মাইক্রোসফটের নতুন ফ্রী এন্টিভাইরাস

গতকাল মাইক্রোসফট তাদের নতুন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সকলের ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করেছে। Microsoft Security Essentials নামের এই প্রোগ্রামটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভিত্তিক কম্পিউটারগুলিকে ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, ট্রোজান এর মত ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করবে। ভাইরাস ডাটাবেজ নিয়মিত আপডেট করার মাধ্যমে এটি জনপ্রিয় অন্যান্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মত উচ্চমানের নিরাপত্তা দিতে পারবে বলে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে । মাইক্রোসফটের নিয়মিত নিরাপত্তা আপডেট প্যাকেজ ছাড়াও এটি নিজে থেকেই অন্যান্য নিরাপত্তা প্যাচ এর মাধ্যমে ডাটাবেজ আপডেট করতে পারবে। ইনস্টল করার পরই সংস্ক্রিয় আপডেট করার পদ্ধতিটি চালু হয়ে যাবে ফলে প্রতিবার ডাউনলোডের আগে আপনাকে কোন ধরনের বিরক্ত করবে না এটি।


মাইক্রোসফট নিজের উদ্যেগেই তাদের ব্যবহারকরীদের জন্য বিনামূল্যে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহারের সুবিধা করে দিচ্ছে। বর্তমানে এটি মোট ৮টি ভাষায় ১৯টি দেশের গ্রাহকরা ব্যবহারের সুবিধা পাবে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে http://www.microsoft.com/security_essentials ওয়েবসাইট থেকে।


বানিজ্যিকভাবে পরিচালিত মাইক্রোসফটের Live One Care এর বিকল্প হিসাবে ব্যবহার উপযোগী এটি। এবং অনেক ক্ষেত্রেই এটি বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে নতুন এই এন্টিভাইরাস থেকে। ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে সহজেই ব্যবহার করা যাবে এটি। সেই সাথে এটির ব্যবহার পদ্ধতিও করা অনেক সহজ । ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে কেবলমাত্র মাইক্রোসফট উইন্ডোজের বৈধ ব্যবহারকারীরাই এটি বিনামূল্য ব্যবহার করতে পারবে।

অনলাইন রেডিও শুনুন VLC Media Player থেকে

VLC একটি অন্যতম জনপ্রিয় ওপেন সোর্স মিডিয়া প্লেয়ার। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, লিনাক্স, বিএসডি, সোলারিস সহ প্রায় সবধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী এবং কোন অপারেটিং সিস্টেমের উপযোগী ভার্সন সাইটে না পাওয়া গেলে আপনি সোর্সকোড থেকেও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। সব ধরনের মিডিয়াফাইল অর্থাৎ অডিও ও ভিডিও ফাইল চালানো সম্ভব এই একটি মাত্র মিডিয়া প্লেয়ারে । অন্য কোন সফটওয়্যার বা কোডেক ছাড়াই এটি নিজেস্ব কোডবেজ থেকেই চালাতে পারে সফটওয়্যারটি। ডেক্সটপ কম্পিউটারে ইনস্টলের উপযোগী ছাড়াও এর পোর্টেবল সংস্করণ পাওয়া যায়। যেটি দিয়ে কোন কম্পিউটারে ইনস্টল করা ছাড়াই পেনড্রাইভ বা অন্য কোন পোর্টেবল ডিভাইস থেকে চালানো যাবে সফটওয়্যারটি।


