nasirkhn.com

ওয়ার্ডপ্রেসের এই ব্লগে অনেক দিন থেকেই কোনো লেখা পোস্ট করা হয় না।

সম্প্রতি সময়ে প্রকাশিত লেখাগুলো পড়তে পারেন আমার ওয়েবসাইট nasirkhn.com থেকে।

 

ধন্যবাদ

নাসির খান সৈকত

চিহ্ন দেখে নেটওয়ার্ক চিনুন

বর্তমানে দেশের বেশ কয়েকটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) নেটওয়ার্ক-সুবিধা দেওয়া শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় চালু হয়েছে থ্রিজি। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকলে সংযোগের ধরন অনুযায়ী G, E, H, 3G ইত্যাদি চিহ্ন মোবাইল ফোনসেটের নেটওয়ার্ক চিহ্নে দেখানো হয়ে থাকে। এগুলোর মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি কী হবে, সেটি বুঝতে পারা যায়। কোন চিহ্ন কী বোঝাচ্ছে, তা জেনে নেওয়া যাক।

 

জিপিআরএস: জেনারেল প্যাকেট রেডিও সার্ভিস। দ্বিতীয় প্রজন্ম বা টুজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ ধরনের নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মোবাইলে G আইকন দেখা যায়। বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ইন্টারনেট-সুবিধাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে ধীরগতির।

এজ (ইডিজিই—এনহ্যান্সড ডেটা রেটস ফর জিএসএম ইভাল্যুয়েশন)। এই প্রযুক্তি কখনো কখনো এনহ্যান্সড জিপিআরএস নামেও ব্যবহূত হয়। এটি থ্রিজির পূর্ববর্তী প্রযুক্তি এবং একে জিপিআরএসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। এই নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ২০০ কেবিপিএস গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। এই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মোবাইল ফোনে E আইকন দেখায়।

 

থ্রিজি: প্রযুক্তটি ইউএমটিএস (ইউনিভার্সাল মোবাইল টেলিকমিউনিকেশনস সিস্টেম) নামেও পরিচিত। এর মাধ্যমে ন্যূনতম ২০০ কেবিপিএস থেকে কয়েক এমবিপিএস গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। এই নেটওয়ার্ক 3G দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

 

এইচএসপিএ: হাই স্পিড প্যাকেট অ্যাকসেস। থ্রিজির পরবর্তী প্রযুক্তি এটি। কখনো কখনো এটি 3.5G অথবা 3.75G আইকনেও প্রকাশ করা হয়। এই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মোবাইলে H, H+, 3G+ ইত্যাদি আইকন দেখা যাবে। এইচএসপিএ নেটওয়ার্কে ১৬৮ এমবিপিএস গতিতে তথ্য নামানো যায়। এইচএসপিএ+ হচ্ছে এর পরের প্রযুক্তি।এতে সর্বোচ্চ ৩৩৭.৫ এমবিপিএস গতি পাওয়া সম্ভব।

 

First Published at Prothom Alo on November 22, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/79243

আসছে নতুন সার্চ ইঞ্জিন ‘স্পুটনিক’

মহাকাশ অভিযাত্রায় রাশিয়ার ‘স্পুটনিক’ মহাকাশযান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছিল। এবার একই নামের প্রকল্পের মাধ্যমে আরও একটি প্রতিযোগীর সূচনা হতে যাচ্ছে। এবারের প্রতিযোগিতা ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনের যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আছে অনেক আগে থাকেই। সম্প্রতি রাশিয়ার সরকারনিয়ন্ত্রিত টেলিকম অপারেটর রসটেলিকম স্পুটনিক নামের একটি সার্চ তৈরির প্রকল্প শুরু করেছে। এটি গুগল, এমনকি রাশিয়ার সর্বাধিক জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ‘ইনডেক্স’-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা হতে যাচ্ছে এই নতুন সার্চ ইঞ্জিনের। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার ফলে অস্থিতিশীল হয়ে গেছে নেদারল্যান্ডভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি। ইনডেক্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়া সেগালোভিচ এই বছরের জুলাই মাসে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
এর প্রতিক্রিয়ায় শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটেছে এই প্রতিষ্ঠানের, একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা গেছে। রাশিয়ার সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে ইনডেক্স মার্কেটে এগিয়ে আছে, এরপর রয়েছে গুগল, যা প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ব্যবহার করে থাকে। আর এই সময়ে ইনডেক্স কিছুটা অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে, তাই নতুন সার্চ ইঞ্জিন চালু করা হলে হয়তো ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করা কিছুটা সহজ হতে পারে। নতুন এই সার্চ ইঞ্জিন তৈরির জন্য রসটেলিকম ইতিমধ্যে প্রায় দুই কোটি টাকা খরচ করেছে, স্পুটনিকের সম্ভাব্য ওয়েব ঠিকানা হলো www.Sputnik.ru। ২০১৪ এর জানুয়ারিতে এটি চালু করা হতে পারে।
—ম্যাশএবল অবলম্বনে নাসির খান

