মুক্ত সফটওয়্যার ঘিরে পেশা

মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিংএর জগৎটি এমন যে এখানে যুক্ত থেকে কাজ করার জন্য সবসময়ই পেশাদার প্রোগ্রামার হওয়ার প্রয়োজন হয় না। মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিং এর কাঠামোটি এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন সৃজনশীল যে কেউই তার চিন্তাটি বিকশিত করতে পারে।
মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিংভাষাগুলো এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন প্রোগ্রামিং-এ খুব গভীর দক্ষতা ছাড়াই কাজ সম্পৃক্ত হওয়া যায়। উদাহারন হিসাবে পাইথন প্রোগামিং ভাষার কথা বলা যেতে পারে। পাইথন ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরী করা জন্য প্রোগ্রামিং দক্ষতার থেকে সৃজনশীলতার বেশি প্রয়োজন হয়ে থাকে।

মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে সাধারণত বহু সংখ্যক মানুষ সম্পৃক্ত থাকেন।এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই প্রকল্পগুলো সমন্বয় করা হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ডেভলপাররা এই সকল প্রকল্পে যুক্ত হয়ে থাকেন। এখানে অন্যান্য ডেভলপারদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে নিজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায় এবং একই সাথে দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অন্যান্যদের সহযোগীতা নেয়া যায়। এই সকল প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা পরবর্তীতে পেশাদারি জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠানসমূহ যেমন গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম, ওরাকল ইত্যাদি নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে ওপেন সোর্স প্রকল্পে সম্পৃক্ততারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে থাকে। এবং এই প্রতিষ্ঠানসমূহ একাধিক মুক্ত সোর্স প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আছে। এবং একই সাথে মুক্ত সোর্স প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ডেভলপারদের প্রতি বছরই এইসকল প্রতিষ্ঠান থেকে বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

কিছুদিন আগ পর্যন্তও মুক্ত সোর্স প্রকল্প বলতে কেবলমাত্র লিনাক্স বা জাভার কথা মনে হত, কিন্তু বর্তমানে এই ধারণাটি অনেকাংশেই বদলেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে একাধিক নতুন অ্যাপলিকেশন এবং বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প। বর্তমান সময়ে ওয়েব ডেভলপমেন্ট অন্যতম জনপ্রিয় একটি পেশা। আর এই ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা এবং দ্রুপালের মত কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এর ফলেই প্রয়োজন হচ্ছে এই ক্ষেত্রে দক্ষ ডেভলপারদের। জনপ্রিয় সিএমএসগুলোর প্রায় সবকয়টি মুক্ত সোর্স। এই সিএমএসগুলোর এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন প্রাথমিক কাজটি যে কোনো ব্যবহারকারীই করতে পারে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানের ওয়েবসাইট খুব অল্প সময়ে তৈরী করা সম্ভব হয়। তবে বিশেষ কোনো বৈশিষ্ঠ সংযোজনের জন্য প্রয়োজন হবে দক্ষ ডেভলপারের। এর পাশাপাশি বর্তমানে মুক্তসোর্স ডাটাবেজ, মোবাইল, ইকমার্স, ওয়েব সার্ভারের মত ক্ষেত্রগুলোতেও দক্ষ লোকের চাহিদা বাড়ছে। মুক্ত সোর্স এই প্রকল্পগুলো সম্পর্কে ভালো দক্ষতা থাকলে খুব সহজেই এই কাজগুলো করতে পারা যাবে।

যেভাবে শুরু করতে হবে?
বর্তমানে সময়ে মুক্ত সোর্সের ক্ষেত্রটি এতটাই বিশাল যে সফলতা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট করে একটি পথ বলে দেয়া সম্ভব নয়। তবে সফলতা পাওয়ার পূর্বশর্ত হল আগে কাজে নামতে হবে। আর এই বিষয়টি কখনোই নির্দিষ্ট নয় যে মুক্ত সোর্স নিয়ে কাজ করলে মালিকানাধিন বা প্রোপাইটরী কোনো প্রকল্পে কাজ করা যাবে না। বরং দুটি প্রকল্পই সমান ভাবে অংশগ্রহনের সুযোগ আছে। তবে মুক্ত সোর্স প্রকল্পে যুক্ত হলে কি কি সুবিধা হতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা দেয়া যেতে পারে। মুক্ত সোর্স প্রকল্প কাজ করলে নতুন কিছু শেখার সুযোগ থাকে। অধিকাংশ বড় প্রকল্পেই বিশ্বমানের প্রোগ্রামাররা যুক্ত থাকেন, এই সকল প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং তাদের সাহচার্যে কাজ করার সুয়োগ পাওয়া যায়, যা সহজে অন্য কোনো পথে পাওয়া সম্ভব না। এই সকল প্রকল্পে যুক্ত থেকে যে কাজগুলো করা হবে তার প্রতিটিই সিভিতে যোগ করা যাবে। এবং এটি নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে এই মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে সম্পৃক্ত থাকে এবং এই অভিজ্ঞতা ভালো চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ামক হিসাবে কাজ করবে।