প্রতিনিয়ত এই সফটওয়্যারটি আপডেট করা হচ্ছে, সেই সাথে চলছে নতুন নতুন বৈশিষ্ট সংযোজন এর কাজ। ভিএলসি প্লেয়ারের ১..০ সংস্করণে নতুন বৈশিষ্ট গুলির মধ্যে অন্যতম হল অনলাইন রেডিওVLC মিডিয়া প্লেয়ার ব্যবহার করে ৪০০০এর ও বেশী অনলাইন রেডিও শুনতে পারা যায়। এবং কম্পিউটারে অতিরিক্ত কোন সফটওয়্যার বা বিশেষ কোন প্লাগইন যুক্ত না করেই কেবল মাত্র VLC প্লেয়ার দিয়েই কাজটি করা সম্ভব । তবে ভিএলসি এর ১..০ বা এর পরবর্তর সংস্করণগুলিতেই কেবলমাত্র এই বিশেষ সুবিধাটি পাওয়া যাবে । অনলাইন রেডিও চালানোর অন্যন্য অনেক সফটওয়্যার থেকে এটির সুবিধাটি হল VLC সব অপারেটিং সিস্টেমে চালানো যায় ফলে একই সফটওয়্যার ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারছেন আপনার সবগুলি ওএসএ। যেখানে অনলাইন রেডিও চালানোর প্রায় কোনটিই একাধিক অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর সুবিধা নেই।


সাধারণভাবে বৈশিষ্টটি সরাসরি দেখা যায় না । অপশন থেকে চালু করে নিতে হয়। পদ্ধতিটি নিচে বর্ণানা বিস্তারিত পড়ুন

বাগেরহাট হবে ডিজিটাল: জ্ঞান উৎসব ২০০৯

bagerhat hobe digital

আগামী ২৩ অক্টোবর বাগেরহাট শহরে হতে যাচ্ছে নতুন ধরনে এক উৎসব । নাম বাগেরহাট হবে ডিজিটাল : জ্ঞান উৎসব ২০০৯

ডিজিটাল কথাটা শুনলেই মানুষ বেশ উৎসাহী হয়ে উঠছে।  ডিজিটাল বাংলাদেশ কেমন হবে এটি সম্পর্কে প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা মতামত আছে।  নতুন সরকার আসার পর হটাৎ করেই সবই এখন ডিজিটাল হতে চাইছে। থাকাখাওয়া চলাফেরা সব কিছই তারা এখন ডিজিটাল করার চেষ্টা করে।

এর মাঝে সরকারও বলে দিয়েছে যেভাবেই হোক ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা করে ফেলা হবে।  ডিজিটাল কথাটার সাথে তথ্য প্রযুক্তি ও জ্ঞানবিজ্ঞানের কিছুটা যোগাযোগ আছে । দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকেই  তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের জ্ঞান ছড়িয়ে দেবার পদ্ধতিটি বেশ কার্যকরী। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ছাড়া দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়।  শহর ও গ্রাম, দেশের সকল অংশের মানুষের সহযোগীতায় এই কাজটি করার লক্ষে উদ্দেশ্য এই জ্ঞান উৎসব

তবে বাংলাদেশের এতগুলি জেলা বাদ দিয়ে বাগেরহাট থেকে এই  উৎসবের সূচনা করা হচ্ছে কেন ? কারণ হল বাগেরহাটে রামপাল উপজেলায় এধরনের একটি উৎসব বেশ কয়েকবছর ধরে করা হচ্ছে। বাৎসরিক সেই উৎসবের নাম হল জ্ঞান মেলা।  জ্ঞানবিজ্ঞানে বিভিন্ন বিষয় এবং তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক সেখানে তুলে ধরা হত। গ্রামবাসীর একটি আড্ডা দেবার যায়গা আছে যার নাম জ্ঞান কেন্দ্র।  দাবা খেলা তাদের অবসর বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম এবং গ্রামের পুকুরের পাড়ে তারা স্থায়ীভাবে বেশকিছু দাবার কোট তৈরী করে নিয়েছে। নিয়মিত সেখানে গণিত ও অন্যান্য বিষয়ে প্রতিযোগিতা হয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে। গ্রামে বেশ কয়েকটি কম্পিউটার প্রশিক্ষন সেন্টারও রয়েছে।