 

Published at Prothom-alo http://www.prothom-alo.com/technology/article/55544

গুগল ট্রান্সলেটরে ছবি থেকে অনুবাদ

সম্প্রতি গুগল ট্রান্সলেটর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের একটি নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই সংস্করণের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, ছবিতে থাকা কোনো লেখা অ্যাপের মাধ্যমে অনুবাদ করা যাবে। নতুন সংস্করণের অ্যাপটি থেকে ছবি তোলা একটি অপশন রাখা হয়েছে। ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি অথবা আগে থেকে সংরক্ষণ করা কোনো ছবি এই ট্রান্সলেশন অ্যাপের মাধ্যমে অনুবাদ করা যাবে। গুগল ডক থেকে বেশ অনেক দিন আগে থেকেই ছবি থেকে লেখায় স্থানান্তর করার সুযোগটি রয়েছে। ট্রান্সলেশনের নতুন অ্যাপে এই বৈশিষ্ট্যটি আরও বর্ধিত আকারে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। গুগল ট্রান্সলেটরে যে সব ভাষা থেকে অনুবাদ করা যায় তার সবগুলো এখনই এখানে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে অন্তর্ভুক্ত করা ভাষাগুলোর মধ্যে রয়েছে ডাচ, জার্মান, তুর্কি, রাশিয়ান, পর্তুগিজ, পোলিশ, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ ইত্যাদি।
অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ জিঞ্জারব্রেড বা এর পরবর্তী কোনো সংস্করণ ইনস্টল করা রয়েছে এমন সব ফোন বা ট্যাব থেকেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। আর অনুবাদ করার কাজটি যেহেতু গুগলের মূল ইঞ্জিনের মাধ্যমে ব্যবহার করতে হবে, তাই এটি ব্যবহার করার সময় ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় হবে।
এর পাশাপাশি নতুন সংস্করণে স্পিচ ইনপুটের পদ্ধতিটি উন্নত করা হয়েছে, ফলে আঞ্চলিক পদ্ধতিতে উচ্চারণ করা হলেও মূল শব্দগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। হাতে লিখে ইনপুটের ক্ষেত্রেও জাপানি ভাষার মান উন্নয়ন করা হয়েছে।
—নাসির খান

Published at: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-18/news/282643