কেমন প্রস্তুতি প্রয়োজন
প্রোগ্রামিং এর প্রথমিক ধারনা অর্জন করার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞানে লেখাপড়া করা বাধ্যতামূলক না। তবে এটি ঠিক যে কম্পিউটার বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের প্রথমদিকে কিছুটা সুবিধা হতে পারে, কিন্তু ভালো মানের অন্যান্য যে কোনো প্রশিক্ষন কেন্দ্রথেকেই এই বিষয়গুলো শিখে নেয়া যায়। এরপর কাজে নামতে হবে, প্রয়োগ করতে হবে মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোতে এবং এই সময়টাতে শেখার কাজটি করতে হবে নিজেকেই। মুক্ত সোর্স প্রকল্পের ক্ষেত্রে অবদানই সব থেকে বড় পরিচয়। প্রকল্পগুলোতে ভালো ভাবে কাজ করার মাধ্যমে সুনাম বাড়বে এবং এটিই দক্ষতার একটি বড় পরিচয় হয়ে থাকবে। বিশেষ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিলেই যে সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে এমনটি নয়।

মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলোর ঠিকানা
সোর্সফোর্জ (www.sourceforge.net): তিন লক্ষেরও অধিক মুক্ত সোর্স প্রকল্প এখানে হোস্ট করা আছে। প্রোগ্রামারদের অন্যতম পছন্দের স্থান।
গুগল কোড(www.code.google.com): মুক্তসোর্স প্রকল্পগুলোকে সহায়তা করার লক্ষে গুগলের একটি প্রচেষ্টা। গুগল নিজেদের মুক্ত সোর্স প্রকল্পগুলো এখানে হোস্ট করার পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহাকারীদেরও এখানে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
কোডপ্লেক্স(www.codeplex.com): ওপেন সোর্স কমিউনিটির আরও একটি জনপ্রিয় স্থান। এটি মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে এটি তত্ত্বাবধায়ন করা হয়ে থাকে। নিজে শুরু করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কয়েক হাজার প্রকল্পের যেকোনোটিতেই সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে এখানে।

এগুলো ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড, মোজিলা, অ্যাপাচি, ফেডোরার মত বানিজ্যিক প্রকল্পসমূহে যুক্ত থেকে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

source:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-09-16/news/185948

Advertisements

উবুন্টু লাইভ(বুটেবল) ইউএসবি তৈরী করা


উবুন্টু বর্তমান সময়ের সবথেকে জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন। ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এটি ডাউলোড(www.ubuntu.com) করা যায়। ওয়েবসাইট থেকে যে ফাইলটি ডাউনলোড করা হয় সেটি এমন একটি ফাইল যে সেটি সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। উবুন্টু আইএসও সিডিতে বার্ণ করার পরই কেবল এটি ব্যবহার করা যায়। তবে কিছুদিন থেকে সিডিতে বার্ণ করা ছাড়াও পেনড্রাইভের মত ইউএসবি ড্রাইভ থেকে উবুন্টু লাইভ সিডির বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। ইনস্টল করা হয়েছে এমন উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেম থেকে লাইভ ইউএসবি ডিভাইস তৈরী করা যায়।  উবুন্টুতে বুটেবল ইউএসবি তৈরী করার জন্য Startup Disk Creator নামের সফটওয়্যার দেয়া থাকে সেটি ব্যবহার করেও এই ধরনের লাইভ ইউএসবি তৈরী করা যাবে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম থেকে লাইভ ইউএসবি ডিভাইস তৈরী করার জন্য “UNetbootin(http://unetbootin.sourceforge.net/)” নামের একটি সফটওয়্যার রয়েছে। মূলত উইন্ডোজের জন্য তৈরী করা হলেও লিনাক্সে ইনস্টলের উপযোগী সংস্করণও পাওয়া যায়। এই সফটওয়্যারের আরও একটি বিশেষত্ব হল এটি দিয়ে প্রায় সব ধরনের লিনাক্সের লাইভ ইউএসবি তৈরী করা যাবে ।