একটি গ্রামের উৎসবকে সম্পূর্ণ দেশে ছড়িয়ে দেবার জন্য এই জ্ঞান উৎসবএর মূল উদ্যক্তা হলেন আমাদের গ্রাম প্রকল্পের রেজা সেলিম এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স  নেটওয়ার্কের মুনির হাসান । গত একমাস ধরে অনুষ্ঠানটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের সাথে একদল স্বেচ্ছাসেবক নিয়মিত কজ করে যাচ্ছেন।  দুই দিনের এই উৎসবে প্রায়  ২০টির মত আলাদা আলাদা অংশ করেছে।

জ্ঞান উৎসবের উপলক্ষে একটি ওয়েবসাইট তৈরীর কাজ চলছে তবে এখনও কাজ শেষ হয় নাই । আপাতপ সাইটটি দেখতে পাবেন এখানে bdosn.org/bagerhat

উৎসবের সম্ভাব্য কর্মসূচি:

প্রথম দিন

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা : স্বাধীনতা চত্ত্বর থেকে শিল্পকলা একাডেমি
তথ্য মেলা প্রদর্শনী
উদ্ভাবনী মেলা
সুন্দরবনকে ভোট দেওয়ার বুথ
সেমিনার : ডিজিটাল বাগেরহাট : করনীয় নির্ধারণ
উইকিপিডিয়ার জন্য ছবি প্রতিযোগিতা
সাংস্কৃতিক অনুষ্টান
টেলিস্কোপে আকাশ দেখা ও আকাশ চেনা প্রতিযোগিতা
ক্যাবল নেটওয়ার্কে তথ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদশর্নী
গণিত অলিম্পয়াড
উত্তর পত্র মূল্যায়ন
সংখ্যা বিষয়ক কর্মশালা শিক্ষার্থীদের জন্য
গণিত শিক্ষকদের জন্য কর্মশালা

দ্বিতীয় দিন
উইকিপিডিয়াতে বাগেরহাটের তথ্য হালনাগাদ করা
সেমিনার : অপরাধ দমনে তথ্য প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটারে উপস্থাপনা প্রতিযোগিতা
মুক্ত আলোচনা : ডিজিটাল বাগেরহাট – কীভাবে এগোবো
পুরস্কার বিতরণী

চলে আসতে পারেন উৎসবে ।  আশা করা যায় অনুষ্ঠানটির সবকিছু ঠিকতম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

বাগেরহাট

bagerhat

বাগেরহাট বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিম অংশের একটি জেলা । এটি খুলনা বিভাগের অন্তর্গত।
বাগেরহাট জেলার আয়তন ৩৯৫৯।১১ বর্গ কিলোমিটার। জেলার উত্তর পাশে রয়েছে গোপালগঞ্জ এবং নড়াইল জেলা এবং দক্ষিনের সম্পূর্ন অংশে রয়েছে বঙ্গপসাগর । এছাড়া পূর্বের জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, বরগুনা এবং খুলনা জেলা রয়েছে বাগেরহাটের পশ্চিম পাশে। বাগেরহেটের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলির মধ্যে রয়েছে পাংগুচি, দারাতানা, মধুমতি, পশুর, মংলা, বালেশ্বর, বাংলা, গোষেরখালি ইত্যাদি।

বাগেরহাটকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৯টি উপজেলা, ৭৭টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১০৩১ টি গ্রাম , ৬৮৭টি মৌজা এবং ৩টি মিউনিসিপালিটি ২৭টি ওয়ার্ড এবং ৫৬টি মহল্লাতে। উপজেলাগুলির নাম হল : * বাগেরহাট সদর * কচুয়া * চিতলমারী * ফকিরহাট * মংলা * মোরেলগঞ্জ * মোল্লাহাট * রামপাল * শরণখোলা