গুগল+ থেকে সরাসরি ওয়েবকাস্ট

গুগল+, সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই ওয়েব সেবাটি।শুরুর পর থেকেই যে বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রতি এখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তার একটি হলো গুগল প্লাস হ্যাংআউটস। গুগল প্লাস হ্যাংআউটসের মাধ্যমে একজন গুগল প্লাস ব্যবহারকারী তার সার্কেলের অন্য একজন ব্যবহারকারীর সঙ্গে ভিডিও চ্যাট, ফাইল আদান, স্ক্রিন শেয়ারসহ অন্যান্য আরও অনেক ধরনের অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ পাবে। আর এটি শুধু অপর একজন ব্যবহারকারীই নয়, সার্কেলের একাধিক বন্ধু অথবা একাধিক সার্কেলের সবার সঙ্গেই একই সঙ্গে হ্যাংআউটসে অংশগ্রহণ করা যায়। গুগল প্লাস চালু হওয়ার মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই মোবাইল থেকে এই হ্যাংআউটস সুবিধাটি ব্যবহার করার জন্য স্মার্টফোন অ্যাপ প্রকাশ করা হয় আর এ সুবিধা দেওয়া হয় মোবাইল ফোনের সংস্করণটিতেও।
হ্যাংআউটসের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলোর সঙ্গে প্রথম থেকেই আরও একটি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা চলছিল, আর সেটি হলো সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ ব্রডকাস্ট)। প্রথম দিকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর জন্য এটি উন্মুক্ত ছিল। বর্তমানে গুগল প্লাস হ্যাংআউটস অন এয়ার” নামের এই বিশেষ সুবিধাটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে গুগল প্লাসের সব ব্যবহারকারীর জন্য। হ্যাংআউটসের মূল কাজটি হলো অন্যান্য কিছু ব্যবহারকারী অথবা নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে হয়তো এমন কিছু ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ প্রয়োজন যারা নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর সার্কেলে নেই অথবা প্রয়োজন হতে পারে বহু সংখ্যক ব্যবহারকারীর সঙ্গে একই সময়ে যোগাযোগ করা। সে ক্ষেত্রে সাধারণ হ্যাংআউটসের মাধ্যমে এই কাজটি করা যাবে না। অন এয়ার হ্যাংআউটসে গুগল প্লাসের মাধ্যমে এই কাজ করা যাবে। অনএয়ার হ্যাংআউটসে যেকোনো ব্যবহারকারীই অংশগ্রহণ করতে পারে। এবং এখানে সাধারণ হ্যাংআউটসের অন্যান্য সুবিধাও পাওয়া যাবে।
পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার পর এই বিশেষ সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বিষয়ভিত্তিক পাঠদান, গেম শো, মিউজিক কনসার্টসহ আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে। গুগল প্লাস হ্যাংআউটস অন এয়ারের মাধ্যমে লাইভ ব্রডকাস্ট করার ক্ষেত্রে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো। আর এসব সুবিধাই গুগল প্লাসের ব্যবহারকারীরা বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।
* প্রতিটি অন এয়ার গুগল প্লাস হ্যাংআউটসের একটি নির্দিষ্ট নামে প্রকাশিত হয়। ফলে সেটি গুগল সার্চের মাধ্যমে অন্য যে কেউ দেখতে পারবে, একই সঙ্গে এটি গুগল প্লাস স্ট্রিমেও দেখা যায়।
* হ্যাংআউটসগুলো শুধু যে গুগল প্লাস প্রোফাইল বা স্ট্রিমে দেখা যাবে তা-ই নয়, লাইভস্ট্রিমগুলো একই সময়ে ব্যবহারকারীর ইউটিউব চ্যানেল বা অন্যান্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও দেখা যাবে।
* হ্যাংআউটসে মোট কতজন অংশগ্রহণ করেছে বা কতজন সরাসরি সেটি দেখছে এটি জানতে পারা যাবে অন এয়ার ব্রডকাস্ট প্যানেল থেকে।
* সরাসরি সম্প্রচারের সময় এটি রেকর্ড হতে থাকে এবং শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভিডিওটি ব্যবহারকারীর ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হয়। পাশাপাশি এটি গুগল প্লাসের মূল পোস্ট থেকেও দেখা যায়। ফলে লাইভ স্ট্রিমে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও পরবর্তী সময়ে এটি দেখা যাবে বা সেটি নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাওয়া যাবে। গুগল ব্লগ অবলম্বনে

published at : http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-06-01/news/262232

প্রোগ্রাম তৈরির জন্য কেমন ডেটাবেইস?