ইউএসবি থেকে বুট করতে হলে বিস্তারিত পড়ুন

ডাউনলোডের পর উবুন্টু ISO পরীক্ষা করা

উবুন্টু অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট থেকে সরাসরি ডাউনলোড করা যায়। .iso ফরম্যাটের একটি ফাইল ডাউনলোড করে  সিডিতে বার্ণ করে অথবা ইউএসবি ড্রাইভ বুটেবল হিসাবে ফরম্যাট করে সেটি থেকে ইনস্টল করা যাবে। এছাড়া উবুন্টু ডেক্সটপ সংস্করণটি ইনস্টল ছাড়াও লাইভ সিডি/ইউএসবি হিসাবে ব্যবহার করা যায়। একটি অপারেটিং সিস্টেমের প্রতিটি অংশই গুরুত্বপূর্ণ তাই ডাউনলোডের সময় কোন ত্রুটি থাকলে পরবর্তীতে ইনস্টল অথবা ব্যবহারের সময় অসুবিধা হবে। তবে সঠিকভাবে সম্পূর্ণ অংশ ডাউনলোড করা হয়েছে কিনা সেটি পরীক্ষা করা যায়। উইন্ডোজ অথবা লিনক্স থেকে পরীক্ষা করার পদ্ধতিটি নিচে দেখানো হল।


লিনাক্স থেকে পরীক্ষা করা


টারমিনাল (Application >> Accessories >> Terminal) ওপেন করুন এবং সেখান থেকে উবুন্টু আইএসওটি রাখা হয়েছে এমন ফোল্ডারে যান। যেমন ফাইলটি যদি ডেক্সটপে রাখা থাকে তবে টারমিনাল ওপেন বিস্তারিত পড়ুন

কম্পিউটার ব্যবহার করে মহাকাশ জানা

কম্পিউটার, ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে মহাকাশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা সম্ভব। আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি বছর উপলক্ষে গিগাগ্যালাক্সি (www.gigagalaxyzoom.org) ঠিকানার একটি ওয়েবসাইটে মহাবিশ্বের তিনটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে। আমাদের সৌরজগত্ যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার ছবি, পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থান থেকে স্পষ্ট দেখা যায় এমন ১৫টি অংশের আলাদা বর্ণনা এবং উচ্চ রেজুলেশনের ছবি দেওয়া হয়েছে। সমতলভাবে না দেখে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে www.sergebrunier.com/gallerie/pleinciel/360.swf ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাবে এসব ছবি। Stellarium (www.stellarium.org) একটি মুক্ত সফটওয়্যার, যেটি দিয়ে মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহনক্ষত্র দেখা যাবে। সফটওয়্যারটি চালু করার পর প্রথমে ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। ওই অবস্থান থেকে আকাশের কোনো দিকে তাকালে আকাশে সেই সময়ে যে নক্ষত্রগুলো থাকবে, সেটি দেখা যাবে। এবং এখানে প্রায় প্রতিটি নক্ষত্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অধিকাংশেরই কিছুটা বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আবার চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবীর অবস্থান কেমন থাকে, সেটিও জানা যাবে এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে। শুধু আকাশ দেখাই নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যার থেকে।
Celestia (www.shatters.net/celestia/index.html)
মহাকাশ দেখার আরও একটি সফটওয়্যার। অন্য সব সফটওয়্যারই পৃথিবী থেকে মহাকাশ কেমন দেখা যাবে সেটি দেখায়, তবে এখানে মহাকাশ থেকে এর অন্য অংশ কেমন দেখাবে, সেটি জানা যাবে। সফটওয়্যারের মেনুতে বিভিন্ন গ্রহ ভ্রমণ করে দেখার অপশন যুক্ত হয়েছে। http://www.celestiamotherlode.net/catalog/educational.php/ ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে এই সফটওয়্যারটির সঙ্গে ব্যবহার উপযোগী বেশ কিছু প্রোগ্রাম পাওয়া যাবে।
সফটওয়্যার ছাড়াও ইন্টারনেট থেকে অ্যাস্ট্রোনমি সম্পর্কে বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে। নাসা প্রতিদিন মহাকাশবিষয়ক একটি করে ছবি এবং সেটির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রকাশ করে থাকে। এসব ছবি দেখা বা নামিয়ে নেওয়া যাবে www.apod.nasa.gov/apod/archivepix.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। মহাকাশ বিষয়ক নানা তথ্যনিয়ে গুগলের ওয়েবসাইট হচ্ছে www.google.com/sky। সৌরজগত্, গ্যালাক্সি এবং বিভিন্ন সময় ধারণ করা মহাজাগতিক ঘটনার ছবি দেখা যাবে এখানে।
আর মহাবিশ্বের সব ধরনের খবর নিয়ে তৈরি আছে ইন্টারনেটের মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া। অ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে উইকিপিডিয়ায় একটি পোর্টাল তৈরি করা আছে। ওয়েব পোর্টালটির ঠিকানা http://en.wikipedia.org/wiki/Portal:Astronomy