জাতিসংঘের ঘোষনা অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৩টা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে (তথ্যসূত্র)। যার মধ্যে ২টিই রয়েছে বাগেরহাট জেলাতে । প্রথমটা মসজিদের শহর বাগেরহাট (তথ্যসূত্র, ছবি) এবং দ্বিতীয়টা সুন্দরবন (তথ্যসূত্র, ছবি)। বাগেরহাট শহরকে ১৯৮৫ সালে এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৭ সালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষনা করা হয়। বাংলা উইকিপিডিয়া (bn.wikipedia.org) এবং ইংরেজি উইকিপিডিয়া(en.wikipedia.org) বাগেরহাট সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে । এছাড়া অন্যন্য অনেক ভাষার উইকিপিডিয়ায় বাগেরহাট সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।
Encyclopedia Britanica
বিশ্বকোষে বাগেরহাটের উপর নিবন্ধ থাকলেও তথ্য রয়েছে খুবই সামান্য পরিমানে(তথ্যসূত্র)। তবে মাইক্রোসফেটের তৈরী করা বিশ্বকোষ msn Encarta(encarta.msn.com) –এ বাগেরহাটের উপর কোন নিবন্ধ নাই । এমনকি বাংলাপিডিয়ার সাইটেও(www.banglapedia.org) বাগেরহাটের নিবন্ধ পাতাটি খালি রয়েছে।

বাগেরহাট শহরকে “মসজিদের শহর” বলা হয়। শহরটি বাগেরহাট জেলার দক্ষিন পশ্চিম অংশে অবস্থিত। ১৫ শতকের শুরুর দিকে তুর্কী সেনাপতি খান জাহান আলী এই শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন । ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই শহরটি “খলিফাতাবাদ” নামে পরিচিত ছিল। পুরো শহরজুরে রয়েছে ইসলামিক মসজিদ ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন নিদর্শন।

৫০টিও বেশী স্থাপনা চিহ্নিত করে ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে বাগেরহাট শহরকে বিশ্ব এতিহ্যের অংশ হিসাবে ঘোষনা করে। এই স্থাপনাগুলির মধ্যে রয়েছে ষাট গম্বুজ মসজিদ ,সিংড়ো মসজিদ ,বিবি বেগনীর মসজিদ , চুনখোলা মসজিদ, খান জাহান এর মাজার ইত্যাদি। মধ্যযুগে এদেশে মুসলিম শাষনের স্বাক্ষর বহন করে এই শহরটি।

বাগেরহাটের কিছু দর্শনীয় স্থানের নাম হল
*
বাগেরহাট শহর
*
ষাট গম্বুজ মসজিদ
*
সোনা মসজিদ
*
খান জাহানআলীর মাজার
*
খান জাহান আলীর দীঘি(খাঞ্জেলি দীঘি)
*
ঘোড়া দীঘি
*
অযোধ্যা মঠ
*
দূর্গাপূর শীবের মঠ
*
মংলা বন্দর
*
সুন্দরবন
*
রুপসা ব্রীজ

উবুন্টুতে wallpaper clock screenlets ব্যবহার করা

ডেক্সটপ ওয়াল পেপারে সাধারণ একটি স্থির ছবি ব্যবহার করা হয়। কোন কোন এনিমেটেড ছবিও ব্যবহার করা যায় কখনো কখনো। উবুন্টুতে Screenlets নামের ছোট একটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ওয়াল পেপারে সময় ও তারিখ দেখার সুবিধা যুক্ত করে নেয়া যায়। এবং এটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সংয়ক্রিয়ভাবে পরিবর্তীত হয়।
ইনস্টল করার পদ্ধতিটি নিচে বর্ণনা করা হচ্ছে ।

