব ব্যবহারকারীর জন্য। হ্যাংআউটসের মূল কাজটি হলো অন্যান্য কিছু ব্যবহারকারী অথবা নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে হয়তো এমন কিছু ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ প্রয়োজন যারা নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর সার্কেলে নেই অথবা প্রয়োজন হতে পারে বহু সংখ্যক ব্যবহারকারীর সঙ্গে একই সময়ে যোগাযোগ করা। সে ক্ষেত্রে সাধারণ হ্যাংআউটসের মাধ্যমে এই কাজটি করা যাবে না। অন এয়ার হ্যাংআউটসে গুগল প্লাসের মাধ্যমে এই কাজ করা যাবে। অনএয়ার হ্যাংআউটসে যেকোনো ব্যবহারকারীই অংশগ্রহণ করতে পারে। এবং এখানে সাধারণ হ্যাংআউটসের অন্যান্য সুবিধাও পাওয়া যাবে।
পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার পর এই বিশেষ সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বিষয়ভিত্তিক পাঠদান, গেম শো, মিউজিক কনসার্টসহ আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে। গুগল প্লাস হ্যাংআউটস অন এয়ারের মাধ্যমে লাইভ ব্রডকাস্ট করার ক্ষেত্রে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো। আর এসব সুবিধাই গুগল প্লাসের ব্যবহারকারীরা বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।
* প্রতিটি অন এয়ার গুগল প্লাস হ্যাংআউটসের একটি নির্দিষ্ট নামে প্রকাশিত হয়। ফলে সেটি গুগল সার্চের মাধ্যমে অন্য যে কেউ দেখতে পারবে, একই সঙ্গে এটি গুগল প্লাস স্ট্রিমেও দেখা যায়।
* হ্যাংআউটসগুলো শুধু যে গুগল প্লাস প্রোফাইল বা স্ট্রিমে দেখা যাবে তা-ই নয়, লাইভস্ট্রিমগুলো একই সময়ে ব্যবহারকারীর ইউটিউব চ্যানেল বা অন্যান্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও দেখা যাবে।
* হ্যাংআউটসে মোট কতজন অংশগ্রহণ করেছে বা কতজন সরাসরি সেটি দেখছে এটি জানতে পারা যাবে অন এয়ার ব্রডকাস্ট প্যানেল থেকে।
* সরাসরি সম্প্রচারের সময় এটি রেকর্ড হতে থাকে এবং শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভিডিওটি ব্যবহারকারীর ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হয়। পাশাপাশি এটি গুগল প্লাসের মূল পোস্ট থেকেও দেখা যায়। ফলে লাইভ স্ট্রিমে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও পরবর্তী সময়ে এটি দেখা যাবে বা সেটি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাওয়া যাবে। গুগল ব্লগ অবলম্বনে

published at : http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-06-01/news/262232

সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে

১৭ সেপ্টেম্বর সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় শনিবার বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে জাকজমকভাবে পালিত হয় এই দিবসটি। এই বছর সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে প্রায় ১০০টির বেশি দেশে। শিক্ষা, ব্যবসা বানিজ্য, সরকারী কার্যক্রম পরিচালনা, ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার – এক কথায় বলতে গেলে দৈনন্দিন সকল ধরনের কাজ করার উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী এবং সার্বিক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। মূলত সকলে জন্য কম্পিউটার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য থেকেই এটি শুরু করা হয়েছে।

সফটওয়্যার ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সর্ব প্রথম এই দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয় এবং বর্তমানে এটি একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিনত হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে নিয়মিত ভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা এই এই দিবসটি পালন করে আসছে। প্রতিবছরই অংশগ্রহনকারী দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রথম বছর থেকেই ক্যানোনিকাল লিমিটেড এই উৎসবে প্রধান পৃষ্ঠপোষক , এছাড়া অন্যন্য পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে গুগল , নোকিয়া, রেড হ্যাট, লাইনোড মেকার বট ইন্ডাস্ট্রি, লিনাক্স জার্নাল, জুমলা, ফ্রি সফটও্যার ফাউন্ডেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান।

সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে- শুরুর কথা
স্টলম্যানের দেখিয়ে দেখা পথ অনুযায়ী ফ্রি/মুক্ত সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। দৈনন্দিন সব ধরনের কাজ করার উপযোগী সফটওয়্যার তৈরী হতে থাকে। ২০০৪ এর জানুয়ারীর শুরুর দিকে ম্যাট ওকুয়েস্ট নামের একজন প্রোগ্রামার মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার বিতরণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক দিন ঘোষনার প্রস্তাব করেন। সেই সময় “দি ওপেন ডিস্ক” নামের একটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছিল যার মাধ্যমে মাইক্রোসফট উইন্ডোজে ব্যবহার উপযোগী মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার গুলো একত্রে বিতরণ করা হচ্ছিলো। খুব দ্রুত তার এই প্রস্তাডের উপর ভিত্তি করে “সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে” নামের এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবং প্রথম বছবই বিশ্বের ৭০টি স্থানে এই দিবসটি পালন করা হয়। এবং প্রতি বছর এর সংখ্যা বাড়ছে।

মু্ক্ত সফটওয়্যার এবং সফটওয়্যার স্বাধীনতা

মুক্ত সফটওয়্যার বা ফ্রি সফটওয়্যার বলতে মূলত একই ধরনের সফটওয়্যারকে বুঝানো হয়ে থাকে। ফ্রি সফটওয়্যারের ফ্রি শব্দটি বিনমূল্য নয় বরং ফ্রিডম অর্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ধরনরে সফটওয়্যারগুলো কিছু বিশেষ লাইসেন্সের অধিনে প্রকাশ করা হয়ে থাকে, যেখানে সফটওয়্যার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়ে থাকে। যেমন সফটওয়্যারগুলো যেকেউ ব্যবাহরের সুযোগ পাবে, সফটওয়্যারটির সোর্সকোড প্রকাশ করতে হবে যেন সফটওয়্যারগুলো কিভাবে কাজ করছে সেটি সম্পূর্ণভাবে জানার সুযোগ থাকে। ব্যবহারকারী তার পছন্দ অনুযায়ী এই সফটওয়্যারগুলো বিতরণ করতে পারবে এমনকি যদি সে সফটওয়্যারটি সম্পাদনা বা পরিবর্তন করে থাকে সেই পরিবর্তীত সংস্করণও বিতরণের অধিকার থাকবে ব্যবহারকারীর। প্রত্যেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে এই স্বাধিনতা নিশ্চিত করতেই মু্ক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
ফ্রি সফটওয়্যার এবং এর ধারনাটি সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন রিচার্ড স্টলম্যন নামের একজন মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে কার্মরত অবস্থায় তিনি যে সময় থেকে এই আন্দোলনটি শুরু করেন তখন থেকেই সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলো সফটওয়্যারের সাথে ব্যবহারকরীদের এর সোর্স কোড দেয়া বন্ধ করে দিতে শুরু করে। এ ধরনের প্রোপ্রায়েটারী সফটওয়্যার আগেও ছিল, কিন্তু আশির দশকের শুরু থেকে এটিই মূল ধারায় পরিণত হতে থাকে। ধিরে ধিরে স্টলম্যনের এই আন্দোলনে অধিক মানুষ অংশগ্রহন করতে থাকে। বর্তমানে বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সমষ্টিগতভাবে ফ্রি বা মুক্ত সফটওয়্যারের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ।

সাধারণ ব্যবহারকারীর অধিকার রক্ষার উদ্দেশ্যেই শুরু হয়েছিল মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার আন্দোলন। একে একটি বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলন হিসেবে রূপ দিয়েছেন রিচার্ড স্টলম্যান। কম্পিউটার বিজ্ঞানের বিশাল এই ক্ষেত্রটি এককভাবে পরিচালনা করছে গুটি কয়েক প্রতিষ্ঠান। ব্যবহারকারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও তাদের দেখানো পথ অনুযায়ী চলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু মালিকানাধিন সফটওয়্যারের উপর যে নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়োজন হয় না, এই পথটি দেখানোর চেষ্টা করা হয় এই সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে। প্রতি বছর বিশেষ এই দিনটির মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে এই কথাটি বার বার মনে করিয়ে দেয়া হয়।

বর্তমানে এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় না। তবে মুক্ত/ফ্রি সফটওয়্যার বলতে যে শুরুমাত্র লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে বোঝানো হয় এমনটি নয় আবার এটি যে সকল ক্ষেত্রে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে এই কথাটিও ঠিক না। মুক্ত সফটওয়্যার বলছে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী সকল ধরনের সফটওয়্যাই হতে পারে। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত মুক্ত সফরওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স, ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার, ওপেন অফিস, লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম,অ্যাপাচি সার্ভার, বাইন্ড, মেইল সার্ভার সেন্ডমেইল ও কিউমেইল ইত্যাদি।

