অ্যান্ড্রয়েডের লুকানো ১০ টিপস

আন্তর্জাতিক স্মার্টফোন বাজারে অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। বর্তমানে প্রায় ৭৯ শতাংশ বাজার দখল করে আছে অ্যান্ড্রয়েড। মূল ইন্টারফেসসহ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন অংশ ব্যবহারকারী তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারে। পছন্দের ওয়ালপেপার বেছে নেওয়া, কন্টাক্ট লিস্টের ফোন নম্বরের সঙ্গে ছবি সংযোজন বা প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশনগুলোর শর্টকাট প্রথম পাতায় নিয়ে আসার মতো বৈশিষ্ট্যগুলো নতুন ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করছে। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের লুকানো কিছু টিপস রয়েছে,যেগুলো অনেক কাজ সহজে করে দেবে।সূত্র: ইনফরমেশন উইক

অফলাইন গুগল ম্যাপ

অ্যান্ড্রয়েডের সঙ্গে গুগল ম্যাপস অ্যাপটি ইনস্টল করাই থাকে। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে সরাসরি মানচিত্র দেখা যায়। তবে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও মানচিত্র দেখতে চাইলে আগে থেকেই নামিয়ে রাখতে পারেন। ফলে পরবর্তী সময়ে ওই নির্দিষ্ট এলাকার মানচিত্র দেখার সময় নতুন করে আর ম্যাপস নামবে না এবং ইন্টারনেট সংযোগ নেই, এমন জায়গা থেকেও ব্যবহার করা যাবে মানচিত্র।

গুগল ম্যাপস অ্যাপের পুরোনো সংস্করণে Make this map area available offline নামের অপশন পাওয়া যাবে। ম্যাপস অ্যাপের নতুন সংস্করণে এই অপশনটি মূল মেন্যু থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন যে অংশের মানচিত্র অফলাইন হিসেবে নামিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেই অংশপর্যন্ত জুম (বড় করে দেখা) করে সার্চ বক্সে ‘OK Maps’ লিখলে ম্যাপের ওই ওই অংশটি অফলাইন হিসেবে সংরক্ষিত হবে।

দরকার যখন তখন শুধু থ্রিজি

বর্তমানে প্রায় সব মোবাইল ফোন সেবাদাতা থ্রিজি নেটওয়ার্ক সুবিধা চালু করছে। প্রাথমিকভাবে এই সুবিধাটি নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক দেওয়া হচ্ছে। ফলে ওই নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে থ্রিজি সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না, কিন্তু তার পরও যদি সব সময় থ্রিজি অপশন চালু থাকে, তবে এটি থ্রিজি সংযোগ খুঁজবে, দ্রুত মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেটিংস থেকে শুধু জিএসএম সার্ভিস চালু রাখতে হবে এবং কেবল নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই থ্রিজি চালু রাখা উচিত।

লকস্ক্রিনে ব্যবহারকারীর তথ্য

সাধারণ নিরাপত্তার জন্য অ্যান্ড্রয়েডে লকস্ক্রিনে অপশনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যক্তিগত পরিচিতি নম্বর (পিন), নিরাপত্তাসংকেত, বিশেষ প্যাটার্নের মাধ্যমে এই লক ব্যবহার করা যায়। তবে ফোনটি যদি কোথাও হারিয়ে ফেলেন এবং যিনি এটি পেয়েছেন, তিনি ওই ব্যবহারকারীকে ফেরত দিতে চাইলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার কোনো নম্বর দেখতে পারবেন না, কারণ ফোনটি লক করা আছে। অ্যান্ড্রয়েডের ৪.১ এবং এর পরবর্তী সংস্করণগুলোতে লকস্ক্রিনে ব্যবহারকারীর তথ্য লিখে রাখার সুবিধা যোগ করা হয়েছে। Security> Screen security থেকে Owner info সক্রিয় করা যাবে।

অভিধানে শব্দ যোগ

নিয়মিত ই-মেইল, এসএমএস লেখার সময় অনেক ক্ষেত্রেই এমন অনেক শব্দ লিখতে হয়, ফোনে থাকা অভিধানে নেই। আবার হয়তো অনেক মানুষের নাম লিখতে হচ্ছে, যেগুলো অভিধানে থাকার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু প্রয়োজন হলে এই শব্দগুলো অভিধানে যুক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। অভিধানে নেই এমন শব্দগুলোর ওপর দীর্ঘক্ষণ ক্লিক করে রাখলে সেটি অভিধানে যোগ করার অপশন দেখাবে এবং পরবর্তী সময় থেকে ওই শব্দ লেখার সময় অভিধান থেকেই পরামর্শ দেওয়া হবে।

কত ডেটা ব্যবহার করা হলো?