প্রথমেই Screenlets প্রোগ্রামটি ইনস্টল করতে হবে । এজন্য টারমিনাল(Applications >> Accessories >> Terminal) ওপেন করে সেখানে নিচের কমান্ডটি ব্যবহার করুন । কিছুক্ষন অপেক্ষা করলে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যাবে ।

sudo apt-get install screenlets

এবার www.vladstudio.com/wallpaperclock/ সাইট থেকে পছন্দের ওয়াল পেপারটি আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিন । ডাউনলোড করা ফাইলগুলির এক্সটেনশশন হবে .wxz । এছাড়া ওয়ালপেপার ক্লক সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন www.vladstudio.com ওয়েব সাইটে।

ওয়াল পেপারগুলি ইনস্টল করার জন্য স্ক্রীনলেট ম্যানেজার চালু করুন Application >> Accessories >> Screenlets বিস্তারিত পড়ুন

Enable Flash Support for Chromium in Ubuntu Linux

উবুন্টুতে ক্রোম ব্রাউজার ইনস্টল করার পদ্ধতি

উবুন্টতে ফ্ল্যাশ প্লাগইন ইনস্টল করা হলেও সাধারণভাবে এটি ক্রোম থেকে ব্যবহার করা যায় না। ফ্ল্যাশ প্লাগইনে libflashplayer.so নামের ফাইলটি ক্রোম ফোল্ডারে রেখে দিতে হয়।
উবুন্টুতে ফ্ল্যাশ প্লাগইন ইনস্টল এবং ক্রোমে ব্যবহার পদ্ধতি নিচে বর্ণনা করা হল ।

প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে যে ফ্ল্যাশ প্লাগইনটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করা আছে। এই পরীক্ষা করার সবথেকে সহজ পদ্ধতি হল প্লাগইনটি আবার ইনস্টলের চেষ্টা করা । যদি ইনস্টল করা না থাকে তবে ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যাবে আর যদি আগে কম্পিউটারে থেকে তবে আর নতুন করে ডাউনলোড বা ইনস্টল হবে না।
ফ্ল্যাশ প্লাগইন ইনস্টল করতে নিচের কমান্ডটি টারমিনালে(Applications >> Accessories >> Terminal) লিখতে হবে।

sudo apt-get install flashplugin-nonfree

libflashplayer.so নামের ফাইলটি ক্রোম ডিরেক্টরীতে বিস্তারিত পড়ুন

Install Chrome Browser in Ubuntu

গুগল ক্রোম বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ওয়েব ব্রাউজার।  যদিও এখন পর্যন্ত এটির লিনাক্সের জন্য এটির  কোন স্ট্যাবল  সংস্করণ প্রকাশ করা হয় নাই। তবে ডেভলপমেন্ট পর্যায়ে থাকা সংস্করণটি ব্যবহার করা যায় সহজেই।  লিনাক্স সংস্করণটি অনেকেই ক্রোমিয়াম বলে চিনে থাকেন , তবে ক্রোমিয়াম হল মূল প্রকল্পটির নাম এবং এটির উপর ভিত্তি করেই গুগল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজার তৈরী করেছে।

ক্রোমিয়াম সাইট থেকে সোর্সকোড ডাউনলোড  করে লিনাক্সের জন্য ব্যবহার করা যায় তবে যেহেতু এটি কোন স্ট্যাবল সংস্করণ নয় তাই এখান থেকে ইনস্টল উচিৎ না। সেক্ষেত্রে Launchpad এর Chromium-daily PPA repo থেকে ডাউনলোড করা যায় কারণ এর মাধ্যমে নতুন সকল আপডেট সহজে ইনস্টল করা যায়।

GPG key সংযোজন করা

sudo apt-key adv --recv-keys --keyserver keyserver.ubuntu.com 4E5E17B5

PPA Launchpad Repo সংযোজন করা
Software Sources( System > Administration > Software Sources) ওপেন করুন এবং দ্বিতীয় ট্যাব Third-Party Software নির্বাচন করে ADD বাটন চাপুন। এবং এরপর একটি একটি করে নিচের লাইন দুটি যুক্ত করে বিস্তারিত পড়ুন