কম্পিউটার ব্যবহার করে মহাকাশ জানা

কম্পিউটার, ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে মহাকাশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা সম্ভব। আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি বছর উপলক্ষে গিগাগ্যালাক্সি (www.gigagalaxyzoom.org) ঠিকানার একটি ওয়েবসাইটে মহাবিশ্বের তিনটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে। আমাদের সৌরজগত্ যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার ছবি, পৃথিবীর বিভিন্ন অবস্থান থেকে স্পষ্ট দেখা যায় এমন ১৫টি অংশের আলাদা বর্ণনা এবং উচ্চ রেজুলেশনের ছবি দেওয়া হয়েছে। সমতলভাবে না দেখে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে www.sergebrunier.com/gallerie/pleinciel/360.swf ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাবে এসব ছবি। Stellarium (www.stellarium.org) একটি মুক্ত সফটওয়্যার, যেটি দিয়ে মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহনক্ষত্র দেখা যাবে। সফটওয়্যারটি চালু করার পর প্রথমে ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। ওই অবস্থান থেকে আকাশের কোনো দিকে তাকালে আকাশে সেই সময়ে যে নক্ষত্রগুলো থাকবে, সেটি দেখা যাবে। এবং এখানে প্রায় প্রতিটি নক্ষত্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অধিকাংশেরই কিছুটা বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আবার চন্দ্র বা সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবীর অবস্থান কেমন থাকে, সেটিও জানা যাবে এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে। শুধু আকাশ দেখাই নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যার থেকে।
Celestia (www.shatters.net/celestia/index.html)
মহাকাশ দেখার আরও একটি সফটওয়্যার। অন্য সব সফটওয়্যারই পৃথিবী থেকে মহাকাশ কেমন দেখা যাবে সেটি দেখায়, তবে এখানে মহাকাশ থেকে এর অন্য অংশ কেমন দেখাবে, সেটি জানা যাবে। সফটওয়্যারের মেনুতে বিভিন্ন গ্রহ ভ্রমণ করে দেখার অপশন যুক্ত হয়েছে। http://www.celestiamotherlode.net/catalog/educational.php/ ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে এই সফটওয়্যারটির সঙ্গে ব্যবহার উপযোগী বেশ কিছু প্রোগ্রাম পাওয়া যাবে।
সফটওয়্যার ছাড়াও ইন্টারনেট থেকে অ্যাস্ট্রোনমি সম্পর্কে বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে। নাসা প্রতিদিন মহাকাশবিষয়ক একটি করে ছবি এবং সেটির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রকাশ করে থাকে। এসব ছবি দেখা বা নামিয়ে নেওয়া যাবে www.apod.nasa.gov/apod/archivepix.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। মহাকাশ বিষয়ক নানা তথ্যনিয়ে গুগলের ওয়েবসাইট হচ্ছে www.google.com/sky। সৌরজগত্, গ্যালাক্সি এবং বিভিন্ন সময় ধারণ করা মহাজাগতিক ঘটনার ছবি দেখা যাবে এখানে।
আর মহাবিশ্বের সব ধরনের খবর নিয়ে তৈরি আছে ইন্টারনেটের মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া। অ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে উইকিপিডিয়ায় একটি পোর্টাল তৈরি করা আছে। ওয়েব পোর্টালটির ঠিকানা http://en.wikipedia.org/wiki/Portal:Astronomy