মোবাইলে সবাই যে অসীম ইন্টারনেট ব্যবহারের (আনলিমিটেড) প্যাকেজ নেন, এমন নয়। নির্দিষ্ট একটি প্যাকেজ ব্যবহার শুরু করার পর হঠাৎ যদি সেটি শেষ হয়ে যায়, তবে ব্যবহারকারীর জন্য অসুবিধার কারণ হয় দাঁড়ায়। তবে মোবাইলে কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্দিষ্ট একটি সীমানা অতিক্রম করার পর ব্যবহারকারীকে সতর্কবার্তা দেখানোর অপশন রয়েছে। Settings>My Network>Data usage পাতা থেকে ডেটা ব্যবহার ও মনিটর করা যায় এবং সতর্কবার্তা দেখানোর বিষয়টিও এখানে নির্ধারণ করা যায়। অ্যান্ড্রয়েডের পুরোনো সংস্করণগুলোতে এই অপশনটি নাও থাকতে পারে, সে ক্ষেত্রে গুগল প্লে থেকে ডেটা মনিটর অ্যাপ নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

ফেবারিট কন্টাক্ট

নিয়মিত কাজে লাগে, এমন কন্টাক্টগুলো ফেবারিট হিসেবে সংরক্ষণ করার সুবিধা রয়েছে। ফেবারিট কন্টাক্টগুলো আলাদা একটা গ্রুপ হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই কন্টাক্টগুলো হোম স্ক্রিনে দেখানোর সুবিধাও রয়েছে।

ক্যামেরা অ্যাপ থেকে কুইক রিভিউ

মোবাইলের ক্যামেরা সেটিংস থেকে কুইক রিভিউ অপশন বন্ধ থাকলেও খুব সহজেই ক্যামেরা অ্যাপ চালু করার পর আগের তোলা ছবিগুলো দেখা যায়। ক্যামেরা অ্যাপ স্ক্রিনের ওপরের বা নিচের কোণে এই প্রিভিউ অপশন থাকে। প্রথমবার ক্লিক করা হলে সর্বশেষ ছবিটি দেখা যাবে এবং এরপর ডানে গেলেআগের ছবিগুলো দেখতে পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে একাধিক ছবি দেখার অপশনও রয়েছে এই প্রিভিউ পাতায়।

স্ক্রিনশট নেওয়া

অ্যান্ড্রয়েড জেলিবিন এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে স্ক্রিনশট নেওয়ার সুবিধা আছে। এ জন্য স্ক্রিনলক বাটন এবং ভলিউম ডাউন বাটন একসঙ্গে চাপে ধরে রাখতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো স্ক্রিনে কোনো শাটার ক্লিক দেখা যায়। স্ক্রিনশট নেওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি গ্যালারির একটি ফোল্ডারে সংরক্ষিত হতে থাকবে।

তথ্য সংরক্ষণ

বর্তমানে অ্যান্ড্র্রয়েড ফোনগুলোতে তথ্য রাখার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা (ইন্টারনাল স্টোরেজ) থাকে। একই সঙ্গে আলাদা মেমোরি কার্ড ব্যবহারেরও সুবিধা রয়েছে। তাই তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এটি পেনড্রাইভের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

দ্রুত মেসেজ পাঠানো

অ্যান্ড্রয়েড ৪.০ এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে যখন কোনো কল আসে, তখন ফোন রিসিভ করার অপশনের সঙ্গে এসএমএস পাঠানোর একটি অপশনও দেখানো হয়। এখানে আগে থেকেই লিখে রাখা কিছু বার্তা পাঠানো যায়। হয়তো ব্যবহারকারী সভায় আছেন এবং ওই সময়ে তার ওই ফোন কল ধরা সম্ভব নয়। এমন সময়ে এই বার্তাগুলো ব্যবহার করে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া যায়। এই বার্তায় কী লেখা থাকবে, সেটি নির্ধারণ করা যাবে Phone>Settings>Quick Responses অথবা Settings>Call settings>Reject call with message মেন্যু থেকে।