ডেস্কটপ কম্পিউটার, ওয়েব বা মোবাইল ফোনের উপযোগী অ্যাপলিকেশন বা প্রোগ্রাম তৈরির ক্ষেত্রে ডেটাবেইস গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অ্যাপলিকেশন নির্মাতা অথবা ডেটাবেইস প্রশাসকেরা (অ্যাডমিন) রিলেশনাল ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (আরডিবিএমএস) বিষয়টির সঙ্গে বেশ ভালোভাবেই পরিচিত। নিরাপদ ও সহজে তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহার করার সুযোগের কারণের মূলত এ ধরনের ডেটাবেইস পদ্ধতি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ ধরনের ডেটাবেইসে তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্ট্রাকচার্ড কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ (এসকিউএল) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
মাইএসকিউএল ও পোস্টগ্রে এসকিউএল জনপ্রিয় দুটি মুক্ত ডেটাবেইস। এগুলো ছাড়াও রয়েছে আরও অনেক মুক্ত ও বাণিজ্যিক ডেটাবেইস। ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পদ্ধতিগত পার্থক্য রয়েছে এগুলোতে। বিস্তারিত পড়ুন

অ্যান্ড্রয়েডে বাংলা লিখুন

মায়াবী কীবোর্ড অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম-চালি স্মার্টফোনে বাংলা লেখার একটি সফটয়্যার। এন্ড্রয়েড ২.১ এবং এর পরবর্তী সকল সংস্করনে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে অ্যান্ড্রয়েড সেটটিতে যদি বাংলা সমর্থন না করে তবে এটি দিয়ে বাংলা লেখা দেখা যাবে না। তাই ইনস্টল করার পূর্বে নিশ্চিত হয়ে নেয়া যেতে পারে। বাংলা সমর্থন করে কিনা সেটা পরীক্ষা করার সহজ পদ্ধতি হল অ্যান্ড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজার থেকে http://bn.wikipedia.org ঠিকানা ব্যবহার করে বাংলা উইকিপিডিয়া খোলা। যদি পাতাটিতে বাংলা লেখা পড়া যায় তবে সেটটি বাংলা সমর্থন করে। না হলে সেটে এই কীবোর্ডটি ব্যবহার করা যাবে না। এটি একটি ফ্রি অ্যাপ তাই অ্যান্ড্রয়েড মার্কেট থেকে বিনামূল্যে এটি ডাউনলোড করা যায়। ইনন্টল করার পর Settings>> Languages থেকে মায়াবী কীবোর্ড নির্বাচন করে বাংলা লেখার অপশনটি সক্রিয় করতে হবে। এই কীবোর্ড দিয়ে বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষাতেই লেখা যায়। ডিফল্ট হিসাবে সবসময় ইংরেজি নির্ধারন করা থাকে, বাংলা লেখার পূর্বে কীবোর্ড থেকে তাই বাংলা অপশনটি চালু করে নিতে হবে। এই ফ্রি অ্যাপলিকেশনটির প্রধান বৈশিষ্টগুলো হল, ফনেটিক পদ্ধতিতে বাংলা লেখা যায়, ইংশেজি কীবোর্ড রয়েছে, অতিরিক্ত হিসাবে বেশ কিছু স্লাইলি এবং চিহ্ন লেখার ব্যবস্থা রয়েছে। সম্প্রতি ফ্রি সংস্করনের পাশাপাশি মায়াবী কীবোর্ডের একটি প্রিমিয়াম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রি সংস্করনের বৈশিষ্টগুলোর সাথে এখানে অতিরিক্ত  বেশ কিছু অপশন যোগ করা হয়েছে। যেমন ফনেটিকের পাশাপাশি বাংলা লেখার জন্য ফিক্সড কীবোর্ড সংযোজন, ওয়ার্ড প্রিডিকশনের জন্য বাংলা এবং ইংরেজি অভিধান সংযোজন ইত্যাদি। এই সংস্করনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন বৈশিষ্ট হল, এন্ড্রয়েড সেট বাংলা সমর্থন না করলেও এই প্রিমিয়াম সংস্করনের অ্যাপটি ব্যবহার করে বাংলা লেখা যাবে।

মায়াবী কীবোর্ড সম্পর্কে আরও জানতে হলে www.mayabisoft.wordpress.com  দেখুন। ফ্রি সংস্করনের ডাউনলোড লিংক https://market.android.com/details?id=com.mayabi.mayabikeyboard  এবং প্রিমিয়াম সংস্করনটি পাওয়া যাবে https://market.android.com/details?id=com.mayabisoft.inputmethod.premium  ঠিকানায়।

 

প্রথম আলো, ২৭ জানুয়ারী ২০১২, পৃ৩০