ODF ফরম্যাটের ফাইল দেখুন মাইক্রোসফট অফিস থেকে

সবধরনের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরাই অফিস স্যুট ব্যবহার করেন। এমন বহু ব্যবহারকারী আছেন যারা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং পাওয়ার পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোন অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করেন না । তবে মাইক্রোসফট অফিস ছাড়াও আরও বেশ কিছু ভালোমানের অফিস স্যুট রয়েছে। যেমন ওপেন অফিস (openoffice.org)। ডিফল্ট ভাবে এটি ওয়ার্ড প্রসেসরে তৈরী ফাইলসমূহ .odt ফরম্যাটে সংরক্ষন করে। তবে odt ছাড়াও এটি দিয়ে doc ফরম্যাটের ফাইল তৈরী করা যায়। .odt আন্তর্জাতিক মুক্ত ডকুমেন্ট ফাইল ফরম্যাট হলেও এই ধরনের ফাইল সরাসরি মাইক্রোসফট অফিসে খোলা যায় না। তবে অন্য ফাইল খুলতে না পারা মাইক্রোসফট অফিসের নতুন কিছু নয়। যেমন docx ফাইল মাইক্রোসফটের তৈরী করা হলেও এটি ২০০৭ এর আগের কোন সংস্করণে পড়া যায় না।

মুক্ত ফরম্যাটের ডকুমেন্ট সমূহ মাইক্রোসফট অফিসের মাধ্যমে খোলার জন্য সান একটি প্লাগইন তৈরী বিস্তারিত পড়ুন

install xampp in ubuntu linux

উবুন্টুতে xampp ইনস্টল করার জন্য প্রথমে http://sourceforge.net/projects/xampp/files ঠিকানা থেকে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টলের উপযোগী সর্বশেষ সংস্করণটি ডাউলোড করে নিতে হবে।

xampp ফাইলটা যেখানে ডাউনলোড করা হয়েছে সেখান থেকে ফাইলটা /opt ফোল্ডারে এক্সট্রাক্ট করতে হবে । যদি ফাইলটা ডেক্সটপে থাকে তবে টারমিনাল ব্যবহার করে নিচের পদ্ধতি অনুযায়ী ইনস্টল করা যাবে

cd Desktop

এর পরের ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে ব্যবহারকারীরে সুপার ইউজার মোডে কাজ করতে হবে । এই মোড চালু করতে টারমিনালে লিখতে হবে বিস্তারিত পড়ুন

google chrome extensions

গুগল ক্রোম বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। সমসাময়িক ওয়েব ব্রাউজারগুলির তুলনায় বেশ কিছু দিক থেকেই এটি বেশ এগিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি গুগল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের জন্য এক্সটেনশন গ্যালেরী চালু করেছে।  এক্সটেনশন হল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজারের সাথে ব্যবহার উপযোগী অতিরিক্ত অ্যাপলিকেশন।  ক্যাটেগরী অনুযায়ী সহজেই প্রয়োজনীয় অ্যাডঅনটি পাওয়া যাবে এখানে। যদিও সাইটি পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ নয় , খুব অল্প দিন আগে পরীক্ষামূলকভাবে এটি তৈরী করা হয়েছে যার ফলে এখানে এক্সটেনশনের সংখ্যাও কিছুটা কম।  তবে প্রতিদিনই নতুন নতুন এক্সটেনশন যুক্ত করা হচ্ছে।

chrome.google.com/extensions নামের ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত পড়ুন