সূত্র: ইনফরমেশন উইক

— নাসির খান

 

First published at Prothom Alo on November 22, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/79237

চিহ্ন দেখে নেটওয়ার্ক চিনুন

বর্তমানে দেশের বেশ কয়েকটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) নেটওয়ার্ক-সুবিধা দেওয়া শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় চালু হয়েছে থ্রিজি। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকলে সংযোগের ধরন অনুযায়ী G, E, H, 3G ইত্যাদি চিহ্ন মোবাইল ফোনসেটের নেটওয়ার্ক চিহ্নে দেখানো হয়ে থাকে। এগুলোর মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি কী হবে, সেটি বুঝতে পারা যায়। কোন চিহ্ন কী বোঝাচ্ছে, তা জেনে নেওয়া যাক।

 

জিপিআরএস: জেনারেল প্যাকেট রেডিও সার্ভিস। দ্বিতীয় প্রজন্ম বা টুজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ ধরনের নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মোবাইলে G আইকন দেখা যায়। বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ইন্টারনেট-সুবিধাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে ধীরগতির।

এজ (ইডিজিই—এনহ্যান্সড ডেটা রেটস ফর জিএসএম ইভাল্যুয়েশন)। এই প্রযুক্তি কখনো কখনো এনহ্যান্সড জিপিআরএস নামেও ব্যবহূত হয়। এটি থ্রিজির পূর্ববর্তী প্রযুক্তি এবং একে জিপিআরএসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। এই নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ২০০ কেবিপিএস গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। এই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মোবাইল ফোনে E আইকন দেখায়।

 

থ্রিজি: প্রযুক্তটি ইউএমটিএস (ইউনিভার্সাল মোবাইল টেলিকমিউনিকেশনস সিস্টেম) নামেও পরিচিত। এর মাধ্যমে ন্যূনতম ২০০ কেবিপিএস থেকে কয়েক এমবিপিএস গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। এই নেটওয়ার্ক 3G দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

 

এইচএসপিএ: হাই স্পিড প্যাকেট অ্যাকসেস। থ্রিজির পরবর্তী প্রযুক্তি এটি। কখনো কখনো এটি 3.5G অথবা 3.75G আইকনেও প্রকাশ করা হয়। এই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকলে মোবাইলে H, H+, 3G+ ইত্যাদি আইকন দেখা যাবে। এইচএসপিএ নেটওয়ার্কে ১৬৮ এমবিপিএস গতিতে তথ্য নামানো যায়। এইচএসপিএ+ হচ্ছে এর পরের প্রযুক্তি।এতে সর্বোচ্চ ৩৩৭.৫ এমবিপিএস গতি পাওয়া সম্ভব।

 

First Published at Prothom Alo on November 22, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/79243

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (শেষ পর্ব)

ছবি সংরক্ষণ
উচ্চ রেজল্যুশনের ছবিগুলো সবসময় একটি নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। কিছু ছবি ফেসবুকে, কিছু ফ্লিকারে, কিছু নিজের সাইটে বা অন্য কোথাও—এভাবে সংরক্ষণ না করে কোনো একটি জায়গায় রাখা উচিত। ইন্টারনেটে ড্রপবক্স, কপি বা গুগলড্রাইভ—যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন ছবি রেখে দেওয়ার জন্য।