ODF ফরম্যাটের ফাইল দেখুন মাইক্রোসফট অফিস থেকে

সবধরনের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরাই অফিস স্যুট ব্যবহার করেন। এমন বহু ব্যবহারকারী আছেন যারা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং পাওয়ার পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোন অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করেন না । তবে মাইক্রোসফট অফিস ছাড়াও আরও বেশ কিছু ভালোমানের অফিস স্যুট রয়েছে। যেমন ওপেন অফিস (openoffice.org)। ডিফল্ট ভাবে এটি ওয়ার্ড প্রসেসরে তৈরী ফাইলসমূহ .odt ফরম্যাটে সংরক্ষন করে। তবে odt ছাড়াও এটি দিয়ে doc ফরম্যাটের ফাইল তৈরী করা যায়। .odt আন্তর্জাতিক মুক্ত ডকুমেন্ট ফাইল ফরম্যাট হলেও এই ধরনের ফাইল সরাসরি মাইক্রোসফট অফিসে খোলা যায় না। তবে অন্য ফাইল খুলতে না পারা মাইক্রোসফট অফিসের নতুন কিছু নয়। যেমন docx ফাইল মাইক্রোসফটের তৈরী করা হলেও এটি ২০০৭ এর আগের কোন সংস্করণে পড়া যায় না।

মুক্ত ফরম্যাটের ডকুমেন্ট সমূহ মাইক্রোসফট অফিসের মাধ্যমে খোলার জন্য সান একটি প্লাগইন তৈরী বিস্তারিত পড়ুন

ম্যাসেঞ্জার থেকে ফেসবুক চ্যাট [pidgin.im]

ইন্টারনেটে তাত্ক্ষণিক বার্তা আদানপ্রদানের যে সফটওয়্যারগুলো (মেসেঞ্জার) আছে, সেসবেরই প্রায় সবগুলোর কাজই করা যাবে পিজিন (www.pidgin.im) থেকে। ইয়াহু, এমএসএন, গুগলটকের মতো জনপ্রিয় প্রায় সব মেসেঞ্জারের বিকল্প হিসেবেই এটি ব্যবহার করা যায়। পিজিনের বিশেষ সুবিধা হলো, এটিতে একই সঙ্গে একাধিক অ্যাকাউন্টে ঢুকে বার্তা আদানপ্রদান করা যায়।যেমন—ইয়াহু, গুগল বা এমএসএনের একাধিক অ্যাকাউন্ট একই সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে এখানে। সেই সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে ফেসবুকের চ্যাট অপশনটিও। পিজিনে এমনিতে ফেসবুক চ্যাটের সুবিধা সরাসরি না থাকলেও ছোট একটি প্রোগ্রামের (প্লাগইন) মাধ্যমে এটি ব্যবহার করা যাবে। উইন্ডোজ বা লিনাক্স দুই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টল করা যাবে এই প্রোগ্রামটি।
এটি পাওয়া যাবে http://code.google.com/p/pidgin-facebookchat ঠিকানার ওয়েবসাইটে।ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের উপযোগী সংস্করণটি নামিয়ে সেটি ইনস্টল করে নিতে হবে।
ইনস্টল করার পর পিজিন চালু করতে হবে। Accounts>>Manage Accounts নির্বাচন করলে নতুন অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার অপশন পাওয়া যাবে। সেখানে অফ বাটনটি চাপলে অ্যাকাউন্ট যোগ করার একটি উইন্ডো দেখা যাবে। এখানে অ্যাকাউন্টের ধরন, ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড লিখতে হয়। ফেসবুক চ্যাট চালু করার জন্য এই উইন্ডোতে Protocol-এর পাশে Facebook এবং Username, Password-এর স্থানে ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড লিখতে হবে। মেসেঞ্জার থেকেই ফেসবুকের স্ট্যাটাস পরিবর্তন করা যাবে। Accounts থেকে Facebook অ্যাকাউন্টটিতে ক্লিক করা হলে Set Facebook status নামের অপশনটি পাওয়া যাবে।