বাংলাদেশে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই এই উৎসবটি পালন করা হচ্ছে। ঢাকার একাধিক স্থানে এই দিনটি বিশেষভাবে পালন করা হয়ে থাকে। এছাড়া গত বছর ঢাকার বাইরে বেশ কয়েকটি জায়গায়ও এই দিনটি পালন করা হয়েছিল।

সফটওয়্যার ফ্রিডম ডে সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পারা যাবে http://softwarefreedomday.org/ ঠিকানা থেকে।

মুক্ত সফটওয়্যার ঘিরে পেশা

মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিংএর জগৎটি এমন যে এখানে যুক্ত থেকে কাজ করার জন্য সবসময়ই পেশাদার প্রোগ্রামার হওয়ার প্রয়োজন হয় না। মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিং এর কাঠামোটি এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন সৃজনশীল যে কেউই তার চিন্তাটি বিকশিত করতে পারে।
মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিংভাষাগুলো এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন প্রোগ্রামিং-এ খুব গভীর দক্ষতা ছাড়াই কাজ সম্পৃক্ত হওয়া যায়। উদাহারন হিসাবে পাইথন প্রোগামিং ভাষার কথা বলা যেতে পারে। পাইথন ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরী করা জন্য প্রোগ্রামিং দক্ষতার থেকে সৃজনশীলতার বেশি প্রয়োজন হয়ে থাকে।

মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে সাধারণত বহু সংখ্যক মানুষ সম্পৃক্ত থাকেন।এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই প্রকল্পগুলো সমন্বয় করা হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ডেভলপাররা এই সকল প্রকল্পে যুক্ত হয়ে থাকেন। এখানে অন্যান্য ডেভলপারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায় এবং একই সাথে দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অন্যান্যদের সহযোগীতা নেয়া যায়। এই সকল প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা পরবর্তীতে পেশাদারি জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম, ওরাকল ইত্যাদি নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে ওপেন সোর্স প্রকল্পে সম্পৃক্ততারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে থাকে। এবং এই প্রতিষ্ঠানসমূহ একাধিক মুক্ত সোর্স প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আছে। এবং একই সাথে মুক্ত সোর্স প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ডেভলপারদের প্রতি বছরই এইসকল প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

কিছুদিন আগ পর্যন্তও মুক্ত সোর্স প্রকল্প বলতে কেবলমাত্র লিনাক্স বা জাভার কথা মনে হত, কিন্তু বর্তমানে এই ধারণাটি অনেকাংশেই বদলেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে একাধিক নতুন অ্যাপলিকেশন এবং বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প। বর্তমান সময়ে ওয়েব ডেভলপমেন্ট অন্যতম জনপ্রিয় একটি পেশা। আর এই ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা এবং দ্রুপালের মত কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এর ফলেই প্রয়োজন হচ্ছে এই ক্ষেত্রে দক্ষ ডেভলপারদের। জনপ্রিয় সিএমএসগুলোর প্রায় সবকয়টি মুক্ত সোর্স। এই সিএমএসগুলোর এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন প্রাথমিক কাজটি যে কোনো ব্যবহারকারীই করতে পারে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানের ওয়েবসাইট খুব অল্প সময়ে তৈরী করা সম্ভব হয়। তবে বিশেষ কোনো বৈশিষ্ঠ সংযোজনের জন্য প্রয়োজন হবে দক্ষ ডেভলপারের। এর পাশাপাশি বর্তমানে মুক্তসোর্স ডাটাবেজ, মোবাইল, ইকমার্স, ওয়েব সার্ভারের মত ক্ষেত্রগুলোতেও দক্ষ লোকের চাহিদা বাড়ছে। মুক্ত সোর্স এই প্রকল্পগুলো সম্পর্কে ভালো দক্ষতা থাকলে খুব সহজেই এই কাজগুলো করতে পারা যাবে।