ছবি অনলাইনে আপলোড না করা
অনলাইনে ছবি আপলোড না করা চুরি ঠেকানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি হতে পারে। এমন অনেক আলোকচিত্রী আছেন, যাঁরা অনলাইনে ছবি প্রকাশ করেন না। শুধু প্রদর্শনী বা নিজের অনলাইন গ্যালারি ছাড়া অন্য কোথাও তাঁর ছবি রাখেন না।
এ লেখায় ধারাবাহিকভাবে যে কয়টি পদ্ধতির উল্ল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো প্রয়োগ করলেই যে ছবি চুরি রোধ করা যাবে, এমন নয়। দক্ষ ওয়েব প্রোগ্রামার হলে তিনি সংকেত (কোড) বা ফিল্টার সরিয়ে মূল ছবিটি নামিয়ে নিতে পারবেন। আর স্ক্রিনশট বা স্ক্রিন ক্যাপচার করার সুযোগ তো থাকছেই। জলছাপ অপসারণের পদ্ধতিও বেশ কঠিন কিছু না। তার পরও অনলাইনে আপলোড করার নিচের কাজগুলো করা হলে অনেকাংশেই এটি চুরি রোধ করা সম্ভব,

  • ছবিতে জলছাপ ব্যবহার করা
  • কপিরাইট ট্যাগ যোগ করা
  • ৬০০পিক্সেলের বড় আকারের ছবি আপলোড না করা।

—নাসির খান

First Published at Prothom Alo on November 03, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/64783

 

 

 

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-১)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part1/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-২)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part2/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৩)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part3/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৪)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part4/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৩)

কপ্রেসড বা কম রেজ্যুলেশনে ছবি প্রকাশ
আপনি যদি বড় আকারের কোনো ছবি ইন্টারনেটে প্রকাশ করতে চান, তবে উচ্চ রেজ্যুলেশনের ছবি এড়িয়ে যান। ফটোশপসহ অন্য প্রায় সব ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যারে ছবি কমপ্রেসড (JPG/JPEG) ফরম্যাটে পরিবর্তন করা যায়।
ইন্টারনেটে সাধারণত প্রতি ইঞ্চিতে ৭২ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ছবি ব্যবহার করা হয়। তাই ছবি কমপ্রেস করার পাশাপাশি রেজ্যুলেশনও ৭২ রাখা যেতে পারে। ছবিতে

জলছাপ ব্যবহার করা
ছবি চুরি রোধের এই পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত। ছোট আকারের ছবির ক্ষেত্রে জলছাপ কোনো একটি কোণে দেওয়া যেতে পারে। আর ছবির আকার কিছুটা বড় হলে সেই অনুপাতে বড় আকারের জলছাপ ব্যবহার করা উচিত। এটি এমনভাবে বসাতে হবে, যেন ছবিটির বড় একটি অংশজুড়ে এটি থাকে। ফটোশপ, লাইটরুম বা অন্য প্রায় সব ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যারে ছবিতে জলছাপ যুক্ত করার অপশন পাওয়া থাকে।
এ ছাড়া নিয়মিত ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন আকারের জলছাপ আগে থেকেই তৈরি করে রাখা যেতে পারে। পরবর্তীকালে সেটি ছবিতে যুক্ত করে প্রকাশ করা যায়। জলছাপ তৈরির সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সেটি যেন PNG ফরম্যাটে সংরক্ষণ করা হয় এবং পটভূমি স্বচ্ছ থাকে। (চলবে)
—নাসির খান

First published at Prothom alo on November 1, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/62896

 

 

 

 

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-১)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part1/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-২)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part2/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৩)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part3/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৪)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part4/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-২)

ওয়েবসাইটে বিশেষ সংকেত ব্যবহার করা

ওয়েবসাইট থেকে কপি বা ডাউনলোড বন্ধ করার জন্য অনেকে বিশেষ বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকেন।

  • মাউসের ডান বাটন অকার্যকর করে রাখা: ওয়েবসাইটের ছবির ওপর মাউসের ডান ক্লিক করে ওই ছবিটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা যায়। তাই অনেকেই তাঁর নিজের ওয়েবসাইটে মাউসের ডান ক্লিক সুবিধা অকার্যকর করে রাখেন।
  • মূল ছবিটি একাধিক অংশে বিভক্ত করা: ওয়েবসাইটে রাখার জন্য আপলোডের আগে অনেকে মূল ছবিটি একাধিক অংশে বিভক্ত করে এবং ওয়েবসাইটে এমনভাবে প্রকাশ করা হয় যে সেখানে আলাদা অংশগুলো থেকে একটি সম্পূর্ণ ছবি দেখা যায়। কিন্তু ডাউনলোডের চেষ্টা করা হলে তখন আবার ছবিটি আলাদা টুকরো হিসেবে সংরক্ষিত হবে।
  • সিএসএস পটভূমি: নিরাপত্তার আরও একটি পদ্ধতি হলো, মূল ছবির আকারের একটি স্বচ্ছ ছবি ব্যবহার করা এবং সিএসএস ব্যবহার করে মূল ছবিটি প্রদর্শন করা। এর ফলে মাউসের ডান ক্লিক করে সংরক্ষণ করা হলে ওই স্বচ্ছ ছবিটি ডাউনলোড হবে। ওয়েবসাইটের উৎস থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড ছবিটি সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে।