অফিস ২০০৭-এর ফাইল খুলুন আগের অফিসে

মাইক্রোসফটের অফিস ২০০৭এ বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ছাড়াও এটি দিয়ে তৈরি করা ফাইলের ধরন কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে। যেমন, ডকুমেন্ট ফাইলের ক্ষেত্রে এটি আগের *.doc ফাইলের পরিবর্তে *.docx এক্সটেনশনের ফাইল তৈরি করে থাকে। তবে এ ধরনের ফাইলগুলো মাইক্রোসফট অফিসের আগের সংস্করণে খোলা যায় না। এই ফরম্যাটের ফাইল খোলার বেশ কিছু বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে। এর ফলে অফিস ২০০৭ সংস্করণের সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা না থাকলেও ওই সব ফাইল খোলা যাবে এবং প্রয়োজনে সম্পাদনার কাজটিও করে নেওয়া যাবে।
এ ফাইলগুলো খুলতে অফিস ২০০৩, অফিস এক্সপির মতো অফিস ২০০৭এর আগের সংস্করণগুলোয় .docx ফরম্যাটের ফাইল খোলার জন্য মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে মাইক্রোসফট কমপিটিবিলিটি প্যাক নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। www.microsoft.com/downloads/ details.aspx?FamilyId=941B3470-3AE9-4AEE-8F43-C6BB74CD1466&displaylang=en ঠিকানার ওয়েবসাইট বিস্তারিত পড়ুন

Firefox Addon — Auto Hide Statusbar

ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজারের নিচের দিকে স্ট্যাটারবার নামে একটি অংশ থাকে। কোন পাতা লোড হওয়া, লিংকের উপর মাউস পয়েন্টার রাখলে বা কোন কিছু ডাউনলোড হওয়ার সময় কতটুকু কাজ হয়েছে তা এখানে দেখা যায়। শুধু এই নির্দিষ্ট সময়টুকু ছাড়া আর কখন এটি কাজ না করলেও অনেকটা অংশ দখল করে রাখে। ফায়ারফক্সের একটি অ্যাডঅন ব্যবহার করে এই স্ট্যাটাস বারটি সব সময়ের জন্য অথবা কাজ হচ্ছে না এমন সময় গুলিতে বন্ধ করে রাখা যায়।

autoHideStatusbar নামের এই অ্যাডঅনটি ইনস্টল করার পর স্ট্যাটাস বারটি বন্ধ হয়ে যাবে । তবে যদি নির্দিষ্ট সময় জন্য এটি চালু রাখার অপশনটি পাওয়া যাবে অ্যাডঅনটির Preferences উইন্ডোতে। আগের অবস্থায় ফিরে আসার অপশনও আছে। কোন পাতা লোড হওয়ার সময়, ডাউনলোড বা বিস্তারিত পড়ুন

অফলাইনে থেকেই দেখুন ফেসবুকের অনলাইন বন্ধুদের

ইয়াহু, এমএসএন বা জিমেইলের মত মেসেঞ্জারে অবস্থা Available থেকে Away, Invisible, বা অফলাইন এ পরিবর্তন করা যায়। চ্যাটা করার সময় এগুলি ব্যবহার করে বিশেষ কিছু সুবিধাও পাওয়া যায়। যেমন Invisible মোডে থাকার সময় আপনি অনলাইনে থেকে অন্যদের অবস্থা দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু অন্যরা বুজতে পারবে না যে আপনি অনলাইনে রয়েছেন। কারণ এই মোডে রয়েছে এমন কোন ব্যবহারকারীকে অন্যান্য ব্যবহারকরীরা অফলাইন হিসাবে দেখতে পায়। ফেসবুক এ চ্যাট করার সময় এমন কোন অপশন পাওয়া যায় না। এখানে কেবলমাত্র অনলাইন এবং অফলাইন নামে দুটি মোড থাকে। অনলাইনে থাকলে সবাই আপনাকে দেখতে পারবে এবং অফলাইনে থাকলে চ্যাট অপশনটি ব্যবহার করা যায় না। ফেসবুকের Online Now (http://www.facebook.com/apps/application.php?id=29197096351) অ্যাপলিকেশনটি Invisible মোড এর মত কাজ করে। এটি ব্যবহার করে অফলাইনে থাকা কোন ব্যবহারকারী সহজেই জানতে পারবেন অন্য কোন ব্যবহারকারী বিস্তারিত পড়ুন