যেভাবে শুরু করতে হবে?
বর্তমানে সময়ে মুক্ত সোর্সের ক্ষেত্রটি এতটাই বিশাল যে সফলতা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট করে একটি পথ বলে দেয়া সম্ভব নয়। তবে সফলতা পাওয়ার পূর্বশর্ত হল আগে কাজে নামতে হবে। আর এই বিষয়টি কখনোই নির্দিষ্ট নয় যে মুক্ত সোর্স নিয়ে কাজ করলে মালিকানাধিন বা প্রোপাইটরী কোনো প্রকল্পে কাজ করা যাবে না। বরং দুটি প্রকল্পই সমান ভাবে অংশগ্রহনের সুযোগ আছে। তবে মুক্ত সোর্স প্রকল্পে যুক্ত হলে কি কি সুবিধা হতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা দেয়া যেতে পারে। মুক্ত সোর্স প্রকল্প কাজ করলে নতুন কিছু শেখার সুযোগ থাকে। অধিকাংশ বড় প্রকল্পেই বিশ্বমানের প্রোগ্রামাররা যুক্ত থাকেন, এই সকল প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সাহচার্যে কাজ করার সুয়োগ পাওয়া যায়, যা সহজে অন্য কোনো পথে পাওয়া সম্ভব না। এই সকল প্রকল্পে যুক্ত থেকে যে কাজগুলো করা হবে তার প্রতিটিই সিভিতে যোগ করা যাবে। এবং এটি নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে এই মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে সম্পৃক্ত থাকে এবং এই অভিজ্ঞতা ভালো চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ামক হিসাবে কাজ করবে।

কেমন প্রস্তুতি প্রয়োজন
প্রোগ্রামিং এর প্রথমিক ধারনা অর্জন করার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানে লেখাপড়া করা বাধ্যতামূলক না। তবে এটি ঠিক যে কম্পিউটার বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের প্রথমদিকে কিছুটা সুবিধা হতে পারে, কিন্তু ভালো মানের অন্যান্য যে কোনো প্রশিক্ষন কেন্দ্রথেকেই এই বিষয়গুলো শিখে নেয়া যায়। এরপর কাজে নামতে হবে, প্রয়োগ করতে হবে মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে এবং এই সময়টাতে শেখার কাজটি করতে হবে নিজেকেই। মুক্ত সোর্স প্রকল্পের ক্ষেত্রে অবদানই সব থেকে বড় পরিচয়। প্রকল্পগুলোতে ভালো ভাবে কাজ করার মাধ্যমে সুনাম বাড়বে এবং এটিই দক্ষতার একটি বড় পরিচয় হয়ে থাকবে। বিশেষ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিলেই যে সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে এমনটি নয়।

মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোর ঠিকানা
সোর্সফোর্জ (www.sourceforge.net): তিন লক্ষেরও অধিক মুক্ত সোর্স প্রকল্প এখানে হোস্ট করা আছে। প্রোগ্রামারদের অন্যতম পছন্দের স্থান।
গুগল কোড(www.code.google.com): মুক্তসোর্স প্রকল্পগুলোকে সহায়তা করার লক্ষে গুগলের একটি প্রচেষ্টা। গুগল নিজেদের মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলো এখানে হোস্ট করার পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহাকারীদেরও এখানে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
কোডপ্লেক্স(www.codeplex.com): ওপেন সোর্স কমিউনিটির আরও একটি জনপ্রিয় স্থান। এটি মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে এটি তত্ত্বাবধায়ন করা হয়ে থাকে। নিজে শুরু করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কয়েক হাজার প্রকল্পের যেকোনোটিতেই সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে এখানে।

এগুলো ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড, মোজিলা, অ্যাপাচি, ফেডোরার মত বানিজ্যিক প্রকল্পসমূহে যুক্ত থেকে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

source:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-09-16/news/185948

googlecl: গুগলের সেবা ব্যবহার করুন কমান্ড লাইন থেকে

কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের আকর্ষণীয় চেহারা (ইন্টারফেস) বা বড় আকারের বোতাম, আইকন সাধারণ বা নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সুবিধাজনক। কিন্তু অনেক দক্ষ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই এই ধরনের ইন্টারফেসের চেয়ে লিখিত নির্দেশ (কমান্ড লাইন) দিয়ে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই ধরনের ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল সিএলবা গুগল কমান্ডলাইন চালু করা হয়েছে।

এই নির্দিষ্ট সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে গুগল পরিচালিত ব্লগার, পিকাসা ওয়েব অ্যালবাম, ইউটিউব, গুগল ডক এবং গুগল ক্যালেন্ডারের মতো প্রোগ্রাম কমান্ডলাইন থেকে ব্যবহার করা যাবে। পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষায় তৈরি এ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হলে প্রথমে কম্পিউটারে পাইথন ২.৫ অথবা ২.৬ এবং gdata-python-client এবং googlecl ইনস্টল করতে হবে। এ প্রোগ্রামগুলো www.python.org/downloadhttp://code.google.com/p/gdata-python-clienthttp://code.google.com/p/googlecl ঠিকানার ওয়েবসাইটগুলোতে বিস্তারিত পড়ুন