ছোট আকারের ছবি
অনলাইনে এমন ছোট আকারে ছবি রাখা যেতে পারে, যেগুলো অন্যদের খুব বেশি কাজে লাগবে না। ৪০০ পিক্সেল থেকে ৬০০ পিক্সেল মাপে ছবি প্রকাশ করা যেতে পারে। এই মাপের ছবি থেকে ছবিটি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা পাওয়া যাবে, আর কেউ যদি আরও আগ্রহী হয়ে থাকেন, তবে তিনি হয়তো ছবিটির জন্য আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
মনে রাখবেন, ওয়েবসাইটে এইচটিএমএল সংকেত ব্যবহার করে মূল ছবি বিভিন্ন আকারে দেখানো যায়। কিন্তু এর ফলে মূল ছবিটির আকার পরিবর্তিত হয় না। তাই আপলোড করার আগে ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার দিয়ে আকার পরিবর্তন করুন। (চলবে) —নাসির খান

First published at Prothom alo on October 31, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/61261

 

 

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-১)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part1/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-২)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part2/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৩)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part3/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৪)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part4/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-১)

অনলাইনে যাঁরা ছবি ছেড়ে দেন বা শেয়ার করেন, তাঁরা সব সময়ই একটি ভয়ে থাকেন যে তাঁর প্রকাশ করা (আপলোড) ছবিটি অন্য কেউ চুরি করে ব্যবহার করতে পারেন। আর এ ধরনের ঘটনা একেবারে যে হচ্ছে না, সেটিও বলা যাবে না। আলোকচিত্র-সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রুপে নিয়মিতভাবে এ ধরনের ঘটনার কথা জানা যায়। কখনো অপর ব্যক্তি ছবিটি নিজের নামে প্রকাশ করেন, আবার কখনো কখনো অপরের ছবি অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করছেন—এমন উদাহারণও প্রচুর।
তবে বিশেষ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে এই চুরির হার কিছুটা কমানো যেতে পারে।

ছবির স্বত্ব বা কপিরাইট উল্লেখ করা
অনলাইনে ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হবে, সেটি হলো ছবিটি কী ধরেন লাইসেন্সে প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটি উল্লেখ করা। ব্যক্তিগত, সামাজিক যোগাযোগের সাইট বা অনলাইন, অন্য যেখানেই ছবিটি প্রকাশ করা হোক না কেন লাইসেন্স উল্লেখ করা জরুরি। ব্যক্তিগত সাইটে আপলোড করা হলে স্বত্ব-সংক্রান্ত তথ্য যোগ করতে হবে।অন্য কোথাও আপলোড করা হলে সেই সাইটের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এই সংযোজন করুন।
অনেকে কপিরাইট-সংক্রান্ত তথ্যগুলো ছবির ওপরে কোনো অংশে যোগ করে দেন। সাধারণ কপিরাইটের ক্ষেত্রে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বা Copyright {year} All Rights Reserved—কথাটি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি আইনি নোটিশ। যাঁরা ছবিটি দেখছেন, তাঁরা এই নোটিশ মেনে চলবেন। (চলবে)
—নাসির খান

First published at Prothom alo on October 30, 2013

http://www.prothom-alo.com/technology/article/60358/

 

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-১)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part1/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-২)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/03/protect-your-photo-online-part2/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৩)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part3/

অনলাইনে ছবি চুরি রোধের উপায় (পর্ব-৪)

https://nasir8891.wordpress.com/2013/11/04/protect-your-photo-online-part4/